সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শুধুমাত্র আইন দিয়ে দুর্নীতি দমন করা যায় না: আইনমন্ত্রী  » «   জামায়াতের সবারই রাজ্জাকের মতো ভুল ভাঙা উচিত: ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ  » «   সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জা‌নি‌য়ে মোদিকে শেখ হাসিনার বার্তা  » «   গুগলে ‘টয়লেট পেপার’ লিখলে আসছে পাকিস্তানের পতাকা  » «   পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে ভারত?  » «   সাত বছরে ৬৩ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন  » «   তিন দিনের সীমান্ত সম্মেলনে বিএসএফ প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে  » «   বড় রাজনৈতিক দল অংশ না নেওয়া ইসির জন্য হতাশাজনক: সিইসি  » «   পাকিস্তানকে কী করতে পারবে ভারত?  » «   বঙ্গবীর ওসমানীর জন্ম-মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের দাবি  » «   দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় সা’দপন্থীদের ইজতেমা শুরু  » «   মোদির স্বপ্ন কখনোই পূরণ হবে না, পাল্টা হুঙ্কার পাকিস্তানের  » «   চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার খবরটি ‘টোটালি ফলস’  » «   শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে: খাদ্যমন্ত্রী  » «   জামায়াত নতুন নামে পুরনো চরিত্রে ফিরে আসে কিনা তা ভাবনার বিষয়  » «  

সমবয়সী সঙ্গীকে বিয়ের সুফল-কুফল



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: বিয়ে দুজন মানুষের মধ্যে জীবনের এক বন্ধন।বিয়ের পর নিজেদের মধ্য বোঝাপড়া থাকাটা বড় বিষয়।ভালোবেসে বা পারিবারিকভাবে বিয়েই হোক সব কিছুতেই বোঝাপড়াটাই প্রধান।

তবে, সমবয়সীদের বিয়েতে একটু ঝামেলা থাকেই।পাত্রীর চেয়ে পাত্রের বয়স কমপক্ষে ৫ বছর এবং বেশি হলে ১০ বছরের মধ্যে থাকা উচিত। ব্যতিক্রম ঘটনা থাকতেই পারে,কিন্তু সেটা আলোচনার মধ্যে আসতে পারে না।এক্ষেত্রে সমবয়সী দম্পতিরা হতে পারেন দারুণ সুখী।জীবনের সর্বাঙ্গীণ সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ,সফলতা-বিফলতায় সমান ভাগীদার খোঁজা।তাই সমবয়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানিং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।

একইসঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা,মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা।সমবয়সী স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়।নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো তার সঙ্গে মিলে যায় সহজেই।

তবে বিষয়গুলো আবার সব সময় একই রকম থাকে না। কখনও পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। তাইতো অনেক অভিভাবকই মেনে নিতে পারেন না ব্যাপারটা। সমবয়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখতে পায়, যা বিষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবন।

অনেক সময় দেখা যায়, সমবয়সী পুরুষ নারীর কাছে মানসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়।কিন্তু পুরুষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারীটি ওই পুরুষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার মধ্যে কর্তৃত্বপরায়ণতা থাকে।

ফলে শুরু হয়ে যায় ব্যক্তিত্বের সংঘাত। আবার এমনও হয়, যুক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মেয়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা থাকে না পুরুষটির। মেয়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিকতা বোঝার ক্ষমতা একটু বেশি।

ছেলেটির তুলনায় মেয়েটি যখন বেশি সচেতন তখন তা হয় দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতা ইত্যাদির কারণ হয়। একে অপরকে যথাযথ সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে। তাই সমবয়সীকে সঙ্গীকে বিয়ে করতে চাইলে দুজনের মধ্য বোঝাপড়া থাকাটা খুব বেশি জরুরি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: