শনিবার, ২৩ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল সিলসিলার ম্যানেজারের  » «   নিজের চেয়ার ছেড়ে জহিরুলের পাশে এসে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «   সহকর্মীর হাতে খুন হলেন তিন ভারতীয় সেনা  » «   মসজিদে হামলাধারী ব্রেন্টন আইএস থেকে ভিন্ন কিছু নয়: এরদোগান  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   গ্যাসের দাম ১৩২% বৃদ্ধির প্রস্তাব হাস্যকর  » «   মেয়রের আশ্বাসে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত  » «   দরিদ্র বলে এদেশে কিছু থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী  » «   এক সপ্তাহের মধ্যে আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ  » «  

শত বছর ধরে গির্জা রক্ষণাবেক্ষণ করছে মুসলিম পরিবার!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: পাকিস্তানের এক গ্রাম্য এলাকায় অবস্থিত বহু পুরনো সেন্ট ম্যাথিউস গির্জাটি গত ১০০ বছর ধরে দেখাশোনা করছেন স্থানীয় এক মুসলিম পরিবার।

গির্জাটি বর্তমানে যিনি দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন তার নাম ওয়াহিদ মুরাদ। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি জানেন কীভাবে ওই গির্জার ঘণ্টা বাজাতে হয়। বিবিসিকে তিনি বলেন, এই কাজ করতে কেন তিনি গর্ব বোধ করেন। তার বক্তব্য গির্জা একটা ধর্মীয় উপাসনাস্থল এবং সব উপাসনাস্থলকে তিনি শ্রদ্ধা করেন।

মুরাদ জানান, ‘যে কোন উপাসনাস্থল দেখাশোনা করা আমাদের কর্তব্য। গির্জা দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে আমার কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নেই। আমার নানা এখানে কাজ করেছেন ৩৫ বছর, এরপর আমার আব্বা ৪৫ বছর। আর আমিও গত ১৭ বছর ধরে এই গির্জার দেখভাল করছি। আমি লজ্জা পাই না, বরং গর্ব লাগে যে আমাদের পরিবার বংশানুক্রমে গত প্রায় একশ বছর ধরে এই গির্জার দেখাশোনা করছে।’

তিনি আরো বলেন, তিনি মুসলমান। তিনি তার নিজের ধর্ম পালন করেন। কিন্তু একই সঙ্গে এই গির্জার রক্ষণাবেক্ষণের কাজও তিনি করছেন এবং একাজ তিনি চালিয়ে যেতে চান বলে জানান।নাথিয়া গালি নামে পাহাড়ি গ্রামে এই সেন্ট ম্যাথিউস গির্জাটি একশ বছর আগে বানিয়েছিল ব্রিটিশরা। ওই এলাকায় খ্রিস্টানরা এখন বাস করে না বললেই চলে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: