সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
আর্জেন্টিনা দলের উপর ক্ষেপেছেন ম্যারাডোনা!  » «   বিশ্বজিৎ হত্যা : যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কারাগারে  » «   দ্বিতীয় বারের মতপ্রেসিডেন্ট হয়ে যা বললেন এরদোয়ান  » «   গাজীপুর সিটি করপোরেশন : নির্বাচনের আগে মওদুদের যত অভিযোগ  » «   তাহিরপুরে ২ লক্ষাধিক টাকার বেড় জাল আটক  » «   চুলের কন্ডিশনার রয়েছে আপনার রান্না ঘরেই!  » «   ডু অর ডাই ম্যাচে যে ১১ জনকে মাঠে নামাবে আর্জেন্টিনা  » «   বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু  » «   বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে : ওবায়দুল কাদের  » «   নিজস্ব ভবন পেল আওয়ামী লীগ  » «   বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ : শুরু হচ্ছে নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তরের কাজ  » «   ‘রাতের অন্ধকারে বছরের পর বছর ধর্ষণ করেছে বাবা’  » «   প্রধানমন্ত্রীর উপলব্ধি যথার্থ : রিজভী  » «   স্কুলের গেটে জলাবদ্ধতা, ছাত্রদের সড়ক অবরোধ  » «   তানোরে পুলিশের স্ত্রীর আত্মহত্যা  » «  

শিশু রাব্বি হত্যা: রাজশাহীতে ৩জনের ফাঁসির আদেশ



নিউজ ডেস্ক:: রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার বেড়াবাড়ি ডাইংপাড়ায় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফজলে হোসেন রাব্বিকে অপহরণ ও হত্যা মামলায় তিন আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং তিনজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক শিরীন কবিতা আখতার এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এন্তাজুল হক বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- উপজেলার বেড়াবাড়ি ডাইংপাড়ার আবুল কাশেমের ছেলে মাজেদুর রহমান সাগর, হযরত আলীর ছেলে নাজমুল হক, আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রিপন সরকার লিটন। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হচ্ছেন মাজেদুর রহমানের মা আসিনুর বেগম। অপরদিকে বেকসুর খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- আবুল কাসেম (৫০), আমিনুল ইসলাম (২৪) ও সাহাবুদ্দিন (২২)।

আদালত সূত্র জানায়, গত ২৯ নভেম্বর ৭ আসামিকে আদালতে হাজির করে আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শোনেন বিচারক শিরীন কবিতা আখতার। ওইদিন আসামিদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ এবং ১৯ ডিসেম্বর মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর বেড়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফজলে হোসেন রাব্বিকে (১০) অপহরণ করা হয়। ওইদিনই তার দেহ থেকে মাথা ও ডান হাত বিচ্ছিন্ন করে লাশ বস্তায় ভরে জনৈক হাবিবুর রহমানের ধান ক্ষেতের নালায় পুঁতে রাখেন হত্যাকারীরা। এরপর হত্যাকারীরা ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে রাব্বির বাবা আলী হোসেনকে মোবাইল করেন।

২৪ ডিসেম্বর টাকা নিয়ে রাব্বিকে ছাড়ার কথা থাকলেও আসামিদের মোবাইল বন্ধ ছিল। এরআগে আলী হোসেন ২০ ডিসেম্বর মোহনপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি এবং ২৪ ডিসেম্বর এজাহার দাখিল করেন। এর দুইদিন পর ২৬ ডিসেম্বর শিশু রাব্বির লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ মোবাইল ফোনের কলের সূত্র ধরে আসামিদের গ্রেফতার করে। পরে আসামি সাগর ও আসিনুর বেগম দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ মামলার তদন্ত করে সাতজনকে বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: