মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিদেশি বিজ্ঞানী-গবেষকদের ফ্রি ভিসা দেবে সৌদি আরব  » «   আগুনে পুড়ে প্রতিবন্ধি যুবক নিহত  » «   দুই বাসের সংঘর্ষে প্রাণ গেল ২ জনের  » «   ঝিনাইদহে পান চাষীকে হত্যা, মুলহোতাসহ গ্রেফতার ৪  » «   বড়লেখায় ভুয়া চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনী নোটিশ  » «   খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে যা বললেন কাদের সিদ্দিকী!  » «   প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ৪ শিক্ষকসহ গ্রেফতার ৫  » «   এক ম্যাচে ১০ লাল কার্ড!  » «   সিরিয়ায় বিমান হামলায় নিহত ৭৭  » «   এক আসামীকে চারবার ফাঁসির আদেশ!  » «   চুরির অভিযোগে শিশুকে রাতভর নির্যাতন  » «   টিক মারা বন্ধ করে দেব, প্রশ্ন ফাঁস প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী  » «   একুশে পদক প্রদান করছেন প্রধানমন্ত্রী  » «   ‘ইন্ডাস্ট্রিতে আসার পর কণ্ঠস্বর নিয়ে অনেক সমালোচনার মুখে পড়ি’  » «   ধর্ষণের সময় ছবি তুলে ‘ব্ল্যাকমেল’  » «  

সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ: চেয়ারম্যানসহ আসামি ৭



নিউজ ডেস্ক::শেখ ফরমান এলিন, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনারোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় ধর্ষক রেজাউল করিমসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ধর্ষক রেজাউল করিম উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের স্কুল পড়ুয়া সপ্তম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একই গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে রেজাউল করিম ধর্ষণ করে। এর আগে ওই শিক্ষার্থীকে প্রায় ৬মাস আগ থেকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল রেজাউল করিম।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে মোবাইলে ওই শিক্ষার্থীকে বাড়ির বাইরে আসতে বলে। পরে বাড়ির পাশের নির্জনস্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় মেয়েটি আর্তচিৎকার করলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ধর্ষককে আটক করে। পরে ধর্ষকের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে জোরপুর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ধর্ষণের বিষয়টি স্থানীয় ফলদা ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদুকে জানানো হয়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর ওই ইউপি চেয়ারম্যান তার বাড়িতে পার্শ্ববর্তি গাবসারা ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির ও ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম শরিফসহ এলাকার গন্যমান্যব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশের আয়োজন করে।

পরবর্তিতে ধর্ষিতার পরিবারকে থানায় মামলা না করার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। ধর্ষিতার পিতা জাহিদুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে স্থানীয় তিন ইউপি চেয়ারম্যান সালিশের আয়োজন করে। সালিশে ধর্ষকের সাথে বিয়ের জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবী করে। এঘটনায় থানায় মামলা না করার জন্য ধর্ষকসহ তার পরিবার নানাভাবে হত্যার হুমকি দিচ্ছে।

ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম কাউছার চৌধুরী বিডি২৪লাইভকে জানান, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষকসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনায় চেয়ারম্যানরা সালিশের আয়োজন করেছিল বলে বাদী মামলায় উল্লেখ করেছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: