বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে শহীদদের স্মরণে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন  » «   ইসি সংবিধান লঙ্ঘণ  করছে : মোমিন মেহেদী  » «   সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ পাসের হার ৯৫.৩১ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩৭ জন  » «   চিঠিতে হত্যার হুমকি‘আপনার মৃত্যু অনিবার্য, সাবধান হয়ে যান’  » «   তামিল অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার  » «   রবিবার স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ  » «   স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ১১৬৬ টাকা  » «   স্বামীর যৌনাঙ্গ কাটার জন্য লোক ভাড়া করেন স্ত্রী, এরপর…  » «   ইসির তৃতীয় শ্রেণির কর্মীদের অসন্তোষ  » «   এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন কবে থেকে শুরু?  » «   বিয়ে করতে না পেরে কিশোরের এ কেমন পাগলামি!  » «   বন্ধুর মুখে বন্ধুকে হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা!  » «   ব্রাজিল ছেড়ে পর্তুগালে যোগ দিবেন কুতিনহো?  » «   ‘মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি এদেশে রাজনীতি করতে পারবে না’  » «   ৯০ দিন বাড়ল কোটা পর্যালোচনা কমিটির মেয়াদ  » «  

রুয়েটে শিক্ষার্থীদের অবস্থান ধর্মঘট



পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জনের পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) শিক্ষার্থীরা। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

এর আগে ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা একই দাবিতে প্রশাসন ভবনের সামনে আন্দোলন করে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রুয়েটের ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট অর্জনের সিস্টেম বাতিলের দাবিতে অবস্থান নিয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এক বর্ষ থেকে আরেক বর্ষে উত্তীর্ণ হতে তাদেরকে ৪০ ক্রেডিটের মধ্যে ন্যূনতম  ৩৩ ক্রেডিট অর্জন করার নিয়ম করা হয়েছে। এর আগে কেউ এই ক্রেডিট অর্জন করতে না পারলেও পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে পারতো। পরবর্তীতে পরীক্ষা দিয়ে ক্রেডিট পূরণের সুযোগ ছিল। কিন্তু ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ পদ্ধতি তুলে নেয়া হয়েছে। এখন কোনো শিক্ষার্থী যদি ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন করতে না পারে তবে  সে পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে পারবে না। তাকে আগের বর্ষে থেকে পুনরায় পরীক্ষা দিয়ে ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন করতে হবে।

বাধ্যতামূলক ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট অর্জনের নিয়ম বাতিলের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি শিক্ষার্থীরা এই ক্রেডিট নিয়ম বাতিলের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেয়।  এতে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করে। দাবিগুলো হলো-  পরবর্তী সিদ্ধান্তে আসা পর্যন্ত ইতিমধ্যে নোটিশকৃত সকল ব্যাকলগ পরীক্ষা স্থগিত করতে হবে, ৩৩ ক্রেডিট সিস্টেম বাতিল করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে হবে।

এ বিষয়ে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক রফিকুল আলম বেগ জাগো নিউজকে বলেন, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তক্রমে পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য শিক্ষার্র্থীদের ন্যূনতম ৩৩ ক্রেডিট প্রাপ্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেউ দুই সেমিস্টারে ন্যূনতম ক্রেডিট অর্জন করতে ব্যার্থ হলে ব্যাকলগ পরীক্ষার মাধ্যমে এই ক্রেডিট অজর্ন করতে পারে। সেখানেও সে ন্যূনতম  ক্রেডিট পূরণ করতে ব্যার্থ হলে তাকে আগের বর্ষেই থাকতে হবে।

তাদের এ দাবি অযৌক্তিক উল্লেখ উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীরা চায় তারা ফেল করেও পরবর্তী বর্ষে উত্তীর্ণ হতে। কিন্তু তা তো হওয়ার কথা না।

উপাচার্য শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, তারা অযথা ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নেবে না। আর পরবর্তী বর্ষে ওঠার জন্য আন্দোলন করবে তা তো হতে পারে না।।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: