মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বুধবার সিলেটে সংস্কারকৃত শিশু আদালতের উদ্বোধন  » «   আজ হবিগঞ্জের লাখাই কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস  » «   বুধবার মৌলভীবাজারে অর্ধদিবস হরতালের ডাক, প্রতিহতের ঘোষণা আ. লীগের  » «   গোলাপগঞ্জ পৌরসভা মেয়র উপ-নির্বাচন: প্রতীক বরাদ্দ আজ  » «   কারগারে মালির কাজ করছেন রাগীব আলী, ডিভিশনের আবেদন  » «   ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ১০ অক্টোবর  » «   কোটা ইস্যুতে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের পাল্টাপাল্টি মিছিল  » «   আশুরা উপলক্ষে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই: ডিএমপি কমিশনার  » «   একনেকে অনুমোদন পেলো ইভিএম কেনা প্রকল্প  » «   জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট  » «   ৫৬৮ কেজির লাড্ডু দিয়ে পালিত হল মোদির জন্মদিন  » «   দেশের সব নাগরিককে অধিকার রক্ষায় সক্রিয় হতে হবে-ড. কামাল  » «   ঐতিহাসিক পিয়ংইয়ং সফরে সস্ত্রীক প্রেসিডেন্ট মুন  » «   ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.৮৬%  » «   মাদরাসা শিক্ষকের স্ত্রী ও ছাত্রকে গলাকেটে হত্যা  » «  

রংপুরে হিন্দু বাড়িতে আগুন: টিটু রায় গ্রেপ্তার



রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের গঙ্গাচড়ায় হিন্দুদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায়, মামলার প্রধান আসামি টিটু রায়কে গ্রেপ্তার হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তার বিরুদ্ধেই ফেইসবুকে ‘ধর্ম অবমাননার’ অভিযোগ তুলে হিন্দুদের বাড়িঘরে এই তাণ্ডব চালানো হয়।

আজ মঙ্গলবার রংপুর সদর উপজেলার ঠাকুরপাড়া গ্রামে পোড়ানো বাড়িঘর পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘টিটু রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। টিটু দোষী হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘শুনেছি টিটু লেখাপড়া জানেন না। তিনি নাকি আট-দশ বছর আগে থেকে বাড়ি ছেড়ে নারায়ণগঞ্জ গিয়ে থাকেন। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে। এটা আসলে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা। এজন্য এসব ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। দেশে ষড়যন্ত্র চলছে।’

টিটুর গ্রেপ্তারি বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন রংপুরের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। তিনি জানান, নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোল্লা ইউনিয়নের চিঁড়াভেজা গোল্লা এলাকায় টিটু তার স্ত্রীর এক আত্মীয়বাড়িতে ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে তাকে সেখান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত শুক্রবার কয়েক হাজার মানুষ ওই গ্রামের হিন্দুবাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকটি বাড়িঘরে আগুন দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে হাবিবুর রহমান (৩০) নামে একজন মারা যান। আহত হন আরো অন্তত ১১ জন।

এ ঘটনায় গঙ্গাচড়া থানার এসআই রেজাউল করিম ও কোতোয়ালি থানায় এসআই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছেন। এসব মামলায় দুই হাজারের বেশি লোককে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে ১২৪ জনকে। আর জেলা প্রশাসন গঠন করেছে একটি তদন্ত কমিটি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: