শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জনসমাগম দেখলেই আতঙ্কে ভোগে আ’লীগ সরকার: ফখরুল  » «   ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে নিহত ২  » «   দুর্নীতি শব্দটি কীভাবে আসলো আই হ্যাভ নো আইডিয়া: ইকবাল মাহমুদ  » «   সেই প্রিয়া সাহাকে নিয়ে মিললো চাঞ্চল্যকর তথ্য  » «   লবণ সংকটে কোরবানির চামড়া নিয়ে উদ্বেগ  » «   দেশদ্রোহী হিসেবে প্রিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে: সেতুমন্ত্রী  » «   মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে ঢাকা থেকে ৪০ আইনজীবী যাচ্ছেন বরগুনায়!  » «   আলো-পানি ছাড়াই রাত কাটল আটক প্রিয়াঙ্কার  » «   মক্কা-মদিনায় ফ্রি ইন্টারনেট ও সিম পাচ্ছেন হাজিরা!  » «   পানিতে সাপের কামড়ে মৃত্যু ,পানিতেই জানাজা-দাফন  » «   নেত্রকোনায় শিশুর কাটা মাথা কাণ্ডে যা জানলো পুলিশ  » «   লন্ডনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, আজ দূত সম্মেলন  » «   ব্রিটিশ ট্যাংকার আটক করেছে ইরান, উত্তেজনা চরমে  » «   নিজেদের বিমান বাহিনী থেকে সুরক্ষা পেতেই এরদোগানের এস-৪০০ ক্রয়!  » «   জাপানে অ্যানিমেশন স্টুডিওতে অগ্নিসংযোগ, নিহত ১২  » «  

রওশনের লজ্জা!শেখ হাসিনার কাছে যা জানতে চায় রওশন এরশাদ!



নিউজ ডেস্ক::সিদ্ধান্তটি আচমকাই নিয়েছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ৫ই জানুয়ারির আগের ইতিহাস। দেশ তখন অগ্নিগর্ভ। অংশগ্রহণমূলক, না একতরফা নির্বাচন? জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশ নেয়া নিয়ে সংশয় ছিলো সামান্যই। দলটি ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্রও দাখিল করেছিলো। কিন্তু হঠাৎই বেঁকে বসেন এরশাদ।

জানালেন, তার দল নির্বাচনে অংশ নেবে না। বলাবলি আছে, ঢাকায় নিযুক্ত এক বিদেশি অতিথি এ ব্যাপারে এরশাদকে প্রভাবিত করেছিলেন।

এ সিদ্ধান্তের পরিণতি অবশ্য শুভ হয়নি এরশাদের জন্য। তার ঠাঁই হয় হাসপাতালে। এরশাদ যখন বাধ্যতামূলক চিকিৎসা নিচ্ছিলেন, তখন তার দলের এক অংশের নেতারা শরণাপন্ন হন রওশনের। তাকে বুঝান নির্বাচনে থেকে গেলে কী কী লাভ হবে। সব মহলের সঙ্গে তার যোগাযোগও করিয়ে দেন। হঠাৎ স্বামীর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন রওশন। নির্বাচনে থেকে যায় জাতীয় পার্টি। এমনকি এরশাদের মনোনয়নপত্রও প্রত্যাহার হয় না। ভাইয়ের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়ে মূল্য চুকাতে হয় জিএম কাদেরকে।

নির্বাচনের পর অবশ্য এরশাদকে বলা যায়, রক্ষাই করেন রওশন। রওশন হন বিরোধী দলের নেতা। এরশাদ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত। মন্ত্রিসভায়ও জায়গা হয় জাপা নেতাদের। আবার তারা প্রধান বিরোধীদলও। পৃথিবীর ইতিহাসে নতুন এক সরকার ব্যবস্থা কায়েম হয়। কিন্তু এতদিন পর এসে রওশন খোদ সংসদেই জানালেন তার লজ্জার কথা। জিএম কাদের বরাবরই এর বিরুদ্ধে বলে গেছেন। এরশাদ কখনো এদিকে, কখনো ওদিকে। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে রওশন এরশাদ সংসদে যা বলেছেন, তা রীতিমতো বিস্ময়কর।

‘আমরা সরকারি দল, না বিরোধী দল কোনটা আমরা? দেশে-বিদেশে নিজেদের পরিচয় দিতে পারি না। সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে লজ্জা লাগে। কারণ সবাই জানতে চায়, জাতীয় পার্টি সরকারি দল, না বিরোধী দল। প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম, আমাদের মন্ত্রীগুলোকে উইথড্র করে দেন। বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করতে দেন। কিন্তু আমি জানি না, কেন সেটা হয়নি।’

রওশন এরশাদ মঙ্গলবার রাতে যে অনুভূতি প্রকাশ করলেন এমন কথা তিনি অতীতে আর বলেননি। কেন হঠাৎ করে তিনি এটা
বলতে গেলেন তা একটা প্রশ্ন। কিন্তু পর্যবেক্ষকরা আরো একবার বিস্মিত হয়েছেন এটা ভেবে যে, বিরোধীদল বিরোধীদলের ভূমিকা পালন করতে পারবে কি না তা এখন নির্ভর করে সরকারি দলের ওপর। অদ্ভুত! কে না জানে, চলতি বছরের ডিসেম্বরেই আগামী সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনের আগে হয়তো জাতীয় পার্টিকে বিরোধীদলের ভূমিকায় দেখাও যেতে পারে। জাপা মন্ত্রীরা ২-৪ মাসের জন্য সেক্রিফাইস করতেও পারেন। সরকার তাদের সে সুযোগ দিতেও পারে। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। সূত্র: মানবজমিন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: