রবিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আশ্বিন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে শিক্ষককে হত্যার হুমকি  » «   স্কুলের ঘন্টা বাজালেন রুহানি!  » «   উল্টো পথে প্রতিমন্ত্রীর গাড়ি: অর্ধশত যানবাহনকে জরিমানা  » «   বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা  » «   সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ: চেয়ারম্যানসহ আসামি ৭  » «   ‘আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান সম্ভব’  » «   রোহিঙ্গাদের গণধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ  » «   অবশেষে রিয়ালের স্বস্তির জয়  » «   সিরিজ বাঁচিয়ে রাখতে চায় অস্ট্রেলিয়া  » «   বালাগঞ্জে গ্রাম আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষন সম্পন্ন  » «   তখনও প্রসবকালীন রক্ত ঝরছে তার শরীর থেকে  » «   টাঙ্গাইলে চলছে ভোটগ্রহণ  » «   কিশোরী স্কুলছাত্রীদের যৌনদাসী বানিয়ে রাখেন কিম!  » «   বুদ্ধি কমিয়ে দিচ্ছে যে খাবার  » «   আইফোনের তুলনায় পাঁচ গুণ সস্তা টাইগাফোন  » «  

রাখাইনের সহিংসতায় যুক্তরাষ্টের গভীর উদ্বেগ



অনলাইন ডেস্ক:: রাখাইনের সহিংসতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে সেখানকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়ে নিবিড় পর্যবেক্ষণ করছে তারা। যুক্তরাষ্ট্র আরো বলেছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ এক জটিল অবস্থায় পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব  কথা বলেছেন মুখপাত্র হিদার নুয়ার্ট। তিনি বলেন, জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাধ্যমে বিপন্ন মানুষকে সহযোগিতা করার চেষ্টা চলছে। এ সময় সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান, মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির শান্তিতে নোবেল পুরস্কার এখন কি তার কাছে রাখা উচিত কি না। এ ছাড়া ওই ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা অং সান সুচির ‘ভুয়া খবর’ ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে জানতে চান। শুরুতেই হিদার নুয়ার্ট বলেন, ২৫শে আগস্ট থেকে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে যে হাজার হাজার মানুষ এসে আশ্রয় নিয়েছেন তাদের সহযোগিতা করার জন্য জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংগঠনের মাধ্যমে কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে আমরা মিয়ানমারের প্রতিবেশী ও আন্তর্জাতিকভাবে সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছি এই সহিংসতা বন্ধের জন্য এবং আক্রান্তদের সহযোগিতা করার জন্য। নিচে রোহিঙ্গা ইস্যু, বাংলাদেশ, মিয়ানমার ইস্যুতে ব্রিফিং তুলে ধরা হলো:
প্রশ্ন: আমরা মিয়ানমারের প্রসঙ্গে ফিরে যাচ্ছি না কেন? এইমাত্র আপনি আপনার বিবৃতিতে বলেছেন, সব সম্প্রদায়কে রক্ষার প্রয়োজনীয়তার জন্য মিয়ানমার যে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র তাকে স্বাগত জানিয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এটি অং সান সুচি সরকারের কাছ থেকে গুরুত্ব দিয়ে এ বার্তা দেয়া হয়নি। আপনি কি- যুক্তরাষ্ট্র কি এই অবস্থানে এসে নিশ্চিত বা বিশ্বাস করেন, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে রক্ষা করার কোনো চেষ্টা বা খায়েশ আছে মিয়ানমার সরকারের?
হিদার নুয়ার্ট: ভালো কথা। আমি মনে করি সেখানে কয়েকটি ঘটনা চলছে। আপনারা যারা সাংবাদিক, যাদের পররাষ্ট্র বিষয়ে নেশা আছে, তারা ভালো করে জানেন যে, ওখান (রাখাইন) থেকে তথ্য পাওয়া একটি জটিল বিষয় হয়ে উঠেছে। সেখানে প্রবেশের বিষয়টিও জটিল। আমরা মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই আরো বেশি রিপোর্টার, সাংবাদিককে মিয়ানমারে প্রবেশের উন্নততর, অধিকতর সুযোগ দেয়ার জন্য, যাতে তারা বাস্তবে কি ঘটছে সে বিষয়ে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে পারেন। সেখানে এখনো এক মানবিক সঙ্কট বিরাজ করছে। মানবিক সাহায্য বিষয়ক গ্রুপগুলোও সেখানে (রাখাইনে) প্রবেশ করতে পারছে না। তারা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও সাহায্য সহযোগিতা দিতে পারছেন না। আমরা এ নিয়ে সেখানকার সরকারের সঙ্গে অব্যাহতভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। তাতে শুধু সহিংসতার প্রসঙ্গই থাকছে এমন নয়, এক্ষেত্রে স্থান পাচ্ছে সাংবাদিকদের (প্রবেশ) ও আরো জোর দিয়ে বলা যায় মানবিক সাহায্যের বিষয়। মিয়ানমারে আমাদের রাষ্ট্রদূত স্কট মারসিয়েল- তিনি ও আমি আজ সকালে (বৃহস্পতিবার) পরিস্থিতি নিয়ে অল্প বিস্তর কথা বলেছি। তার একটি পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য তিনি কয়েকবার- প্রকৃতপক্ষে তিনবার, সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এটা শুধু এ সপ্তাহে। তাই আমরা পরিস্থিতিতে খুব বেশি এনগেজড আছি।
প্রশ্ন: তার মানে (সমস্যা সমাধানের) জিনিস যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আছে। অবশ্যই মিয়ানমারের শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আমাদের অবরোধ ছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার কিছুটা তুলে নেয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র কি প্রত্যাহার করা অবরোধ আবার আরোপ করবে অথবা সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের (যেমনটা আপনি মাত্র বর্ণনা করেছেন) এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে নতুন করে অবরোধ আরোপ করবে?
হিদার নুয়ার্ট: আমি মনে করি- আমি অবরোধ ইস্যুতে ভাঙা রেকর্ড বাজাবো না। আমাদের মধ্যে আগামীতে যে কথা হতে পারে তাতে এ বিষয়টি থাকবে না। এই মুহূর্তে আমরা কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চালাচ্ছি। এই সময়ে আমি অবরোধ আরোপের বিষয়ে কোনো কথা বলতে পারব না। বলতে পারব না অবরোধ দেয়া হবে অথবা দেয়া হবে না- এর কিছুই।
প্রশ্ন: হিদার, দ্য লিডার…
হিদার নুয়ার্ট: আমরা নতুন একটি ইস্যুতে যাওয়ার আগে এই ইস্যুটি শেষ করতে চাই।
প্রশ্ন: হ্যাঁ, মিয়ানমার বিষয়ে।
হিদার নুয়ার্ট: হ্যাঁ।
প্রশ্ন: নেত্রী, অং সান সুচি দাবি করেছেন, ভুয়া খবরকে কেন্দ্র করে। এটা কি…
হিদার নুয়ার্ট: তিনি- বলেছেন এটা আবার? তিনি কি?
প্রশ্ন: এই পুরোটা সঙ্কট…
হিদার নুয়ার্ট: হ্যাঁ।
প্রশ্ন: পুরো ঘটনাকে ভুয়া নিউজ হিসেবে দেখানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে এগুলো সব ভুয়া খবর। এমনতরো আরো অনেক কিছু। এখন যুক্তরাষ্ট্র কি এ দাবির যথার্থতা পেয়েছে, যেটা আসলে ঘটেছে এবং তা কতটুকু মানে ঘটেছে?
হিদার নুয়ার্ট: ঠিক এ জন্যই আমি বলেছি, পরিস্থিতি কতটা জটিল। আমি বলতে চাই এটা এমন একটি দেশ যেখানে প্রবেশ করা কঠিন। এটা এমন একটি দেশ যার পাশে আনাও কঠিন। ওই এলাকায় (রাখাইন) নেই রাস্তাঘাট, অবকাঠামো, যেমনটা অন্য দেশে আছে। তাই প্রকৃত ঘটনা কি তা সংগ্রহ করাও কঠিন সেখানে। এ জন্যই আমরা মিয়ানমার সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি যাতে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার দেয়া হয়, ত্রাণ বিষয়ক গ্রুপগুলোকে যেতে দেয়া হয়। আমরা ওইসব সংগঠনের সঙ্গে, ত্রাণ বিষয়ক গ্রুপ, কাজ করছি নিবিড়ভাবে ও সতর্কতার সঙ্গে, যাতে পরিস্থিতি সম্পর্কে সবচেয়ে ভালোভাবে জানা যায়। এটা একটি জটিল পরিস্থিতি। এটা একটি কমপ্লিকেটেড দেশ। সেখানে পরিস্থিতি চলমান। আমরা এমন কিছু করতে চাই না যাতে উত্তেজনা আরো ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু আমরা আশা করছি, বাস্তবক্ষেত্রে সঠিক তথ্য পাওয়ার।
প্রশ্ন: গত দু’সপ্তাহে পররাষ্ট্রমন্ত্রী (রেক্স) টিলারসন নিজে কতটুকু এবং কেমনভাবে যুক্ত হয়েছেন? তিনি কি কোনো ফোনকল করেছেন? তিনি কিভাবে এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন?
হিদার নুয়ার্ট: আমি জানি এ বিষয়ে দেখাশোনা (কেয়ার) করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ জন্যই আমরা ফোনকল করছি। কূটনৈতিক আলোচনা চালাচ্ছি বিভিন্ন লেভেলে। আমি এই মুহূর্তে আপনাকে কোনো সুনির্দিষ্ট ফোনকলের কথা বলতে পারছি না। আমি এটা নিশ্চিত হতে পারলে আপনাকে জানাব। ঠিক আছে?
প্রশ্ন: আমি কি ফলোআপে যেতে পারি?
হিদার নুয়ার্ট: হাই এলিসে।
প্রশ্ন: কূটনৈতিক যে চলমান উদ্যোগের কথা বলছেন সে সম্পর্কে আমরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী টিলারসনের কাছ থেকে বাস্তবেই কিছু শুনতে পাইনি। এর অর্থ কি তাহলে এই যে, আপনি বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চান না। অথবা প্রশাসন উত্তরের দিকে কিছু বার্তা দিচ্ছে…
হিদার নুয়ার্ট: সুনির্দিষ্ট এই ইস্যুতে আসুন। আপনি কথা বলছেন মিয়ানমার নিয়ে।
প্রশ্ন: ওহ, আমি দুঃখিত।
হিদার নুয়ার্ট: আপনি কি মিয়ানমার নিয়ে বলছেন নাকি উত্তর কোরিয়ার দিকে যাচ্ছেন।
প্রশ্ন: দুঃখিত। আমরা উত্তর কোরিয়া ইস্যুর দিকে যাচ্ছি।
হিদার নুয়ার্ট: (হেসে দিয়ে) ঠিক আছে। এলিসে, আজ এই সকাল বেলা জেগে উঠুন।
প্রশ্ন: দুঃখিত (হাসি)।
হিদার নুয়ার্ট: ওকে। আমরা অন্য প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে মিয়ানমার ইস্যু শেষ করতে চাই। মিয়ানমার নিয়ে আর কোনো প্রশ্ন আছে অন্য কারো?
প্রশ্ন: তাহলে কি বলতে চাইছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী কারো সঙ্গে কথা বলেন নি…
হিদার নুয়ার্ট: না, আমি এই মুহূর্তে আপনাকে এ বিষয়ে উত্তর দিতে পারছি না। এটা এমন একটি বিষয়, যা অনেকবার এসেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে বহু মানুষ কথা বলছেন। আর এখন আপনারা সবাই এ বিষয়ে ফোকাস করেছেন। শুধু এই এক সপ্তাহে আমাদের রাষ্ট্রদূত রাজধানীতে (মিয়ানমারের) তিনবার সফরে গিয়েছেন। তার মানে হলো আমরা বিষয়টি ফোকাসে রেখেছি। অব্যাহতভাবে এ বিষয়ে আমরা তদারকি করে যাব।
প্রশ্ন: আপনি কি মনে করেন, মনে করেন অং সান সুচি সহিংসতা বন্ধে যথেষ্ট করছেন?
হিদার নুয়ার্ট: দেখুন, সেখানে খুব, খুবই সীমিত যোগাযোগ সুবিধা রয়েছে। মানবিক প্রয়োজন, সরঞ্জাম ও বিভিন্ন সরবরাহ সেখানে পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে খুব সীমিত সুযোগ রয়েছে। এটাই এখন আমাদের শীর্ষ উদ্বেগের বিষয়। সেখানে চলমান সহিংসতা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। এসব সহিংসতার জন্য নিরাপত্তা রক্ষাকারী ও বেসামরিক লোকজন উভয়ের বিরুদ্ধেই অভিযোগ আছে। আমরা সব পক্ষকেই উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানাই। সেখানে সাধারণ জনগণের কি হচ্ছে এটা নিয়েই যুক্তরাষ্ট্র সরকার সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। পরিস্থিতির দিকে নিবিড় নজরদারি করছে আমাদের যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। আমি আরো একবার বলতে চাই যে, সেখানকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে যেসব রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে তা যাচাই করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। আমি এ বিষয়টি এখানেই রাখতে চাই।
প্রশ্ন: অবশ্যই আমরা সবাই সেখানে, মিয়ানমারে সাংবাদিকদের অধিক সুযোগ দাবি করি। আর আপনাদের তো ন্যাপিড’তে দূতাবাস আছে। তাই আপনারা বলতে পারেন না যে, সেখানে ভুয়া নিউজের অভিযোগ কতটা সত্য বা মিথ্যা…

হিদার নুয়ার্ট: সেখানে (রাখাইনে) এসব এলাকা হলো উন্মুক্ত লড়াই ক্ষেত্র। তাই আমরা সেখানে প্রবেশ করতে বা বের হয়ে আসতে পারি না।
প্রশ্ন: রাখাইন রাজ্যে মার্কিন কূটনীতিকরা কি এ বিষয়গুলো দেখার চেষ্টা করেছেন?
হিদার নুয়ার্ট: আপনার জন্য এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার চেষ্টা করব আমি। আমি ঠিক জানি না, সেখানে প্রকৃতপক্ষে কেউ আছেন কিনা। আমরা অন্য প্রসঙ্গে যেতে চাই।
প্রশ্ন: অং সান সুচির কি নিজের কাছে এখন শান্তিতে নোবেল পুরস্কার রাখা উচিত? আপনি কি মনে করেন?
হিদার নুয়ার্ট: এ নিয়ে আমি কোনোই মন্তব্য করব না। সেটা হলো পুরস্কার নিয়ে- হ্যাঁ।
প্রশ্ন: হাজার হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আসছেন। তাদেরকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ার জন্য কি আপনারা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন?
হিদার নুয়ার্ট: আমি জানি বাংলাদেশের জন্য এটা একটি জটিল পরিস্থিতি, যেমনটা শরণার্থীদের গ্রহণে এটা অন্য যেকোনো দেশের জন্য। আমরা এ বছর মিয়ানমারের শরণার্থীদের জন্য ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার সহায়তা দিয়েছি। সেটা শুধু মিয়ানমারের ভেতরে নয়, আমার মনে হয় তা বাংলাদেশের ভেতরে থাকা শরণার্থীদের জন্যও দেয়া হয়েছে। আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারলে আপনাকে জানাব।
প্রশ্ন: ধন্যবাদ আপনাকে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: