মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের ‘বিরোধিতায়’ ১১ জেলায় বাস চালানো বন্ধ  » «   নগরীতে ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পিয়াজ, ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন  » «   বলিভিয়ার অশান্তির নেপথ্যে ‘সাদা সোনা’, যা পরবর্তী বিশ্বের আকাঙ্ক্ষিত বস্তু  » «   আবরার হত্যা: পলাতক চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি  » «   ‘অপকর্মে’ সংকুচিত দ. কোরিয়ার শ্রমবাজার  » «   ৩০০ টাকার পিয়াজ সরকারের দিনবদলের সনদ: ডাকসু ভিপি নুর  » «   অযোধ্যা রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করছে মুসলিমরা  » «   ভাঙছে শরিক দল সঙ্কটে ঐক্যফ্রন্ট  » «   হলি আর্টিসান হামলা: রায় ২৭ নভেম্বর  » «   চাকা ফেটেছে নভোএয়ারের, ভাগ্যগুণে বেঁচে গেলেন ৩৩ যাত্রী  » «   হাত-পা ছাড়াই মুখে ভর করে লিখে পিইসি দিচ্ছে লিতুন  » «   প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া বিএনপির চিঠিতে আবরার হত্যার বর্ণনা  » «   ১৫০ যাত্রী নিয়ে মাঝ আকাশে বিপাকে ভারতীয় বিমান, রক্ষা করল পাকিস্তান  » «   বিমান ছাড়াও ট্রেন, ট্রাক, বাসে করে আসছে পেঁয়াজ: সিলেটে পরিকল্পনামন্ত্রী  » «   চুক্তির তথ্য জানতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিল বিএনপি  » «  

রোহিঙ্গা ইস্যু : সুচির আরেকটি পদক প্রত্যাহার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচিকে দেওয়া মানবাধিকার পদক প্রত্যাহার করে নিয়েছে হলোকাস্ট মিউজিয়াম। বুধবার মিউজিয়িাম কর্তৃপক্ষ বলেছে, আমরা অং সান সুচিকে দেওয়া পদক প্রত্যাহার করে নিয়েছি। এটা খুবই পরিতাপের বিষয়। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর বর্বর হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় সুচির বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

হলোকাস্ট মিউজিয়াম সুচিকে যে মানবাধিকার পদক দিয়েছিল তার নাম ইলি উইসেল। ২০১২ সালে সুচিকে পদকটি দেওয়া হয়। নোবেলজয়ী উইসেল ছিলেন জাদুঘরটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। নাৎসিদের নির্যাতন থেকে বেঁচে যাওয়া উইসেলকেই প্রথম এই পদক দেওয়া হয়েছিল।

মিউজিয়ামটির পরিচালক সারা ব্লুমফিল্ড জানান, যুক্তরাষ্ট্রে মিয়ানমার দূতাবাসে সুচির পদক প্রত্যাহার করে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে চিঠি দেয়া হয়েছে। জাদুঘরের ওয়েবসাইটেও এটি প্রকাশিত হয়েছে।

জাদুঘরটি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসিদের দ্বারা নির্যাতিতদের স্মরণে জাদুঘরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা শুরু হলে সুচির আন্তর্জাতিক সুনাম প্রশ্নের মুখে পড়ে। রোহিঙ্গা নির্মূল অভিযানের একজন সমর্থক হিসেবে তাকে মনে করা হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: