বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

যে ভুলের কারণে আপনার চাকরি হয় না!



26. interviewলাইফ-স্টাইল ডেস্ক::
আপনি অনেক মেধাবী। জানেনও প্রচুর। কোনো প্রশ্নেই আটকায় না। তবুও হলো না চাকরিটা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও কোথাও যেন ভুল হচ্ছে। ইন্টারভিউ দেয়ার সময় চাকরি প্রার্থীরা মারাত্মক কিছু ভুল করে থাকেন। কেরিয়ারবিল্ডার-এর এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ১৫ মিনিটের মধ্যেই ৯১ শতাংশ ক্ষেত্রেই বুঝে নেয়া যায় প্রার্থীটি চাকরির যোগ্য কিনা। চাকরিপ্রার্থী কতটা পেশাদার এবং তিনি ওই পদের উপযুক্ত কিনা নিম্নোক্ত ব্যাপারগুলো থেকেই তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

জেনে নিন কী সেই ভুল।

প্রশ্নকর্তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা না বলা:
অনেকেই প্রশ্নকর্তার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলেন না। এটাই চাকরি প্রার্থীর ভঙ্গিমার সবচেয়ে বড় ভুল বলে বিবেচিত হয়। অধিকাংশ চাকরিদাতাই মনে করেন, চাকরি প্রার্থীদের সবচেয়ে বড় ভুল হল চোখের দিকে না তাকানো।

টেবিলের উপর খেলা করা:
অনেকে টেবিলের উপরে খেলা করতে থাকেন। এটা-ওটা নাড়াচাড়া করেন। হাতের কাছে কিছু থাকলে বারবার সেটা ধরার চেষ্টা করেন।

হাসতে পারেন না:
ইন্টারভিউ দিতে এসে অনেকেই ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান। গলা শুকিয়ে আসে। তার অপ্রস্তুত ভাবটা মুখেও প্রকাশ পায়। চোখে-মুখে ভয় ও অহেতুক গাম্ভীর্য ফুটে ওঠে। ফলে তার মুখে হাসি ফুটে ওঠে না্।

করমর্দনের ক্ষেত্রে দুর্বলতা:
ইন্টারভিউ বোর্ডে থাকা কর্তাব্যক্তির সাথে করমর্দনের ক্ষেত্রেও অনেকের দুর্বলতা রয়েছে। অনেকে আবার খুব জোরে হ্যান্ডশেক করেন যা প্রশ্নকর্তার ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে।

বসে থাকায় অস্থিরতা:
কারও বসে থাকার মধ্যে অস্থিরতা দেখা যায়। ফলে অনবরত নড়াচড়া করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। নিজের মধ্যে অস্থিরতা প্রকাশ করাও অযোগ্য প্রমাণিত হওয়ার অন্যতম কারণ।

হাত ভাঁজ করে রাখা:
প্রশ্নকর্তার সামনে বসে অনেকেই বুকের কাছে হাত ভাঁজ করে রাখেন। সাবলিল ভাবে বসতেও পারেন না। অথবা হাত কীভাবে রাখবেন সেটা ঠিক করতে না পেরে নানা রকম করতে থাকেন। এতেও প্রার্থীর অযোগ্যতা প্রমাণিত হয়। ফলে দেখা যায়, প্রশ্নের উত্তর সঠিক ভাবে দিলেও এই একটি ভুলের জন্য চাকরিটা হাতছাড়া হয়ে যায়।

কপাল থেকে চুল সরানো:
অনেকে বার বার কপালের উপর থেকে আঙুলের ফাঁক দিয়ে মাথার দিকে চুল সরাতে থাকেন। কারো চুল বড় থাকলে তা কপালে এসে পড়ে আর তিনি তা বারবার হাত দিয়ে সরিয়ে দেন। এজন্য ইন্টারভিউয়ের আগে চুল কেটে নেয়া উত্তম।

অঙ্গভঙ্গি ও আচরণ:
অনুপযুক্ত অঙ্গভঙ্গি ও আচরণও ব্যর্থতার কারণ। শুধু প্রশ্নের উত্তর কীভাবে দিলেন, তার উপরেই চাকরির সবটুকু নির্ভর করে না। আপনার ভাবভঙ্গি কেমন তার উপরও অনেক কিছু নির্ভর করে। চাকরিদাতারা বাচনভঙ্গির বাইরের অন্য লক্ষণ দেখেও যোগ্যতা বুঝে নিতে চান।
তাই উপর্যুক্ত বিষয়গুলো লক্ষ করুন।অভ্যাসগুলো যদি থেকে থাকে এখনি বর্জনের চেষ্টা করুন। নিজেকে সবদিক দিয়ে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলুন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: