শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জুটি বাঁধছেন শাকিব-শ্রাবন্তী!  » «   দু’সপ্তাহের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু  » «   অল্পের জন্য বেঁচে গেলেন প্রতিমন্ত্রী  » «   লামায় অবৈধভাবে প্রবেশকালে ১৪ রোহিঙ্গা আটক  » «   দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রদল নেতার দাফন সম্পন্ন  » «   ফেসবুকের কবলে ‘নিঃস্ব’ যুবলীগ নেতা  » «   বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ২০  » «   প্রেসক্লাবে খাদ্যমন্ত্রী ‘খালেদার দীর্ঘ কারাবাস চায় বিএনপির নেতৃবৃন্দ’  » «   কম সাজায় জামিন আছে তবে…  » «   সীতাকুণ্ডে শিপ ইয়ার্ডে আগুনে নিহত ১  » «   জাতীয় নির্বাচনে ‌বিএনপির অংশগ্রহণ করতে হবে  » «   খালেদার অর্থদণ্ড স্থগিত, নথি তলব  » «   মাশরাফির মেয়ে কোরআনের ছাত্রী!  » «   কুপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, নারীর ফ্ল্যাটে সচিবের কাণ্ড  » «   যেভাবে ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের ফাঁদে ফেলতো সুন্দরী জেরিন  » «  

রাখাইনের ‘বিভীষিকা’ সম্পর্কে জানেন না সুচি



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে সংঘটিত বিভীষিকাময় ঘটনা সম্পর্কে পুরোপুরি জানেন না মিয়ানামারের কার্যত নেত্রী অং সান সুচি। রাখাইন রাজ্য ও মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামগুলো সফর এবং সুচির সঙ্গে বৈঠকের পর বিবিসি’র কাছে জনসন এ মন্তব্য করেন।

মিয়ানমার সফরের আগে বরিস জনসন বাংলাদেশ সফর করেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বসেন। পরে তিনি চট্টগ্রামের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরিগুলো ঘুরে দেখেন।

ইয়াঙ্গুনে সুচির সঙ্গে বৈঠকের পর বরিস জনসন বলেন, সত্যি কথা বলতে কী, আমি আসলেই মনে করি না যে, রাখাইনের বিভীষিকাময় ঘটনা সম্পর্কে সুচি পুরোপুরি জানেন। আমি মনে করি না যে, আমরা যা দেখেছি তিনি হেলিকপ্টারে চড়ে তা দেখেছেন। আমি তার নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল কিন্তু মিয়ানমারে যা ঘটেছে তা দেখে আমি অত্যন্ত দুঃখিত।

রাখাইনের ঘটনা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি করেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া, রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিরাপদে দেশ ফেরার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন জনসন।

গত কয়েক মাস ধরে রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। মিয়ানমারের উগ্রবাদী বৌদ্ধ সন্ত্রাসী ও দেশটির সামরিক বাহিনীর বর্বর হামলার মুখে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান মারা গেছেন। এছাড়া, লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান টিকতে না পেরে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তবে এ পর্যন্ত ব্রিটেনসহ পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে মিয়ানমার সরকারের ওপর বড় রকেমর কোনো চাপ সৃষ্টি করা হয় নি। পার্সটুডে

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: