শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
মিয়ানমারের ওপর অবরোধ আরোপের সুপারিশ কানাডিয়ান দূতের  » «   সালমান খানের সঙ্গে শাকিব খানের তুলনা করলেন পায়েল  » «   বিশ্বকাপ মিশনে নামার আগে মক্কায় পগবা  » «   সিটি নির্বাচনের প্রচারে এমপিরা কি অংশ নিতে পারবেন?  » «   তালিকা অনুযায়ী সবাইকে ধরা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   আমজাদ হোসেনের জার্মানি পতাকা এবার সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার  » «   ভক্তদের প্রশ্নের জবাব দিয়ে কক্সবাজার ছাড়লেন প্রিয়াঙ্কা  » «   জাপানে বন্ধুর ক্লাবই নতুন ঠিকানা ইনিয়েস্তার  » «   মুক্তামনির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক  » «   ‘ভারত থেকে এক বালতি পানিও আনতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী’-রিজভী  » «   চৌদ্দগ্রামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক বিক্রেতা নিহত  » «   জবিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন নেতার ওপর হামলা  » «   নারীর মন-শরীর নিয়ন্ত্রণ করে পুরুষ আধিপত্য চায়: বিদ্যা  » «   আখাউড়ায় হচ্ছে ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট  » «   ২১ ঘণ্টা রোজা রাখছেন ৪ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান!  » «  

‘শস্য গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট হচ্ছে’



শস্য গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। এ প্রতারণার কাজটি করে যাচ্ছে বিএসআরআই এর কীটতত্ত্ব বিভাগ।

সোমবার পাবনা চিনি মিলে আয়োজিত পাসুমির ওয়াকার্স ইউনিয়নের নবনির্বাচিত পরিষদের অভিষেক ও আখচাষি সমাবেশে এসব অভিযোগ করেন বক্তারা।

সমাবেশে ভুক্তভোগী চাষিরা অভিযোগ করে বলেন, এই চক্রটি দীর্ঘদিন থেকে ইক্ষু গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং অর্থ লোপাটের কাজ অব্যাহত রেখেছে। ওই চক্রের অনেক সদস্য গবেষণার নামে নিজেদের উন্নতির জন্য সরকারি টাকায় ডক্টরেটসহ বিভিন্ন  ডিগ্রি লাভ করে বড় বড় পদ দখল করে দেশের ক্ষতি করছে।

আখ সংকটে যখন দেশের ১৫টি চিনি মিল ও আখচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তখন ওই চক্রের কর্তারা ষড়যন্ত্র করে ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের নাম পরিবর্তন করে ক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট করে দেশবাসিকে ধোকা দিচ্ছে।

এ সময় সমাবেশে বিএফএসআইসির চেয়ারম্যান একেএম দেলোয়ার হোসেন এফসিএমএ, প্রধান বক্তা হিসেবে ভূমিমন্ত্রীর স্ত্রী ও মহিলালীগ সভাপতি কামরুন্নাহার শরীফ উপস্থিত ছিলেন।

পাসুমির এমডি প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএসএফআইসির পরিচালক সিডিআর আলহাজ হাবিবুর রহমান, আখচাষি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত চাষি আলহাজ শাজাহান আলী বাদশা, নাটোর চিনি মিলের এমডি শহিদুল্লাহসহ পাবনা চিনি মিলের কর্মকর্তারা।

বক্তারা ব্সিআরআইয়ের বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, কী গবেষণা করেন যে? স্টেম বোরার মতো পোকা আখখেত ধবংস করে দেয়। কোনো বিষেই স্টেমবোরা পোকা মরে না? একবিঘা জমিতে ৩ গাড়ির বেশি আখ উৎপাদন হয় না।

বক্তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, রংপুরের মঙ্গা প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট করার জন্য তাল ও গোলপাতাসহ অন্যান্য বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

অথচ আখ চাষের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে না। গবেষণা করে আখের নতুন জাতও আবিষ্কার করা হচ্ছে না। মান্ধাতার আমলে উদ্ভাবিত আখের বীজ দিয়েই দেশে আখ চাষ করা হচ্ছে। নতনু নতুন আখের জাত আবিষ্কার করতে না পারলে আখের উৎপাদন বাড়বে না। চাষিরা আখ চাষ করবে না। চিনি মিলগুলোও লাভ করতে পারবে না।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: