বুধবার, ২২ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
খালেদা জিয়ার সুবিধার্থে কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপনের সিদ্ধান্ত: তথ্যমন্ত্রী  » «   বুথফেরত জরিপের ফলেই ‘বিজয়োৎসব’ শুরু বিজেপির  » «   হুতি বিদ্রোহীদের হামলা, সৌদির পাশে থাকবে পাকিস্তান  » «   ধানক্ষেতে আগুনের ঘটনা তদন্তে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ  » «   মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ছে  » «   বালিশ দুর্নীতি: নির্বাহী প্রকৌশলী প্রত্যাহার  » «   এফআর টাওয়ার নির্মাণে ত্রুটি, তদন্ত প্রতিবেদনে দোষী ৬৭ জন  » «   ক্ষতিপূরণ দিতে গ্রিনলাইনকে আদালতের আল্টিমেটাম  » «   প্রখ্যাত তিন ইসলামি স্কলারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করছে সৌদি  » «   মৌলভীবাজারে কে এই ‘পীর’ আজাদ?  » «   ৮০ বছরের মধ্যে সাগরে ডুবে যাবে বাংলাদেশ!  » «   অনলাইনে ট্রেনের টিকিট: বিক্রি শুরুর আগেই টিকিট শেষ!  » «   আজ সিলেটের যে নয়টি এলাকায় গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকবে  » «   অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রির দায়ে ইষ্টিকুটুম-মধুবনকে জরিমানা  » «   বুধবারীবাজার ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতি রফিক উদ্দিনের জানাযায় মানুষের ঢল  » «  

রাম রহিমের পালিত কন্যাকে নিয়ে গুঞ্জন!



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::‘বাবা’ গুরমিত রাম রহিম সিংয়ের ছায়াসঙ্গী তিনি। ডেরা ভক্তরা তাঁকে ‘পাপা’স অ্যাঞ্জেল’ বলে চেনে ও মানে। তিনি হানিপ্রীত ইনসান। ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিতের তিন মেয়ের মধ্যে অন্যতম। তাঁকেই এখন রাম রহিমের উত্তরসূরি হওয়ার অন্যতম দাবিদার বলে মনে করা হচ্ছে।

হানিপ্রীতের আসল নাম প্রিয়াঙ্কা তানেজা। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। ফেসবুকে তাঁর ভক্তের সংখ্যা পাঁচ লাখ। ভক্তদের অনেকে মনে করে, তাঁর সিদ্ধান্তই ‘বাবা’র সিদ্ধান্ত। হানিপ্রীত রাম রহিমের পালিত কন্যা হলেও বাবার খুবই ঘনিষ্ঠ। আর সে কারণেই নাকি খুব অল্প সময়েই তাঁর উত্থান।

হিসারের ফতেহবাদের এক সাধারণ ঘরের মেয়ে প্রিয়াঙ্কা। ১৯৯৯ সালে সিরসার এক ডেরা ভক্ত বিশ্বাস গুপ্তের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সেই সময় থেকেই রাম রহিমের সঙ্গে পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা। প্রিয়াঙ্কা থেকে তিনি পরিচিত হন হানিপ্রীত নামে। রাম রহিমই প্রিয়াঙ্কাকে ওই নাম দেন। ডেরা অনুগামীরা দাবি করে, ‘বাবা’র কাছে শ্বশুরবাড়ির পণ নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন হানিপ্রীত। তার পরই নাকি ২০০৯ সালে হানিকে দত্তক নেন রাম রহিম। তখন থেকেই বাবার ছায়াসঙ্গী হানি।

রাম রহিমের ছায়াসঙ্গী ছাড়াও হানির অন্য একটা পরিচয় আছে। ডেরা অনুগামীদের দাবি, হানি নাকি খুব প্রতিভাবান। খুব অল্প সময়ের মধ্যে কোনো কিছু রপ্ত করে নিতে সিদ্ধহস্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় হানি নিজেকে সমাজসেবী, নির্দেশক, পরিচালক ও অভিনেত্রী হিসেবেও দাবি করেন। মেয়ের গুণ দেখে ‘বাবা’ও আপ্লুত হয়েছিলেন। ডেরার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, রাম রহিম যখন হানিকে নির্দেশনার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে দেখেছিলেন, তখনই সিদ্ধান্ত নেন মেয়েকে তাঁর একটি ছবি পরিচালনার কাজ দেবেন। আর দিয়েছিলেনও। ‘মেসেঞ্জার অব গড: দ্য ওয়ারিয়র লায়ন হার্ট’ ছবিটি পরিচালনার কাজ করেন হানিপ্রীত। ২০১৫ সালে পরিচালনার পাশাপাশি ওই ছবিতে অভিনয়ও করেন হানি।

দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর রাম রহিমকে যখন গ্রেপ্তার করে রোহতকে নিয়ে যাওয়া হয়, সে সময়ও হানিকে তাঁর পাশেই দেখা যায়। ডেরার উত্তরসূরি নিয়ে তখন থেকেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তাহলে এবার কি ডেরার হাল ধরবেন হানি? সময়ই বলবে সেটা। সূত্র : আনন্দবাজার।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: