সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রথমবার সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে উড়বে ইউএস-বাংলা  » «   ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ইন্দোনেশিয়ায়-জাপান-অস্ট্রেলিয়া  » «   ভোটকেন্দ্রেই ঘুমিয়ে পড়লেন কর্মকর্তা  » «   ‘জয় শ্রীরাম’ না বলায় পিটিয়ে মুসলিম যুবককে হত্যা  » «   নয়াপল্টনে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ  » «   অফিসে বসে বসে শুধু কি চা খাইলে হবে? দেশপ্রেম থাকতে হবে: হাইকোর্ট  » «   বিকেলের মধ্যে উদ্ধার কাজ শেষ হবে: রেলসচিব  » «   বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরন যুক্তরাষ্ট্রে  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লেও দুর্নীতি কমছে না : টিআইবি  » «   দেশসেরা প্রধান শিক্ষক হবিগঞ্জের শাহনাজ কবীর  » «   বাঘের খাবারও চুরি হয় ঢাকা চিড়িয়াখানায়, ফেসবুকে ভাইরাল  » «   দুই মাস ওমরাহ ভিসা স্থগিত করল সৌদি  » «   বীমার আওতায় যেসব সুবিধা পাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীরা  » «   কারাগারে সুনামগঞ্জের আ. লীগ নেতা শামীম আহমদ  » «   মুক্তি পেয়ে নতুন যে বাড়িতে থাকবেন খালেদা  » «  

রাবি শিক্ষক শফিউল হত্যায় তিনজনের ফাঁসির আদেশ



নিউজ ডেস্ক:: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলাম লিলন হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার সকালে রাজশাহী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার রায় এ আদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আব্দুস সালাম পিন্টু, সবুজ ও আরিফুল ইসলাম মানিক। এদের মধ্যে সবুজ পলাতক। বাকি দুজন রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পিন্টু ও মানিক যুবদলের নেতা। মামলার বাকি আট আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন।এর আগে গত ৪ এপ্রিল এ মামলার যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের জন্য ১৫ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়। গত ১৩ মার্চ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষী দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ড. শফিউল ইসলামকে। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মুহাম্মদ এন্তাজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ওই বছরেরই ২৩ নভেম্বর যুবদল নেতা আব্দুস সামাদ পিন্টুসহ ৬ জনকে আটক করে র‌্যাব। পরে পিন্টুর স্ত্রী নাসরিন আখতার রেশমাকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে রেশমা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। এর এক বছর পর ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউস সাদিক রাজশাহী জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জলসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব শাখায় কর্মরত নাসরিন আখতারের সঙ্গে শফিউল ইসলামের দ্বন্দ্বের জের ধরেই তার স্বামী যুবদল নেতা আব্দুস সালাম পিন্টু সাঙ্গ-পাঙ্গ নিয়ে এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। পরে নাসরিন আখতারও বিষয়টি স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। চার্জশিটে অভিযুক্ত আসামিরা হলেন- যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জল, আব্দুস সালাম পিন্টু, পিন্টুর স্ত্রী নাসরিন আক্তার রেশমা, যুবদল নেতা আরিফুল ইসলাম মানিক, সবুজ শেখ, সিরাজুল ইসলাম কালু, আল-মামুন, সাগর, জিন্নাত ও আরিফ।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: