মঙ্গলবার, ২১ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অনুমতি ছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার নয়  » «   দেশের উন্নতির জন্য বিলাসীতা ত্যাগের ঘোষণা ইমরানের  » «   ঈদে ৮ দিন ২৪ ঘণ্টা সিএনজি ফিলিং স্টেশন খোলা  » «   আজ আরাফার দিন, কিছু আমল যা আপনিও করতে পারবেন  » «   সিলেটে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী তাপমাত্রা, সতর্ক থাকার পরামর্শ  » «   সুনামগঞ্জে বাস চাপায় কলেজ ছাত্রী নিহত,দুই শিশুসহ আহত ৪  » «   ইরানে অভ্যুত্থান ঘটানোর সকল মার্কিন চেষ্টা ব্যর্থ হবে: জারিফ  » «   নাইজেরিয়ায় বোমা হামলায় নিহত ১৯  » «   মেঘনা তেল ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২  » «   ভোটার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন কুয়েত, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্যের প্রবাসীরা  » «   ঘন্টায় ১৮০ কিমি বেগে টোকিওর দিকে ঘূর্ণিঝড় ‘শানশান’  » «   মক্কায় ভারী বৃষ্টিপাতে বন্যার আশঙ্কা  » «   ক্যারিয়ার গড়তে রাজনীতিতে আসিনি: ইমরান খান  » «   সীমান্তে ভারী অস্ত্র-সেনা বাড়াচ্ছে মিয়ানমার, সতর্ক বিজিবি  » «   সন্তান জন্ম দিতে সাইকেল চালিয়ে হাসপাতালে গেলেন মন্ত্রী  » «  

‘শস্য গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট হচ্ছে’



শস্য গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে। এ প্রতারণার কাজটি করে যাচ্ছে বিএসআরআই এর কীটতত্ত্ব বিভাগ।

সোমবার পাবনা চিনি মিলে আয়োজিত পাসুমির ওয়াকার্স ইউনিয়নের নবনির্বাচিত পরিষদের অভিষেক ও আখচাষি সমাবেশে এসব অভিযোগ করেন বক্তারা।

সমাবেশে ভুক্তভোগী চাষিরা অভিযোগ করে বলেন, এই চক্রটি দীর্ঘদিন থেকে ইক্ষু গবেষণার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এবং অর্থ লোপাটের কাজ অব্যাহত রেখেছে। ওই চক্রের অনেক সদস্য গবেষণার নামে নিজেদের উন্নতির জন্য সরকারি টাকায় ডক্টরেটসহ বিভিন্ন  ডিগ্রি লাভ করে বড় বড় পদ দখল করে দেশের ক্ষতি করছে।

আখ সংকটে যখন দেশের ১৫টি চিনি মিল ও আখচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তখন ওই চক্রের কর্তারা ষড়যন্ত্র করে ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউটের নাম পরিবর্তন করে ক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট করে দেশবাসিকে ধোকা দিচ্ছে।

এ সময় সমাবেশে বিএফএসআইসির চেয়ারম্যান একেএম দেলোয়ার হোসেন এফসিএমএ, প্রধান বক্তা হিসেবে ভূমিমন্ত্রীর স্ত্রী ও মহিলালীগ সভাপতি কামরুন্নাহার শরীফ উপস্থিত ছিলেন।

পাসুমির এমডি প্রকৌশলী তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএসএফআইসির পরিচালক সিডিআর আলহাজ হাবিবুর রহমান, আখচাষি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত চাষি আলহাজ শাজাহান আলী বাদশা, নাটোর চিনি মিলের এমডি শহিদুল্লাহসহ পাবনা চিনি মিলের কর্মকর্তারা।

বক্তারা ব্সিআরআইয়ের বিজ্ঞানীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে আরও বলেন, কী গবেষণা করেন যে? স্টেম বোরার মতো পোকা আখখেত ধবংস করে দেয়। কোনো বিষেই স্টেমবোরা পোকা মরে না? একবিঘা জমিতে ৩ গাড়ির বেশি আখ উৎপাদন হয় না।

বক্তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, রংপুরের মঙ্গা প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা লোপাট করার জন্য তাল ও গোলপাতাসহ অন্যান্য বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

অথচ আখ চাষের ওপর প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে না। গবেষণা করে আখের নতুন জাতও আবিষ্কার করা হচ্ছে না। মান্ধাতার আমলে উদ্ভাবিত আখের বীজ দিয়েই দেশে আখ চাষ করা হচ্ছে। নতনু নতুন আখের জাত আবিষ্কার করতে না পারলে আখের উৎপাদন বাড়বে না। চাষিরা আখ চাষ করবে না। চিনি মিলগুলোও লাভ করতে পারবে না।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: