শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অ্যাসাঞ্জের গোপন বৈঠকের খোঁজ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র  » «   সৌদি নারীদের বিয়ে করতে পারবে বাংলাদেশিরা, মিলবে ভাতা  » «   এমপি কয়েসের হাত ধরে বিএনপির হাবিব এখন আওয়ামী লীগে  » «   জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ  » «   রোহিঙ্গাদের দেখতে আজ বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘের দূত  » «   ‘দম বন্ধ হয়ে আসছে, আমাকে ছেড়ে দিন’  » «   দুই যুগে কতটা সফল ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা?  » «   কলম্বিয়ায় পুলিশ একাডেমিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ, নিহত ১০  » «   সোহরাওয়ার্দীতে আজ আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ  » «   জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা  » «   সীমান্তের খালে মিয়ানমারের সেতু, বন্যার আশঙ্কা বাংলাদেশে  » «   দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাবে বাংলাদেশ: শাবিতে পরিকল্পনামন্ত্রী  » «   আতিয়া মহল মামলা: ৫ দিনের রিমান্ডে ৩ আসামি  » «   শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলা: হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু  » «   টিআইবির রিপোর্টে সরকার ও ইসির আঁতে ঘা লেগেছে: বিএনপি  » «  

‘শস্য গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট হচ্ছে’



শস্য গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। এ প্রতারণার কাজটি করে যাচ্ছে বিএসআরআই এর কীটতত্ত্ব বিভাগ।

সোমবার পাবনা চিনি মিলে আয়োজিত পাসুমির ওয়াকার্স ইউনিয়নের নবনির্বাচিত পরিষদের অভিষেক ও আখচাষি সমাবেশে এসব অভিযোগ করেন বক্তারা।

সমাবেশে ভুক্তভোগী চাষিরা অভিযোগ করে বলেন, এই চক্রটি দীর্ঘদিন থেকে ইক্ষু গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং অর্থ লোপাটের কাজ অব্যাহত রেখেছে। ওই চক্রের অনেক সদস্য গবেষণার নামে নিজেদের উন্নতির জন্য সরকারি টাকায় ডক্টরেটসহ বিভিন্ন  ডিগ্রি লাভ করে বড় বড় পদ দখল করে দেশের ক্ষতি করছে।

আখ সংকটে যখন দেশের ১৫টি চিনি মিল ও আখচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তখন ওই চক্রের কর্তারা ষড়যন্ত্র করে ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের নাম পরিবর্তন করে ক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট করে দেশবাসিকে ধোকা দিচ্ছে।

এ সময় সমাবেশে বিএফএসআইসির চেয়ারম্যান একেএম দেলোয়ার হোসেন এফসিএমএ, প্রধান বক্তা হিসেবে ভূমিমন্ত্রীর স্ত্রী ও মহিলালীগ সভাপতি কামরুন্নাহার শরীফ উপস্থিত ছিলেন।

পাসুমির এমডি প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএসএফআইসির পরিচালক সিডিআর আলহাজ হাবিবুর রহমান, আখচাষি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত চাষি আলহাজ শাজাহান আলী বাদশা, নাটোর চিনি মিলের এমডি শহিদুল্লাহসহ পাবনা চিনি মিলের কর্মকর্তারা।

বক্তারা ব্সিআরআইয়ের বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, কী গবেষণা করেন যে? স্টেম বোরার মতো পোকা আখখেত ধবংস করে দেয়। কোনো বিষেই স্টেমবোরা পোকা মরে না? একবিঘা জমিতে ৩ গাড়ির বেশি আখ উৎপাদন হয় না।

বক্তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, রংপুরের মঙ্গা প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট করার জন্য তাল ও গোলপাতাসহ অন্যান্য বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

অথচ আখ চাষের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে না। গবেষণা করে আখের নতুন জাতও আবিষ্কার করা হচ্ছে না। মান্ধাতার আমলে উদ্ভাবিত আখের বীজ দিয়েই দেশে আখ চাষ করা হচ্ছে। নতনু নতুন আখের জাত আবিষ্কার করতে না পারলে আখের উৎপাদন বাড়বে না। চাষিরা আখ চাষ করবে না। চিনি মিলগুলোও লাভ করতে পারবে না।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: