রবিবার, ১৭ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের কুকীর্তি ফাঁস!  » «   মায়ের পছন্দ ব্রাজিল, সমর্থক জয়ও  » «   পুলিশ কমিশনার‘ঈদগাহে ছাতা ও জায়নামাজ ছাড়া অন্য কিছু নয়’  » «   ‘আমিও প্রেগনেন্ট হয়েছি, অনেকবার অ্যাবরশনও করিয়েছি’  » «   গুগল পেজ ইরর দেখায় কেন?  » «   রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সিইসি কে কোথায় ঈদ করছেন  » «   ইসি সচিব : তিন সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা  » «   বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে মনু ও ধলাই  » «   বিশ্বকাপের একদিন আগে বরখাস্ত স্পেন কোচ!  » «   ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ৭ কি.মি. যানজট  » «   শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে আলিয়ার সোজা কথা!  » «   যে কারণে ইউনাইটেড হাসপাতালে যেতে চান খালেদা  » «   খালেদা চিকিৎসা চান নাকি রাজনীতি করছেন : সেতুমন্ত্রী  » «   যানজটের কথা শুনিনি, কেউ অভিযোগও করেননি  » «   ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ‘বকশিসের নামে নীরব চাঁদাবাজি নেই’  » «  

রাগ কমাবেন যেভাবে



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: মানুষ মাত্রই রাগ থাকবে। জীবনে হাসি, আনন্দ, দুঃখ যেমন সত্যি তেমনই সত্যি এই রাগও। রেগে যাওয়ার কারণ থাকতে পারে অসংখ্য। সেটি বিবেচ্য বিষয় নয়। কথা হলো, আপনি এই রাগকে কতটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। কারণ রাগের জন্যই মানুষের মধ্য থেকে অনেক ইতিবাচক বিষয় চলে যায়। আপনজনেরা ভুল বোঝে। তাই রাগকে নিয়ন্ত্রণে রাখাটা জরুরি। রেগে গিয়ে ভাঙচুর করার আগে নিজের মুখোমুখি হন নিজেই। আপনার যে রাগ বেশি সেটা বুঝুন প্রথমে৷ এবং তার জন্য আপনি ছাড়া আর কেউ দায়ী নয়৷ কারণ যে ঘটনায় আপনি রেগে যান, তাতে অন্য অনেকেই দিব্যি মাথা ঠান্ডা রাখতে পারেন৷ এবার ঠিক করুন রাগ কমাবেন এবং প্রস্তুতি নিয়ে কাজে নেমে পড়ুন৷

কোন কোন ঘটনায় রেগে যান তা বুঝে নিন৷ সে রকম পরিস্থিতি যাতে না হয় সে চেষ্টা করুন৷ তার জন্য যদি নত হতে হয় সে-ও ভালো৷ নত হতে হয়েছে বলে যদি খারাপ লাগে, ভেবে দেখুন এর বিনিময়ে আপনার শরীর, মানসিক শান্তি, সম্পর্ক সবই কিন্তু রক্ষা পেল৷
চেষ্টা করেও পরিস্থিতি এড়াতে না পারলে প্রতিজ্ঞা করুন, যা-ই ঘটুক আপনি শুধু শুনে বা দেখে যাবেন, রাগবেন না৷ এমন কথা বলবেন না যাতে পরিস্থিতি জটিল হয়৷

চেষ্টা বিফলে গেলে অস্থির হবেন না৷ অন্য ইমোশনের মতো রাগও খানিক ক্ষণের মধ্যে কমতে শুরু করবে৷ ধৈর্য ধরুন৷ মুখ বন্ধ রাখুন৷ সম্ভব হলে সে জায়গা থেকে সরে যান। হনহন করে হেঁটে আসুন, মাথায় জল ঢালুন কি ঘরের কাজ করুন বা কারও সঙ্গে কথা বলে মাথা ঠান্ডা করে নিন৷
এসব কোনওটাই সম্ভব না হলে কাজে আসবে সুইচ অফ-সুইচ অন মেকানিজ্ম এবং ভিস্যুয়াল ইমেজারি৷ এটি হলো পরিস্থিতির মাঝখানে বসে গভীরভাবে অন্য পছন্দের কিছু ভাবা যাতে মন চলে যায় অন্য কোনও রাজ্যে৷ বিশেষজ্ঞের কাছে শিখে ঘরে প্র্যাকটিস করলে বিপদের সময় কাজে লাগবে৷

যোগাসন, মেডিটেশনে শরীর-মন ঠান্ডা থাকে৷ চট করে রাগ ওঠে না৷ বা উঠলেও সহজে নেমে যায়৷ বিশেষজ্ঞের কাছে শিখে এদের জীবনের অঙ্গ করে নিন৷

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: