শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর  » «   কাশ্মীর বিদ্রোহী নেতার নামে পাকিস্তানের ডাকটিকিটি প্রকাশ  » «   সংসদ নির্বাচনে হুমকি ‘সাইবার ক্রাইম’, গুজব ঠেকাতে সজাগ পুলিশ  » «   তাঞ্জানিয়ায় ফেরি ডুবি, নিহত বেড়ে ১৩৬  » «   আইনগত অনুমোদন পেলেই সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার: সিইসি  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের কার জন্য কত টাকা গৃহঋণ  » «   গণেশের ছবি দিয়ে বিজ্ঞাপন: হিন্দুদের কাছে ট্রাম্পের দলের দুঃখ প্রকাশ  » «   প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলো কোটা বাতিলের সুপারিশ  » «   রেলের আধুনিকায়নে দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প  » «   কেন মুনকে বিশেষ সেই ‘পবিত্র পর্বতে’ নিয়ে গেলেন কিম?  » «   সুখোই কিনলে ভারতকেও নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হবে!  » «   প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কের পথে লন্ডন পৌঁছেছেন  » «   তাঁতশিল্প আধুনিকায়নে বিশেষ উদ্যোগ, বাড়ছে ঋণ  » «   আফগানিস্তানে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৫  » «   রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়ে দুই পুরস্কার পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী  » «  

সন্তান দত্তক নেওয়া কি জায়েজ?



ইসলাম ডেস্ক::নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় বেসরকারি একটি টেলিভিশনের জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

প্রশ্ন : ইসলামে দত্তক নেওয়ার বিধান আছে কি? থাকলে উত্তরাধিকারের নিয়ম কী?

উত্তর : ইসলামে দত্তক নেওয়া হারাম, দত্তক নেওয়া জায়েজ নেই। মানুষকে আপনি দয়া করে তাঁকে লালন-পালন করতে পারেন, কিন্তু সন্তান দত্তক নেওয়া জায়েজ নেই, এটা হিন্দুদের মধ্যে আছে। এটা কখনো ইসলামে নেই। ইসলামে দত্তক নিলে সে কোনো ওয়ারিশ হবে না, কোনো কিছুই পাবে না।

দত্তক নেওয়া তো জায়েজ নেই, বরং কোনো মানুষকে যদি আপনি লালন-পালন করেন, যে আপনার পরিবারভুক্ত নয়, সন্তান নয়, তাঁর জন্য আপনি কিছু দান করতে পারেন, সদকা করতে পারেন। তাঁকে উত্তরাধিকার আইনের মধ্যে নিয়ে আসা যাবে না। সে আপনার কোনো সন্তানের মর্যাদা পাবে না এবং কোনো ওয়ারিশ হবে না। এটাই মূল কথা।

কোরআনে কারিমে আল্লাহতায়ালা এই দত্তকপ্রথা নিষেধ করার জন্য সরাসরি তাঁর নবীকে দিয়ে একটি বিরাট কাজ করিয়েছেন। সেটা হচ্ছে, জায়েদ ইবনে হারজ, যাকে বলা হতো জায়েদ ইবনে মুহাম্মদ, অর্থাৎ মুহাম্মদের ছেলে জায়েদ। সেটা বন্ধ করার জন্য আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘যাদের তোমরা সন্তান বলে ডাকো, তারা তোমাদের সন্তান নয়।’

সরাসরি আল্লাহতায়ালা নিষেধ করে দিয়েছেন সূরা আহজাবে। এর পর আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘এগুলো তোমাদের মুখের কথা, আল্লাহ সঠিক কথা বলেন।’ অর্থাৎ দত্তক নেওয়া কোনোভাবেই জায়েজ নেই। এ জন্য জাহেলি যুগে নবী (সা.) যাঁকে লালন-পালন করেছেন, আল্লাহতায়ালার নির্দেশে তাঁর স্ত্রীকে তিনি বিয়ে করে দেখিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহতায়ালা বলে দিয়েছেন, ‘যাদের তারা নিজের সন্তান বলে ডাকে, তাদের স্ত্রীকে বিয়ে করা হারাম নয়, হালাল।’ এটা প্রমাণ করার জন্য আল্লাহতায়ালা তাঁর স্ত্রীকে, অর্থাৎ জায়নাবকে বিয়ে দিয়েছেন মুহাম্মদ (সা.)-এর সঙ্গে। সুতরাং ইসলামে দত্তকের কোনো সুযোগ নেই।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: