বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে ফিরছেন সাগরে ভাসা আরও ২৪ বাংলাদেশি  » «   অস্ট্রেলিয়ায় আগুনে পুড়ে ৩ ভাই-বোন নিহত  » «   অবশেষে বরখাস্ত ডিআইজি মিজান  » «   সরকারি চাকরিতে ডোপটেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ঘুষ নেয়ার ভিডিও করায় সাংবাদিককে পেটাল পুলিশ, ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড  » «   শেষ বয়সে খেলোয়াড়দের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ‍নিতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রীর নির্দে  » «   বিএনপির নেতৃত্বে আসছেন তারেকের কন্যা!  » «   সরকারি নিয়োগের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বেসরকারিতে!  » «   তিন বাংলাদেশিসহ চার নব্য জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ  » «   ‘শহীদ’ জিয়াকে নিয়ে সংসদে মমতাজের হাস্যরস  » «   বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থীর জয়  » «   প্রথমবার সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে উড়বে ইউএস-বাংলা  » «   ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ইন্দোনেশিয়ায়-জাপান-অস্ট্রেলিয়া  » «   ভোটকেন্দ্রেই ঘুমিয়ে পড়লেন কর্মকর্তা  » «   ‘জয় শ্রীরাম’ না বলায় পিটিয়ে মুসলিম যুবককে হত্যা  » «  

শত বছর ধরে গির্জা রক্ষণাবেক্ষণ করছে মুসলিম পরিবার!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: পাকিস্তানের এক গ্রাম্য এলাকায় অবস্থিত বহু পুরনো সেন্ট ম্যাথিউস গির্জাটি গত ১০০ বছর ধরে দেখাশোনা করছেন স্থানীয় এক মুসলিম পরিবার।

গির্জাটি বর্তমানে যিনি দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন তার নাম ওয়াহিদ মুরাদ। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি জানেন কীভাবে ওই গির্জার ঘণ্টা বাজাতে হয়। বিবিসিকে তিনি বলেন, এই কাজ করতে কেন তিনি গর্ব বোধ করেন। তার বক্তব্য গির্জা একটা ধর্মীয় উপাসনাস্থল এবং সব উপাসনাস্থলকে তিনি শ্রদ্ধা করেন।

মুরাদ জানান, ‘যে কোন উপাসনাস্থল দেখাশোনা করা আমাদের কর্তব্য। গির্জা দেখাশোনার দায়িত্ব নিতে আমার কোন দ্বিধা-দ্বন্দ্ব নেই। আমার নানা এখানে কাজ করেছেন ৩৫ বছর, এরপর আমার আব্বা ৪৫ বছর। আর আমিও গত ১৭ বছর ধরে এই গির্জার দেখভাল করছি। আমি লজ্জা পাই না, বরং গর্ব লাগে যে আমাদের পরিবার বংশানুক্রমে গত প্রায় একশ বছর ধরে এই গির্জার দেখাশোনা করছে।’

তিনি আরো বলেন, তিনি মুসলমান। তিনি তার নিজের ধর্ম পালন করেন। কিন্তু একই সঙ্গে এই গির্জার রক্ষণাবেক্ষণের কাজও তিনি করছেন এবং একাজ তিনি চালিয়ে যেতে চান বলে জানান।নাথিয়া গালি নামে পাহাড়ি গ্রামে এই সেন্ট ম্যাথিউস গির্জাটি একশ বছর আগে বানিয়েছিল ব্রিটিশরা। ওই এলাকায় খ্রিস্টানরা এখন বাস করে না বললেই চলে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: