বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সুমনের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম  » «   দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করছিলেন দুদকের বাছির  » «   কে হচ্ছেন ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী, জনসন না হান্ট?  » «   মিলানে ফেনী সমিতির জাকজমকপূর্ণ পুনর্মিলনী ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত  » «   সিলেট বিভাগে ফিটনেসবিহীন গাড়ির সংখ্যা প্রায় ৪৫ হাজার  » «   ভয়াবহ দাবানলে জ্বলছে পর্তুগাল  » «   কাশ্মীর নিয়ে মধ্যস্থতায় আগ্রহী ট্রাম্প, ভারতের না  » «   ‘কল্লা কাটা’ গুজব রটানো সুনামগঞ্জের কথিত কবি আজাদ গ্রেফতার  » «   সৎ পথে থাকলে আল্লাহ সহায় হবেন: ব্যারিস্টার সুমন  » «   জিএম কাদের জাপার চেয়ারম্যান নন: রওশন  » «   মক্কা-মদিনায় হাজিদের ‘হজ অ্যাপ’ সুবিধা দিচ্ছে ভারত!  » «   হজরত শাহজালালের (রহ.) মাজারে ভক্ত-আশেকানদের ঢল  » «   পশ্চিমবঙ্গেও ছেলেধরা গুজব, একজনকে পিটিয়ে হত্যা  » «   হবিগঞ্জে ছেলেধরা সন্দেহে তিনজনকে গণপিটুনি  » «   গণপিটুনিতে রেনু নিহতের ঘটনায় আটক ৩ জন রিমান্ডে  » «  

সংসদ নির্বাচনের জন্য ৭০০ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন



নিউজ ডেস্ক:: একাদশ সংসদ নির্বাচনের খরচ বাবদ ৭০০ কোটি টাকার একটি বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। সোমবার (১৫ অক্টোবর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৩৬তম প্রস্তুতি সভায় এ বাজেট অনুমোদন করা হয়। সভা শেষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের একথা জানান।

ইসি সচিব জানান, এবার ভোট গ্রহণের জন্য ৪০ হাজার ১৯৯টি ভোট কেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত ৫ শতাংশ কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া আসন ভিত্তিক ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। সেগুলো সিডি আকারে প্রতিটি আসনে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন,এবারের নির্বাচনে দেশি-বিদেশ পর্যবেক্ষকদের আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

ইসি সচিব বলেন,এবার বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্বাচন কমিশন থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনের আগে আটটি বিভাগীয় জেলা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটিসহ মোট ১০টি জেলায় সভা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের সভা বর্জন প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন,ওনি একটি বিষয় সভার এজেন্ডায় অর্ন্তভূক্ত করার দাবি জানিয়েছিলেন,কিন্তু বাকি তিন কমিশনার ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার সে বিষয়ে একমত হননি। এ কারণে তিনি সভা বর্জন করেছেন।

মাহবুব তালুকদার তার ‘নোট অব ডিসেন্টে’ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে উঠে আসা দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আলোচনা প্রস্তাব করেছিলেন।যদি দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আলোচনা না হয়ে তবে সংলাপ হয়েছিলো কেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে যেসব বিষয় উঠে এসেছে সেগুলো আমরা পুস্তক আকারে প্রকাশ করেছি।আমরা রাজনৈতিক দাবিগুলো দেখছি এবং সাংবিধানিকভাবে কিছু বিষয় এর মধ্যে পড়ে গেছে।

সংলাপে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল সেনা মোতায়েন এবং ইভিএম বাতিল চেয়েছিলো এবং সরকারি দল আওয়ামী লীগ সেনা মোতায়েনের বিপক্ষে এবং ইভিএম রাখার কথা বলেছিলো,এখন নির্বাচন কমিশনও সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তাহলে কি ইসি সরকার দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে,এমন প্রশ্নে ইসি সচিব কোনো উত্তর দেননি। তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: