শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
Sex Cams
সর্বশেষ সংবাদ
পানিতে দাঁড়িয়েই কয়রাবাসীর ঈদের নামাজ  » «   ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের রেকর্ড, মৃত্যু ৫০০ ছাড়ালো  » «   ফিনল্যান্ডে ভিন্ন আবহে ঈদ উদযাপন  » «   উপকূলে আমফানের আঘাত  » «   করোনা চিকিৎসায় ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পেয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   করোনার টিকা আবিষ্কারের দাবি ইতালির বিজ্ঞানীদের  » «   জেলে করোনা আতঙ্কে প্রিন্সেস বাসমাহ  » «   ঘুষের প্রশ্ন কিভাবে আসে, বললেন ওষুধ প্রশাসনের ডিজি  » «   কিশোরগঞ্জে এবার করোনায় সুস্থ হলেন চিকিৎসক  » «   স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অজ্ঞতাবশত ভুল বলিয়াছে: ডা. জাফরুল্লাহ  » «   বিশ্বে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ লাখ ছাড়িয়েছে  » «   ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «  

শীঘ্রই বিশ্ববাসীকে কৃষ্ণ গহ্বরের ছবি দেখবে: নাসা



তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক:: শীঘ্রই পৃথিবীবাসী কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম ছবি দেখতে পারবেন, এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে নাসা। ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপ বা ইএইচটি’র গবেষণার প্রথম দফার ফলাফল নিয়ে আগামী বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করবেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। তাদের গবেষণার বিষয় ছিল কৃষ্ণ গহ্বর। সেই সংবাদ সম্মেলনে কৃষ্ণ গহ্বরের প্রথম ছবি প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

কৃষ্ণ গহ্বর বিশেষজ্ঞ ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির জ্যোতির্বিজ্ঞানী পল ম্যাকনামারা বলেছেন,‘‌৫০ বছরের আগে কয়েকজন বিজ্ঞানী আমাদের ছায়াপথের মধ্যে দেখেছিলেন অত্যন্ত উজ্জ্বল কোনো বিন্দু। সেটার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই বেশি ছিল যে নক্ষত্রগুলি তাকে প্রদক্ষিণ করত অত্যন্ত দ্রুত গতিতে। ২০ বছরের মধ্যে সব কয়টি নক্ষত্র প্রদক্ষিণ করে ফেলছে সেই উজ্জ্বল নক্ষত্র। অথচ তুলনামূলক ভাবে আমাদের সৌরমণ্ডলের ছায়াপথকে প্রদক্ষিণ করতে সময় লাগে ২ কোটি ৩০ লক্ষ বছর।

এরপর বিজ্ঞানীরা আন্দাজ করেন যে ওই উজ্জ্বল বিন্দু আসলে কৃষ্ণ গহ্বর। যাকে ঘিরে রয়েছে সাদা গরম গ্যাস এবং প্লাজমার ঘূর্ণি। ওই বিন্দুর মধ্যবর্তী স্থানে সব কিছুই অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। আপনি এর ভিতরে ঢুকে গেলে পালাতে পারবেন না কারণ আপনার অসংখ্য শক্তির প্রয়োজন হবে। আপনি এর উল্টো দিকে থাকলেই নীতিগতভাবে তা পারবেন। কারণ আমরা আমাদের ছায়াপথের সমতল জায়গায় রয়েছি।’‌

মাইকেল ব্রেমার নামে আরেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী বললেন, ছোট ছোট দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এত বছর ধরে তারা পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছেন। কারণ একটি বিশাল দূরবীক্ষণ ব্যবহার করলে সেটা তার নিজের ওজনেই ভেঙ্গে পড়ার আশঙ্কা ছিল।

কৃষ্ণ গহ্বরের মধ্যবর্তী স্থানে সেটির ভর একটিই জিরো ডাইমেনশনাল পয়েন্টে আটকানো থাকে। এপর্যন্ত মহাকাশের কৃষ্ণ গহ্বরের রহস্য কেউ ভেদ করতে পারেননি। প্রয়াত বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং তার জীবনের অধিকাংশ সময় এর গবেষণাতেই কাটিয়েছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: