বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের ‘বিরোধিতায়’ ১১ জেলায় বাস চালানো বন্ধ  » «   নগরীতে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পিয়াজ, ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন  » «   বলিভিয়ার অশান্তির নেপথ্যে ‘সাদা সোনা’, যা পরবর্তী বিশ্বের আকাঙ্ক্ষিত বস্তু  » «   আবরার হত্যা: পলাতক চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি  » «   ‘অপকর্মে’ সংকুচিত দ. কোরিয়ার শ্রমবাজার  » «   ৩০০ টাকার পিয়াজ সরকারের দিনবদলের সনদ: ডাকসু ভিপি নুর  » «   অযোধ্যা রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করছে মুসলিমরা  » «   ভাঙছে শরিক দল সঙ্কটে ঐক্যফ্রন্ট  » «   হলি আর্টিসান হামলা: রায় ২৭ নভেম্বর  » «   চাকা ফেটেছে নভোএয়ারের, ভাগ্যগুণে বেঁচে গেলেন ৩৩ যাত্রী  » «   হাত-পা ছাড়াই মুখে ভর করে লিখে পিইসি দিচ্ছে লিতুন  » «   প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া বিএনপির চিঠিতে আবরার হত্যার বর্ণনা  » «   ১৫০ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে বিপাকে ভারতীয় বিমান, রক্ষা করল পাকিস্তান  » «   বিমান ছাড়াও ট্রেন, ট্রাক, বাসে করে আসছে পেঁয়াজ: সিলেটে পরিকল্পনামন্ত্রী  » «   চুক্তির তথ্য জানতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিল বিএনপি  » «  

শায়েস্তাগঞ্জ জংশনে বাড়ছে যাত্রী, কমছে টিকিট



imageহবিগঞ্জবাসীর রেলপথে যাতায়াতের একমাত্র ভরসাস্থল শায়েস্তাগঞ্জ জংশন। এ জংশনে দিন দিন যাত্রী সংখ্যা বেড়েই চলছে। বিভিন্ন ট্রেনে প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করে থাকেন। তবে যাত্রী তুলনায় টিকিট সংখ্যা খুবই কম। এতে করে যাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েই চলছে।

জংশন সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন ট্রেনের প্রথম শ্রেণির ২টি বার্থ ও ১৫ অক্টোবর থেকে পাহাড়িকা ট্রেনের বরাদ্দকৃত ৪টি এসি আসন বাতিল করা হয়েছে। যা থেকে মাসিক আয় ছিল ৭৮ হাজার ৮শ ৩২ টাকা।

এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মে থেকে ঢাকাগামী উপবন ট্রেনের বরাদ্ধকৃত ‘ড’ বগি বাতিল করা হয়েছে, যার আসন সংখ্যা ছিল ২৫টি। ১২ মে থেকে জয়েন্তিকা ট্রেনের ‘ট’ বগি না চলায় ১৫টি টিকিট বিক্রি বন্ধ রয়েছে। ফলে মাসে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে।

সব মিলিয়ে এ জংশনে যাত্রীখাত থেকে মাসে প্রায় ৩ লাখ টাকার আয় কমেছে। এছাড়া যাত্রী সেবার মানও বাড়েনি নূন্যতম।

রেলওয়ে স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, প্লাটফরমের মাঝখানে যৎসামান্য কিছু আসন রাখা হয়েছে। যা যাত্রী তুলনায় অপ্রতুল। আর প্লাটফর্মের আশপাশে অবৈধ দোকানের কারণে পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে।

দুটি যাত্রী বিশ্রামাগার থাকলেও বাথরুম নষ্ট এবং প্রায় সময়ই বন্ধ থাকে। শত শত যাত্রী বিভিন্ন চায়ের দোকানে, প্লাটফরমের আনাচে-কানাচে ও পিলারের সঙ্গে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে সময় পার করছেন। উল্টোদিকে সারা প্লাটফরম জুড়ে ভাসমান লোকে ভরে আছে।

ট্রেনযাত্রী মনির হোসেন বলেন, সড়ক পথের চেয়ে রেলপথে ভ্রমণ আনন্দদায়ক। তাই ট্রেনের প্রতি আগ্রহ বেশি। কিন্তুু কোনো কারণে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে না পারলে আসনবিহীন টিকিটে দাঁড়িয়ে যেতে হয়।

কয়েকজন যাত্রী অভিযোগ করেন বলেন, সকল আন্তঃনগর ট্রেনের অধিকাংশ টিকেট কালোবাজারীদের হাতে চলে যায়। ফলে ১৯৫ টাকার টিকেট কিনতে হয় ৩০০ টাকায়।

শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত মাস্টার মো. মোয়াজ্জুল হক জানান, আন্তঃনগর ৪টি ট্রেনের বরাদ্দকৃত টিকিট থেকে বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ৫০টি টিকিট বাতিল করা হয়েছে। এতে মাসে প্রায় ৩ লাখ টাকার আয় কমেছে যাত্রীখাত থেকে।

তিনি আরও জানান, আন্তঃনগর ট্রেনের বরাদ্দকৃত আসনের বিপরীতে প্রতিদিন তিনগুন যাত্রী এখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করেন। এদের মধ্যে অধিকাংশই আসনবিহীন টিকিট নিচ্ছেন। কেউ কেউ বিনা টিকিটেও ভ্রমণ করেন। এতে করে সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব।

আসন বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীর বাণিজ্যিক কর্মকর্তার কাছে লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: