বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বরখাস্তকৃত ন্যানগ্যাগওয়াই হচ্ছেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট  » «   খালেদার গাড়িবহরে হামলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিকল্পনার অংশ  » «   এক মোটরসাইকেলেই বিশ্ব রেকর্ড  » «   কাঁদলেন ঐশ্বরিয়া, ১শ শিশুর ঠোঁটের অস্ত্রোপচারে খরচ দিবেন  » «   কাল থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে চুয়েট বাস  » «   বলি একটা লেখেন আরেকটা: সাংবাদিকদের রোনালদো  » «   এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি  » «   মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হবে ছাত্রলীগের স্কুল কমিটি  » «   এগিয়ে থাকুন সৃজনশীলতায়  » «   সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ১ বছরে সাড়ে ৩ কোটি ইয়াবা জব্দ  » «   শ্রীমঙ্গলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন  » «   দখলমুক্ত হচ্ছে খাল ও নদী  » «   কুমিল্লায় হানিফ‘আ’লীগকে হুংকার দিয়ে লাভ নেই’  » «   কমলগঞ্জে প্রতিহিংসায় বিনষ্ট কৃষকের শিম বাগান  » «   অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অভিযোগ  » «  

শিশুশিল্পীকে মানসিক পীড়নের উকিল নোটিশ হাতে পেয়েছেন রাজীব



বিনোদন ডেস্ক:: শুটিং সেটে চার বছরের শিশুশিল্পী রাজ্যকে মানসিক পীড়া দেয়ায় বিজ্ঞাপন নির্মাতা আদনান আল রাজীবকে উকিল নোটিশ দিয়েছেন রাজ্যের মা নায়লা পারভীন পিয়া। নির্মাতার বিরুদ্ধে অভিযোগ, চার বছরের ছেলে রাজ্যকে একটি বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে নির্বাচিত করে শুটিং সেটে তার উপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করে শুটিং থেকে বাদ দেওয়া হয়। রাজ্য ও তার মায়ের পক্ষে ৫ নভেম্বর উকিল নোটিশটি পাঠিয়েছেন অ্যাডভোকেট এলিনা খান।

উকিল নোটিশে বলা হয়েছে, শিশু রাজ্যকে শুটিংয়ে নিয়ে তার সঙ্গে জোরে কথা বলে। তার সামনে অন্য শিশুকে কাজ করিয়ে রাজ্যকে মানসিক নির্যাতন, কষ্ট দেয়া ও ক্ষতি করা হয়েছে। বিষয়টি শিশু অধিকারের পরিপন্থি ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। পরিচালক হিসেবে ওই বিষয়ে সাত দিনের মধ্যে মতামত জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে রাজীবকে। না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন আবেদনকারী।

উকিল নোটিশ বৃহস্পতিবার হাতে এসে পৌঁছেছে নির্মাতা আদনান রাজীবের হাতে। তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘নোটিশ পেয়েছি আজ। আসলে যা হয়েছে পুরোটাই ভুল বোঝাবুঝি। আলোচনার মাধ্যমে সব ভুল বোঝাবুঝি অবসান হবে শিগগিরই। রাজ্য শিশু, তাকে কষ্ট দেয়ার কোনোরকম মানসিকতা আমার বা আমার প্রতিষ্ঠানে কারোর নেই।’
আদনান আল রাজীবের বিজ্ঞাপন নির্মাণ সংস্থার নাম রান আউট। রাজ্যের মা পিয়া জানান, ‘রান আউট নামে একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা কয়েক সপ্তাহ আগে আমাকে ফোন করে। আমার ছেলে রাজ্যকে বসুন্ধরা টিস্যুর একটি বিজ্ঞাপনে মেইন আর্টিস্ট হিসেবে কাস্ট করতে চায়। প্রথমে ইচ্ছে ছিল না। পরে তারা বেশী আগ্রহ প্রকাশ করলে রাজি হই। বাচ্চাকে তাদের অফিসে নিয়ে যেতে বলে। আমি নিয়ে যাই। ওরা ফটোশুট করে। পরে নির্বাচনও করে।
এরপর ২৮ অক্টোবর সকালে শুটিং এ ডাকে। শুটিং শুরু হবে, শুটিং সেটে অ্যাসিস্টেন্ট ডিরেক্টর শামী রাজ্যের নাম ধরে ডাকে। শামী জোরে কথা বললে রাজ্য কেঁদে ফেলে। এসময় শামী বলে, ওকে দিয়ে হবে না, ওকে সেট থেকে বের করে দাও।
আমি ভেবেছিলাম- ওরা ওকে বোঝাবে। একটা ছোটো বাচ্চা কয়েক দিন ধরে প্রস্তুতি নিয়ে এখানে এসেছে। অপরিচিত একজন মানুষের এমন আচরণে ভয় পাওয়াটা স্বাভাবিক। এক মিনিট সময় না দিয়ে ওকে বের করে দেওয়া হয়। শুটিং সেটে আমি কোনো ঝামেলা করিনি। শেষে আমাদের সরি বলবে ভেবেছিলাম। ওরা সরি বলেনি।
দুদিন পরে আমাকে ফোন করে বলা হয় ওদের কাজ করে মেজাজ খারাপ ছিল তাই এমন হয়েছে। শিশু ও বয়স্কদের সঙ্গে মেজাজ খারাপ করা যাবে না। আমি শুনেছি রান আউট এর আগেও অনেকের সঙ্গে এমন খারাপ ব্যাবহার করেছে। তাই লিগ্যালি আমি নোটিশ পাঠিয়েছি। ওদের বোঝা উচিত- একটা শিশুর সঙ্গে কী ব্যবহার করতে হয়!’

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: