মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

লবণ সংকটে কোরবানির চামড়া নিয়ে উদ্বেগ



নিউজ ডেস্ক:: ঈদুল আজহার সময় চামড়া সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় লবণ উৎপাদন হবে কি-না, তা নিয়ে সংশয়-উদ্বেগ দেখা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট শিল্প উদ্যোক্তাদের মধ্যে। এবার কোরবানির চামড়া সংরক্ষণে দুই লাখ ৫০ হাজার টন লবণের প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সমুদ্র বন্দরসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের জন্য ১৫ হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করেছে সরকার। এ কারণে ৫ লাখ টন লবণের উৎপাদন কমেছে। কিন্তু বিসিক এ হিসাব উপেক্ষা করছে। লবণের ব্যাপক চাহিদার সুযোগে একটি চক্র শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সোডিয়াম সালফেট বা শিল্প লবণ আমদানি করছে। বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে খাদ্য লবণ হিসেবে। চোরাই পথেও আসছে চার-পাঁচ লাখ টন লবণ। ফলে ক্ষতি হচ্ছে প্রকৃত লবণ ব্যবসায়ীদের। রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য। চলতি সপ্তাহে এ সংকট উত্তরণে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বৈঠক করবে।

চামড়া প্রক্রিয়াকরণ করে সংরক্ষণে ট্যানারিগুলোতে সাধারণভাবে প্রতিটি গরুর চামড়ায় ১২ কেজি, মহিষের চামড়ায় ২০ কেজি এবং ছাগল ও ভেড়ার চামড়ায় পাঁচ কেজি করে লবণের প্রয়োজন হয়।

বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির তথ্য মতে, লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ না করায় শুধু কোরবানির সময়ই প্রায় পৌনে চারশ’ কোটি টাকার চামড়া নষ্ট হয়। এবার লবণের ঘাটতি হলে এই লোকসানের পরিমাণ বেড়ে যাবে। এ পরিস্থিতিতে লবণ শিল্পকে বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ লবণ শিল্প মালিক সমিতি।

বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি নূরুল কবির বলেন, লবণের চাহিদা ও উৎপাদন নিয়ে বিসিক যে তথ্য দিয়েছে, তা বাস্তবতাবর্জিত ও কল্পনাপ্রসূত। তাদের তথ্যে ব্যাপক গরমিল রয়েছে। আর এ কারণে অবৈধপথে বিষাক্ত লবণ সোডিয়াম সালফেট আমদানি হচ্ছে।

তিনি বলেন, এ আমদানি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন। দেশের ৩০০ লবণ মিল মালিক তাদের বাজার হারিয়েছেন। এ সংকট উত্তরণে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বিসিক বরাবর আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মফিজুল ইসলাম বলেন, সরকার বিষয়টি অবগত আছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, ব্যবসায়ীরা কাঁচা চামড়া সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্যদিকে বাজারে লবণের সংকট তৈরির চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: