বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দুই প্রকৌশলীকে পেটালেন আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতারা  » «   সিলেটে বিদেশী মদসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার  » «   রেল লাইন সংস্কারের দাবিতে শাহবাগে সিলেটি শিক্ষার্থীদের মানববন্ধবন  » «   আসামে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়লেন আরও এক লাখ  » «   বিশ্বনাথে ডাকাতের সঙ্গে গোলাগুলি, ৫ পুলিশ গুলিবিদ্ধ  » «   প্রাথমিকে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য সুখবর  » «   স্বাস্থ্যসনদ পেলেন সাড়ে ৬২ হাজার হজ গমনেচ্ছু  » «   হবিগঞ্জে পিস্তল ঠেকিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই  » «   সাংবাদিকদের বিক্ষোভ কর্মসূচি, ক্ষমা চাইতে হবে দুদককে  » «   যুক্তরাষ্ট্রে যাবার সময় নদীতে ডুবলো শরণার্থী বাবা-মেয়ে  » «   দেশে ফিরছেন সাগরে ভাসা আরও ২৪ বাংলাদেশি  » «   অস্ট্রেলিয়ায় আগুনে পুড়ে ৩ ভাই-বোন নিহত  » «   অবশেষে বরখাস্ত ডিআইজি মিজান  » «   সরকারি চাকরিতে ডোপটেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ঘুষ নেয়ার ভিডিও করায় সাংবাদিককে পেটাল পুলিশ, ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড  » «  

শব্দ চয়নে আটকে গেছে পাক-ভারত পররাষ্ট্রসচিব বৈঠক



শব্দ চয়নে আটকে গেছে পাক-ভারত পররাষ্ট্রসচিব বৈঠক

জটিলতা একটি শব্দকে ঘিরে। আপাতত সেই শব্দটিই ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রসচিব পর্য়ায়ের বৈঠক শুরুর পথে প্রধান বাধা হয়ে দাড়িয়েছে। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের উরি সেনাঘাঁটিতে হামলার পর ভারতের ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ নিয় দু’দেশের মাঝে উত্তেজনা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

এরপর প্রথা মোতাবেক পর্দার আড়ালে ‘ট্র্যাক-টু’ আলোচনাও শুরু হয়েছে। কিন্তু পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করায় সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে শব্দচয়নকে ঘিরে। সেই শব্দটি হল ‘দ্বিপাক্ষিক’। পাকিস্তান বলছে, আলোচনার নাম দেওয়া হোক, ‘সার্বিক’ বা ‘সুসংহত’ আলোচনা। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ‘কম্পোজিট ডায়ালগ’। অতীতে যেমন বলা হতো। কিন্তু ভারত বলছে ‘না’। কাগজে-কলমে লিখে দিতে হবে, এই আলোচনার নাম হচ্ছে ‘দ্বিপাক্ষিক’ আলোচনা।

এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাটকীয়ভাবে চলে গিয়েছিলেন লাহোরে নওয়াজ শরিফের সঙ্গে দেখা করতে। তার পর থেকেই এই বিবাদের শুরু। মোদির সফরের পরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ পাকিস্তানে ‘ফলো-আপ’ বৈঠকও করেছেন। সে সফরে সুষমার সঙ্গে নওয়াজ শরিফের মা ও পুরো পরিবারের আড্ডাও হয়েছিল।

কিন্তু দু’দেশের পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক শুরু হওয়া মাত্রই দু’পক্ষের বিবাদ বাধে ওই শব্দটি নিয়ে। সুষমার সামনেই দুই সচিবের কথা কাটাকাটি হয় ‘দ্বিপাক্ষিক’ শব্দটি নিয়ে। কিন্তু এই শব্দটির মধ্যে এমন কী লুকিয়ে রয়েছে, যা জন্ম দিচ্ছে সংঘাতের? সে দিন কিন্তু দু’পক্ষের কেউই এ নিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি।

এখন যদিও বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মুখ খুলছেন ভারত-পাকিস্তানের কূটনীতিকরা। ভারতের পররাষ্ট্রসচিব জয়শঙ্কর বলেন, ‘দ্বিপাক্ষিক মানে দ্বিপাক্ষিক। সেখানে কোনও তৃতীয় পক্ষ থাকবে না।’ দিল্লিতে কর্মরত পাকিস্তানের হাই কমিশনার আব্দুল বাসিত বলেছেন, ‘পাকিস্তানের আশঙ্কা, দ্বিপাক্ষিক মানে হুরিয়তের সঙ্গে আমাদের সরকার স্বাধীন ভাবে কথা বলতে পারবে না। গেরোটা এখানেই। বাসিতের যুক্তি, হুরিয়তের সঙ্গে কথা বলা পাকিস্তানের কাশ্মির নীতির অঙ্গ। তাই আমাদের আশঙ্কা, দ্বিপাক্ষিক শব্দটি মেনে নিলে ভবিষ্যতে হুরিয়ত নেতাদের সঙ্গে কথা বলার অজুহাতে পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আনন্দবাজার।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: