বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশে ফিরছেন সাগরে ভাসা আরও ২৪ বাংলাদেশি  » «   অস্ট্রেলিয়ায় আগুনে পুড়ে ৩ ভাই-বোন নিহত  » «   অবশেষে বরখাস্ত ডিআইজি মিজান  » «   সরকারি চাকরিতে ডোপটেস্ট বাধ্যতামূলক করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ঘুষ নেয়ার ভিডিও করায় সাংবাদিককে পেটাল পুলিশ, ৪ পুলিশ সদস্য ক্লোজড  » «   শেষ বয়সে খেলোয়াড়দের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ‍নিতে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রীর নির্দে  » «   বিএনপির নেতৃত্বে আসছেন তারেকের কন্যা!  » «   সরকারি নিয়োগের স্বাস্থ্য পরীক্ষা বেসরকারিতে!  » «   তিন বাংলাদেশিসহ চার নব্য জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ  » «   ‘শহীদ’ জিয়াকে নিয়ে সংসদে মমতাজের হাস্যরস  » «   বগুড়া-৬ উপনির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থীর জয়  » «   প্রথমবার সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে উড়বে ইউএস-বাংলা  » «   ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ইন্দোনেশিয়ায়-জাপান-অস্ট্রেলিয়া  » «   ভোটকেন্দ্রেই ঘুমিয়ে পড়লেন কর্মকর্তা  » «   ‘জয় শ্রীরাম’ না বলায় পিটিয়ে মুসলিম যুবককে হত্যা  » «  

যে দ্বীপে গেলে জীবিত কেউ ফেরে না!



চিত্র বিচিত্র ডেস্ক:: দ্বীপটির নাম ‘ইলহা দ্য কুয়েইমাডা গ্র্যান্ডে’। দ্বীপের নাম যেমন অদ্ভূত তেমনি এ দ্বীপটি নিয়ে প্রচলিত আছে অদ্ভূত সব কাহিনী। সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন এক মত্স্যজীবী। খিদে পাওয়ায় খাবারের খোঁজে এই দ্বীপে প্রবেশ করেছিলেন। পর দিন নাকি তার রক্তাক্ত দেহ পাওয়া যায়। এমনই সব গল্প দ্বীপটি ঘিরে।

দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝে দ্বীপটির অবস্থান। ব্রাজিলের বৃহত্তম শহর সাও পাওলো থেকে প্রায় দেড়শো কিলোমিটার দূরে এই দ্বীপে কেউ পা রাখার সাহস দেখান না। সরকারও ওই দ্বীপে মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।ব্রাজিলের মানুষের মধ্যে এই ধারণা প্রচলিত যে ওই দ্বীপে গেলে জীবিত কেউ ফিরে আসে না!

এক মত্স্যজীবীর ‘রহস্যময়’ মৃত্যুর পরেও ওই দ্বীপেই গিয়ে ডেরা বাঁধে কয়েক জন। লাইটহাউস রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি পরিবার ওই দ্বীপে বেশ কয়েক বছর থাকতেন। ১৯০৯-২০ পর্যন্ত ছিলেন তারা। শোনা যায়, ঘরে ঢুকে পুরো পরিবারকে মেরে ফেলে সাপের দল।

কোথা থেকে এল এই সাপ? এ নিয়েও কাহিনি আছে। শোনা যায়, জলদস্যুরা লুঠ করা সোনা এই দ্বীপে লুকিয়ে রাখত। কেউ যাতে সেগুলো হাতাতে না পারে সে জন্য কয়েকটি বিষাক্ত সাপ নিয়ে এসে দ্বীপে ছেড়ে দিয়েছিল তারাই। সেই সোনার লোভে বারেবারেই সেখানে গিয়েছে মানুষ। কিন্তু শোনা যায়, তারা কেউই ফেরেনি।

তার পর সেই সাপের বংশবৃদ্ধি হতে থাকে। কয়েকটি সাপ থেকে কয়েক হাজার সাপে ভরে যায় গোটা দ্বীপ। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, খোঁজ নিয়ে দেখা গিয়েছে ওই সাপ গোল্ডেন ল্যান্সহেড। বিশ্বের অন্যতম বিষধর সাপ এটি।

একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, সাপের সংখ্যা এত বেড়ে গিয়েছে যে, প্রতি এক বর্গমিটারে একটা করে সাপ পাওয়া যায়। সাপদের স্বর্গরাজ্য এই দ্বীপটিকে তাই ‘স্নেক আইল্যান্ড’ বলা হয়।

গোল্ডেন ল্যান্সহেড যেহেতু বিরল প্রজাতির, তাই এই সাপকে বাঁচাতে ব্রাজিল সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে।বিশ্ববাজারে এই সাপের চাহিদা থাকায় চোরা কারবারিদের হাতে থেকে রক্ষা করতে এবং সাপের কামড়ে যাতে মৃত্যু না হয় সাধারণ মানুষের তাই দ্বীপে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: