সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দালালদের দেখানো ‘সোনার হরিণ’ থেকে সতর্ক থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী  » «   পানি ছেড়ে ভারতকে ডোবাচ্ছে পাকিস্তান  » «   শুধু ডিসি নয় ওই নারীকেও আইনের আওতায় আনা হবে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী  » «   রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের ওপর চাপ সহ্য করবে না চীন  » «   ছাতকে ছুরিকাঘাতে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র নিহত, আটক ১  » «   সৌদিতে আরো এক হাজির মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়াল  » «   মহানবীর নামে ইউরোপে সবচেয়ে বড় মসজিদ উদ্বোধন  » «   সিন্ডিকেটে লোপাট হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোটি কোটি টাকা  » «   খাসদবিরে আবাসিক হোটেল থেকে মাদ্রাসা শিক্ষকের লাশ উদ্ধার  » «   হঠাৎ রুমিন ফারহানাকে নিয়ে বিএনপিতে সমালোচনার ঝড়  » «   সৌদিতে সড়কে ঝরলো ৪ বাংলাদেশির প্রাণ  » «   অ্যামাজন বন পুড়ছে কেন! নেপথ্যে যে রহস্য  » «   দেশে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উল্টো কাজ হচ্ছে: ড. কামাল  » «   ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি আর নেই  » «   লাইভে এসে প্রবাসীদের পা ছুঁয়ে সালাম করতে চাইলেন ব্যারিস্টার সুমন  » «  

রান্না করা খাবার পাবে প্রাথমিকের ৩২ লাখ শিশু



নিউজ ডেস্ক:: জাতীয় স্কুল মিল নীতি অনুযায়ী সারাদেশের ১০৪টি উপজেলার সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরে রান্না করা খাবার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রায় ৩২ লাখ শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনা হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফও) সহযোগিতায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা, বান্দরবানের লামা উপজেলা, বরগুনার বামনা উপজেলায় ২০১৩ সালে এ প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে চালু করা হলেও, এখন দেশের দারিদ্র্য প্রবণ এলাকার সকল সরকারি প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকল্পটি চালু করতে চায় তারা।

আগামী জুলাই থেকে আরও ১৬টি উপজেলায় চালু হবে দুপুরে খাবার দেয়ার এই কর্মসূচি। পরে এর আওতায় আসবে ১০৪টি উপজেলার সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ১৬টি উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি দেখে বাকি উপজেলাগুলোতে কীভাবে কাজ করা হবে, তার ছক কষা হবে। আগামী বছরের মধ্যে এসব প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটির বেশি। এর মধ্যে দারিদ্র্য প্রবণ ১০৪টি উপজেলায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩২ লাখের মতো। এসব উপজেলায় স্কুল মিল নীতি বাস্তবায়ন করতে গেলে বছরে ৮ হাজার কোটি টাকা লাগবে বলে হিসাব কষেছে মন্ত্রণালয়।

আকরাম হোসেন আরও বলেন, আমরা ৮ হাজার কোটি টাকা চেয়েছি। সারাদেশে বাস্তবায়ন করতে গেলে এই টাকাটা লাগবে।তবে সরকারি সহযোগিতা ছাড়াও বেসরকারি পর্যায় থেকে কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে তাও আমরা নেব।

জাতীয় স্কুল মিল নীতির দায়িত্বে থাকা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব বাজেট থেকে প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থ বিভাগও এ প্রকল্পে অর্থ দেবে। স্কুল মিল নীতি প্রকল্পের ওপিডি নূরুন্নবী সোহাগ বলেন, সরকারি প্রাথমিক স্কুলে দুপুরের খাবার দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি ১৬ টাকা খরচ হবে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে একটি সেল বা ইউনিট গঠন করা হবে। কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণে একটি পৃথক জাতীয় স্কুল মিল কর্মসূচি কর্তৃপক্ষ গঠনের চিন্তাও রয়েছে।

এছাড়া বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কারিগরি সহায়তায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পরে একটি খাদ্য ও পুষ্টি গবেষণা উন্নয়ন কেন্দ্র গঠন করবে মন্ত্রণালয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: