বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বরখাস্তকৃত ন্যানগ্যাগওয়াই হচ্ছেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট  » «   খালেদার গাড়িবহরে হামলা সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরিকল্পনার অংশ  » «   এক মোটরসাইকেলেই বিশ্ব রেকর্ড  » «   কাঁদলেন ঐশ্বরিয়া, ১শ শিশুর ঠোঁটের অস্ত্রোপচারে খরচ দিবেন  » «   কাল থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে চুয়েট বাস  » «   বলি একটা লেখেন আরেকটা: সাংবাদিকদের রোনালদো  » «   এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি  » «   মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হবে ছাত্রলীগের স্কুল কমিটি  » «   এগিয়ে থাকুন সৃজনশীলতায়  » «   সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ১ বছরে সাড়ে ৩ কোটি ইয়াবা জব্দ  » «   শ্রীমঙ্গলে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন  » «   দখলমুক্ত হচ্ছে খাল ও নদী  » «   কুমিল্লায় হানিফ‘আ’লীগকে হুংকার দিয়ে লাভ নেই’  » «   কমলগঞ্জে প্রতিহিংসায় বিনষ্ট কৃষকের শিম বাগান  » «   অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ সহ নানা অভিযোগ  » «  

রোহিঙ্গাশূন্য ১৭৬ গ্রামসব রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়া হবে না: মিয়ানমার



নিউজ ডেস্ক ::

২৫ আগস্টে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে দলে দলে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করছে। স্থল ও জলসীমান্ত পথে হাজার হাজার রোহিঙ্গার অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে।

টেকনাফ সীমান্তের অপরদিকে মিয়ানমার এলাকা থেকে নৌকায় পালিয়ে আসার সময় নাফ নদীতে একাধিক নৌকাডুবির ঘটনাও ঘটেছে। এতে এখন পর্যন্ত ৯৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

নতুন করে সহিংসতা শুরুর পর রাখাইন রাজ্যের ১৭৬টি রোহিঙ্গা মুসলিম গ্রাম এখন জনমানবশূন্য বলে জানিয়েছে মিয়ানমার।

বৌদ্ধ অধ্যুষিত দেশটির প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জ হাতয়ের বরাত দিয়ে ভারতের হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, রাখাইনের তিনটি শহরতলিতে মোট ৪৭১টি গ্রাম রয়েছে। এর মধ্যে ১৭৬টি গ্রামে কোনো মানুষ নেই। আশপাশের ৩৪টি গ্রাম থেকেও লোকজন পালিয়ে চলে যাচ্ছে। তারা প্রতিবেশী দেশগুলোতে গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে।

প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র অবশ্য ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার করেননি।

জ হাতয় আরো বলেন, যারা পালিয়ে গেছে, তাদের সবাইকে ফিরতে দেওয়া হবে না। তাদের যাচাই-বাছাই করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের দেশে ফিরতে দেওয়া হবে।

মিয়ানমার সরকারের দাবি, গত ২৫ আগস্ট রাখাইনে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী জনগোষ্ঠী দুই ডজনের বেশি সেনা ও পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালায়। এর পরই হামলা-নির্যাতন-ধর্ষণের শিকার প্রায় তিন লাখ ৭০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বিপদসংকুল পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে।

পালিয়ে আসা বস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা অভিযোগ করেছেন, বৌদ্ধ অধ্যুষিত মিয়ানমারের সেনাবাহিনী পুরুষদের ধরে ধরে নিয়ে হত্যা করছে, নারীদের ধর্ষণ করছে আর মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দিচ্ছে।

মুসলিম রোহিঙ্গা বিদ্রোহীরাই বাড়িঘরে আগুন দিচ্ছে—মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হলেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা জানিয়েছে, এরই মধ্যে এই সহিংসতার শিকার হয়ে প্রায় তিন হাজার রোহিঙ্গা প্রাণ হারিয়েছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: