সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যারা  » «   যুবলীগের পদ বেচে ঢাকায় ৪৬ ফ্ল্যাট-দোকানের মালিক ‘ক্যাশিয়ার আনিস’  » «   বরফ গলছে সৌদি-ইরানের, নেপথ্যে ইমরান খান  » «   ক্যাসিনো পঞ্চপাণ্ডবের রইল বাকি ১  » «   পুলিশের ওপর হামলা: দুই ‘জঙ্গি’ আটক  » «   সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে চালকদের প্রতিযোগিতায় যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ৭  » «   ইনস্টাগ্রামে ট্রাম্প-ওবামাকে পেছনে ফেললেন মোদি!  » «   একটি মোবাইল চার্জারের দাম ২২ হাজার টাকা  » «   বেতন বৈষম্য: কর্মবিরতিতে সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষক  » «   আবরার হত্যা: শেষ চার ঘণ্টার নৃশংসতার চিত্র  » «   সংবিধান পড়ে শোনালেন আমান, পুলিশ বলল ‘গো ব্যাক’  » «   বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা শুরু  » «   আবরার হত্যায় এবার মুজাহিদের স্বীকারোক্তি  » «   তিন সপ্তাহ ধরে কার্যালয়ে যান না যুবলীগ চেয়ারম্যান  » «   নোবেল পুরস্কার র‌্যাব-পুলিশের হাতে নয় : রিজভী  » «  

শান্তি আলোচনায় বসতে চায় আরসা



নিউজ ডেস্ক::একতরফাভাবে অস্ত্রবিরতির ঘোষণার পর এবার শান্তি আলোচনায় বসার জন্য নিজেদের প্রস্তুতির বার্তা দিয়েছে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা)। শনিবার (৭ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে আরসা এই আহ্বান জানায়। যদিও সোমবার মধ্যরাতে শেষ হওয়া এই অস্ত্রবিরতির পর সংগঠনটির পক্ষ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু উল্লেখ করা হয়নি বিবৃতিতে।

তবে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অব্যাহত নিপীড়ন ও অত্যাচার বন্ধ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছে। আরসা বিবৃতিতে বলেছে, ‘যেকোনো পর্যায়েই হোক, বার্মার সরকার যদি শান্তির জন্য কোনো ধরনের উদ্যোগ নেয়, তাহলে আরসা তাকে স্বাগত জানাবে এবং এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবে।’

রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের এই আহ্বানের ব্যাপারে কথা বলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে ১০ সেপ্টেম্বর যখন আরসা অস্ত্রবিরতির ঘোষণা দিয়েছিল তখন সরকার একে ভালভাবে নেয়নি। সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছিল, ‘আপস-মীমাংসার জন্য সরকার কোনো ধরনের সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা করবে না।’

গত ২৫ আগস্ট রাখাইন রাজ্যে নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর জাতিসংঘের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, রাখাইন থেকে মোট পাঁচ লাখ ১৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। গত ছয় সপ্তাহে এটি বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

রাখাইন অঞ্চলে যারা রয়ে গেছে তাদের কাছে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি পৌঁছাতে পারছে না বলে জানায় জাতিসংঘ। এখনো রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা অভিযোগ করছেন, সেনাবাহিনী সেখানকার পুরুষদের ধরে নিয়ে হত্যা করছে আর নারীরা প্রতিনিয়ত ধর্ষণের শিকার হচ্ছে। তাদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, রোহিঙ্গাদের চারশোরও বেশি গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: