বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা আজ  » «   অপহরণের পর বিএনপি নেতার গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার  » «   প্রাথমিক শিক্ষকদের সমাপনী ও বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা  » «   পুলিশের ‘জামাই’ বলে কথা!  » «   জাস্টিন ট্রুডোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিনন্দন  » «   ফের বাড়ছে পেঁয়াজের দাম!  » «   সুনামগঞ্জে চিকিৎসকের ওপর হামলায় চেয়ারম্যান গ্রেফতার  » «   পদ হারিয়ে যা বললেন ওমর ফারুক চৌধুরী  » «   ২৯ রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফিরেছে, জানেই না বাংলাদেশ  » «   একনেকে ৫ প্রকল্পের অনুমোদন, ব্যয় হবে ৪৬৩৬ কোটি  » «   ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সিলেটের এসপির সর্তকতা  » «   বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু  » «   হবিগঞ্জে স্ত্রীকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী আটক  » «   পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেবে তুরস্ক  » «   এমপিও নিয়ে দুপুরে গণমাধ্যমের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রীর মতবিনিময়  » «  

শীঘ্রই বিশ্ববাসীকে কৃষ্ণ গহ্বরের ছবি দেখবে: নাসা



তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:: শীঘ্রই পৃথিবীবাসী কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম ছবি দেখতে পারবেন, এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে নাসা। ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ বা ইএইচটি’র গবেষণার প্রথম দফার ফলাফল নিয়ে আগামী বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করবেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তাদের গবেষণার বিষয় ছিল কৃষ্ণ গহ্বর। সেই সংবাদ সম্মেলনে কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম ছবি প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষ্ণ গহ্বর বিশেষজ্ঞ ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির জ্যোতির্বিজ্ঞানী পল ম্যাকনামারা বলেছেন,‘‌৫০ বছরের আগে কয়েকজন বিজ্ঞানী আমাদের ছায়াপথের মধ্যে দেখেছিলেন অত্যন্ত উজ্জ্বল কোনো বিন্দু। সেটার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই বেশি ছিল যে নক্ষত্রগুলি তাকে প্রদক্ষিণ করত অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। ২০ বছরের মধ্যে সব কয়টি নক্ষত্র প্রদক্ষিণ করে ফেলছে সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র। অথচ তুলনামূলক ভাবে আমাদের সৌরমণ্ডলের ছায়াপথকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ২ কোটি ৩০ লক্ষ বছর।

এরপর বিজ্ঞানীরা আন্দাজ করেন যে ওই উজ্জ্বল বিন্দু আসলে কৃষ্ণ গহ্বর। যাকে ঘিরে রয়েছে সাদা গরম গ্যাস এবং প্লাজমার ঘূর্ণি। ওই বিন্দুর মধ্যবর্তী স্থানে সব কিছুই অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। আপনি এর ভিতরে ঢুকে গেলে পালাতে পারবেন না কারণ আপনার অসংখ্য শক্তির প্রয়োজন হবে। আপনি এর উল্টো দিকে থাকলেই নীতিগতভাবে তা পারবেন। কারণ আমরা আমাদের ছায়াপথের সমতল জায়গায় রয়েছি।’‌

মাইকেল ব্রেমার নামে আরেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী বললেন, ছোট ছোট দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এত বছর ধরে তারা পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছেন। কারণ একটি বিশাল দূরবীক্ষণ ব্যবহার করলে সেটা তার নিজের ওজনেই ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা ছিল।

কৃষ্ণ গহ্বরের মধ্যবর্তী স্থানে সেটির ভর একটিই জিরো ডাইমেনশনাল পয়েন্টে আটকানো থাকে। এপর্যন্ত মহাকাশের কৃষ্ণ গহ্বরের রহস্য কেউ ভেদ করতে পারেননি। প্রয়াত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তার জীবনের অধিকাংশ সময় এর গবেষণাতেই কাটিয়েছিলেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: