রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীর হো‌টে‌লের সাম‌নে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিএন‌পির বিক্ষোভ  » «   বিশ্বের চতুর্থ ভয়ঙ্করতম সংগঠন মাওবাদী!  » «   ফেঁসে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড আবেদনকারীরা  » «   শাবিপ্রবিতে ছাত্রী হলের পানিতে মিলছে কেঁচো-জোঁক!  » «   সিলেটের ওসমানীনগরে বাস চাপায় নিহত ২, আহত ৩  » «   বনে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে ১১ সিংহের মৃত্যু  » «   তাবলিগের সংকট নিরসনে সরকারের পাঁচ নির্দেশনা  » «   গাজীপুরে বেতনের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ  » «   শূন্যপদের সঠিক তথ্য দিচ্ছে না শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো  » «   আজ ঢাকায় আসছেন বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট  » «   এবার ক্ষুধার্ত পদ্মার পেটে যাচ্ছে শিবচর  » «   আইসিসি নিজেই মিয়ানমারের বিচারে সক্ষম: জাতিসংঘ মহাসচিব  » «   নাইজেরিয়ায় কলেরা সংক্রমণ; ৯৭ জনের মৃত্যু  » «   ধানের শিষ এখন পেটের বিষ: ওবায়দুল কাদের  » «   যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তবে শান্তির পথও খোলা: পাকিস্তান আর্মি  » «  

শীতেও আয়কর মেলা চান আইনমন্ত্রী, সঙ্গে চান পিঠা



6নিউজ ডেস্ক:: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আয়কর মেলা শীতের সময়ও আয়োজন করা যেতে পারে। তাই এনবিআর কর্মকর্তাদের বলবো- আপনারা যেন ওই সময়ে আমাদের (করদাতা) জন্য শীতের পিঠার ব্যবস্থা করেন।’

সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর বেইলী রোডে অফিসার্স ক্লাবে আয়োজিত জাতীয় আয়কর-২০১৫ এর সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আগাম মেলার আভাস দিয়ে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে এনবিআর’র কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার সদস্য আব্দুর রাজ্জাকের সভাপত্বিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান এবং এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান ছিলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। তাছাড়া সকল সূচকেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এর আগে থেকেই বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৭৬ নম্বর আদেশবলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন। দেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য তার অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক দর্শন ছিল অভ্যন্তরীণ সম্পদের কাঙ্ক্ষিত প্রবাহ নিশ্চিত করে দেশের অর্থনীতিকে মজবুত ভিত্তির উপর দাঁড় করানো।’

‘জাতির জনকের অর্থনৈতিক দর্শন ও স্বপ্নের ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একটি সুখি-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণে তার সরকার কার্যকরী ও সময়োপযোগী সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। আর এই আয়কর মেলা রাজস্ব আহরণ কার্যক্রমে এক অভিনব সংযোজন।’ যোগ করেন আইনমন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, ‘আয়করের মতো নিরস ও জটিল বিষয়কে নিয়ে কিভাবে মেলা আয়োজন করা যায়, সেই দৃষ্টান্ত আমরা স্থাপন করেছি। এ মেলা দেশের এবং দেশের বাইরে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছে। জনবান্ধব করব্যবস্থাপনার প্রতিচ্ছবি আয়কর মেলা আমাদের কর ব্যবস্থাপনাকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে প্রচলিত ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশটিকে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ঢেলে সাজানো এখন সময়ের দাবি। আমাদের সরকার ২০১৬ সালের মধ্যে একটি নতুন আয়কর আইন উপহার দিতে পারবে বলে আশা করছি। সেই লক্ষ্যে এনবিআর কাজ করে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস, নতুন আয়কর আইন জনগণের জন্য অধিকতর সহজবোধ্য, গণমুখি ও ব্যবসা-বান্ধব হবে।’

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, ‘পৃথিবীর কোথাও কর মেলা হয়েছে কি না জানা নেই। বাংলা ভাষায় এই শব্দ ছিল কি না, সেটাও জানা নেই। কিন্তু আমরা তার আয়োজন করতে পেরেছি। আমরা দেশের উন্নয়নের জন্য এরকম অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। কেননা আমাদের নেতৃত্বে যে আছেন, তিনি খুব সাহসী। তার সততার সঙ্গে অনেক কিছুই করা সম্ভব।’

তিনি এনবিআর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা যেটা করেছেন সেটা দেশের স্বার্থে করেছেন। শুধু টাকা দিলে হবে না, সেটা কোথায় ব্যয় করছে সেটাও দেখাতে হবে। জনগণ যেন আমাদের ব্যয়ে সন্তুষ্ট হয়। জনগণ যদি আমাদের সেবা পায়, তাহলে আমাদের ধারণা আমাদের জনগণ আমাদের বিরোধিতা করবে না। এই জন্য আপনাদের যথাযথ জায়গায় খরচ করতে পারছি কি না দেখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বাঙালিদের কাছে মেলা অনেক জনপ্রিয়। তাই এই জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে শীত মেলা ও গ্রীষ্ম মেলাও আয়োজন করা যেতে পারে। তাহলে দেখবেন এসব মেলায় জনগণ বেশি আয়কর জমা দেবে।’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: