মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

রোহিঙ্গাদের পাশে প্রধানমন্ত্রী



নিউজ ডেস্ক:: কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ত্রাণ বিতরণ করতে যান প্রধানমন্ত্রী। সে সময় রোহিঙ্গা শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন দেখে চোখের পানি আটকে রাখতে পারেননি তিনি। কেঁদে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী, সান্ত্বনা দেন ও এই দুঃসময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
সে সময় তোলা বেশ কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ছবিগুলো শেয়ার দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মানবিকতার প্রশংসা করছেন।

সকালে কক্সবাজার পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা দমন অভিযানের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি তাদের দুর্দশার কথা শোনেন তিনি। এরপর তাদের উদ্দেশে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত ভাষণে তাদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

রোহিঙ্গাদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘স্বজন হারানোর কষ্ট আমি বুঝি। মানবিক দিক বিবেচনা করে আপনাদের এখানে সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা যাতে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারেন, সে ব্যাপারে চেষ্টা চলছে।’

প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি খুন আর ধর্ষণের শিকার হওয়ার মুখে বাংলাদেশ সীমান্তের পালাতে শুরু করে তারা। পরে তাদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়ে বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে বাংলাদেশ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: