মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

শান্তি আলোচনায় বসতে চায় আরসা



নিউজ ডেস্ক::একতরফাভাবে অস্ত্রবিরতির ঘোষণার পর এবার শান্তি আলোচনায় বসার জন্য নিজেদের প্রস্তুতির বার্তা দিয়েছে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। শনিবার (৭ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে আরসা এই আহ্বান জানায়। যদিও সোমবার মধ্যরাতে শেষ হওয়া এই অস্ত্রবিরতির পর সংগঠনটির পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু উল্লেখ করা হয়নি বিবৃতিতে।

তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অব্যাহত নিপীড়ন ও অত্যাচার বন্ধ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছে। আরসা বিবৃতিতে বলেছে, ‘যেকোনো পর্যায়েই হোক, বার্মার সরকার যদি শান্তির জন্য কোনো ধরনের উদ্যোগ নেয়, তাহলে আরসা তাকে স্বাগত জানাবে এবং এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবে।’

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের এই আহ্বানের ব্যাপারে কথা বলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর যখন আরসা অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দিয়েছিল তখন সরকার একে ভালভাবে নেয়নি। সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছিল, ‘আপস-মীমাংসার জন্য সরকার কোনো ধরনের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা করবে না।’

গত ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর জাতিসংঘের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, রাখাইন থেকে মোট পাঁচ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। গত ছয় সপ্তাহে এটি বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

রাখাইন অঞ্চলে যারা রয়ে গেছে তাদের কাছে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি পৌঁছাতে পারছে না বলে জানায় জাতিসংঘ। এখনো রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা অভিযোগ করছেন, সেনাবাহিনী সেখানকার পুরুষদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে আর নারীরা প্রতিনিয়ত ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, রোহিঙ্গাদের চারশোরও বেশি গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: