শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল সংসদে ফেরত পাঠানোর আহ্বান  » «   কোনো বইকে নিষিদ্ধ করা ঠিক নয় : অর্থমন্ত্রী  » «   সিলেটে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে লাল কার্ড প্রদর্শন ও মানববন্ধন  » «   ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর  » «   কাশ্মীর বিদ্রোহী নেতার নামে পাকিস্তানের ডাকটিকিটি প্রকাশ  » «   সংসদ নির্বাচনে হুমকি ‘সাইবার ক্রাইম’, গুজব ঠেকাতে সজাগ পুলিশ  » «   তাঞ্জানিয়ায় ফেরি ডুবি, নিহত বেড়ে ১৩৬  » «   আইনগত অনুমোদন পেলেই সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার: সিইসি  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের কার জন্য কত টাকা গৃহঋণ  » «   গণেশের ছবি দিয়ে বিজ্ঞাপন: হিন্দুদের কাছে ট্রাম্পের দলের দুঃখ প্রকাশ  » «   প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলো কোটা বাতিলের সুপারিশ  » «   রেলের আধুনিকায়নে দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্প  » «   কেন মুনকে বিশেষ সেই ‘পবিত্র পর্বতে’ নিয়ে গেলেন কিম?  » «   সুখোই কিনলে ভারতকেও নিষেধাজ্ঞায় পড়তে হবে!  » «   প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কের পথে লন্ডন পৌঁছেছেন  » «  

শার্লি হেবদোর কার্টুনে বাংলাদেশ



bd-charliঅনলাইন ডেস্ক:: ফরাসী ব্যঙ্গাত্মক সাময়িকী শার্লি হেবদোর অফিসে ইসলামপন্থী বন্দুকধারীদের হামলায় ১২ জন নিহত হবার পর তারা প্রথম যে সংখ্যাটি বের করেছে – তাতে বাংলাদেশকে নিযেও একটি কার্টুন আছে।

নবী মোহাম্মদের একটি কার্টুন দিয়ে প্রচ্ছদ করা এই সংখ্যাটি ছাপা হয়েছে ৫০ লক্ষ কপি।

বাংলাদেশকে নিয়ে করা কার্টুনটিতে বাংলাদেশের রফতানীমুখী তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়। এতে দেখা যাচ্ছে একটি পোশাকের কারখানায় খালি গায়ে এবং ছেঁড়া প্যান্ট পরা কয়েকজন লোক টি-শার্ট সেলাই করছে।
সেই টি-শার্টের ওপর ফরাসী ভাষায় লেখা ‘Je Suis Charlie’ অর্থাৎ ‘আমিই শার্লি’ – যা ৭ই জানুয়ারির ওই আক্রমণের পর পত্রিকাটির সাথে সংহতি প্রকাশের একটি জনপ্রিয় শ্লোগান হিসেবে সারা দুনিয়ায় রাতারাতি পরিচিতি হয়ে ওঠে।

কার্টুনে শিরোনামে বলা হচ্ছে ‘Pendant ce temps, au Bangladesh’ – যার অর্থ অনেকটা “অন্যদিকে দেখুন বাংলাদেশে কি হচ্ছে..”

দৃশ্যত বোঝানো হচ্ছে যে শার্লি হেবদোর সাথে সংহতি প্রকাশের হিড়িকে ওই শ্লোগানওয়ালা টি-শার্টের বিক্রি বেড়েছে, এবং তাতে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলো ভালোই ব্যবসা করে নিচ্ছে।

আর তাই, টি-শার্ট সেলাই করতে ব্যস্ত সহাস্য লোকদের একজন বলছে ‘De tout coeur avec vous’ অর্থাৎ ‘আমরা সর্বান্ত:করণে আপনাদের সাথে আছি’।

দুই আলজেরিয়ান বংশোদ্ভূত ফরাসী নাগরিকের চালানো ওই হামলায় পত্রিকাটির সম্পাদক ও কয়েকজন কার্টুনিস্টকে হত্যা করা হয়।

আক্রমণকারীরা দাবি করে যে পত্রিকাটিতে নবী মোহাম্মদের একটি কার্টুন ছাপানোর প্রতিশোধ নিতেই তারা ওই হামলা করে।

প্যারিসে একই সময় আরো দুটি আক্রমণে একজন মহিলা পুলিশ এবং একটি ইহুদি দোকানে কোনাকাটা করতে আসা চারজন লোক নিহত হয়।
পরে পুলিশের অভিযানে সবগুলো ঘটনার আক্রমণকারীরাই নিহত হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: