শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশীয় কোম্পানির ক্যাপসুলে চলতি মাসেই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন!  » «   মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী, নাচ-গান-স্লোগানে মুখরিত বিজয় উৎসব  » «   ধনী বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় দেশ  » «   ভোটাধিকার হাইজ্যাক করেছে আওয়ামী লীগ : ড. কামাল  » «   রাজনৈতিক দলগুলোকে সংলাপে বসার আহ্বান জাতিসংঘের  » «   আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা  » «   অ্যাসাঞ্জের গোপন বৈঠকের খোঁজ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র  » «   সৌদি নারীদের বিয়ে করতে পারবে বাংলাদেশিরা, মিলবে ভাতা  » «   এমপি কয়েসের হাত ধরে বিএনপির হাবিব এখন আওয়ামী লীগে  » «   জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ  » «   রোহিঙ্গাদের দেখতে আজ বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘের দূত  » «   ‘দম বন্ধ হয়ে আসছে, আমাকে ছেড়ে দিন’  » «   দুই যুগে কতটা সফল ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা?  » «   কলম্বিয়ায় পুলিশ একাডেমিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ, নিহত ১০  » «   সোহরাওয়ার্দীতে আজ আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ  » «  

যে কারণে ২৭ হাজার টুকরা করা হল নারীর মৃতদেহকে



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: মৃত্যুর পরে ২৭ হাজার খণ্ডে ভাগ করা হল দেহকে। আর এমন নির্দেশই নাকি দিয়ে গিয়েছিলেন দেহের মালকিন সু পটার।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভারের বাসিন্দা সু পটার ২০১৫ সালে ৮৭ বছর বয়সে প্রয়াত হন।

মৃত্যুর আগে তিনি তার ইচ্ছাপত্রে এ কথা লিখে যান যে, তিনি এমন কিছু রেখে যেতে চান যা সমগ্র মানব জাতির কাজে আসবে। তিনিই পরিকল্পনা করে যান, তার দেহকে সংরক্ষণ করা হবে এবং এক ‘ডিজিটাল মৃতদেহে’ পরিণত করা হবে।

এই কথা মাথায় রেখেই সম্প্রতি সু-র সংরক্ষিত দেহকে ২৭ হাজার খণ্ডে বিভাজিত করা হল। চুলের মতো সূক্ষ্ম এই খণ্ডগুলোর আণুবীক্ষণিক ছবির থ্রি ডি ডিজিটাল রূপ ধরে রাখা হয়। এই ‘সংরক্ষণ’ মূলত চিকিৎসা বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের কাজে আসবে।

২০১৫-এ নিউমোনিয়ায় মারা যান সু। তার পরে তিন বছর তার দেহকে সংরক্ষিত রাখা হয়। এই তিন বছরে তার দেহের বিভিন্ন রকমের ছবি তুলে রাখা হয়েছিল। এই ছবিগুলোকে ব্যবহার করেই তার দেহকে খণ্ড-বিখণ্ড করা হয়। ‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক’-এর তরফে এই পদ্ধতির এক বিস্তারিত ভিডিও তুলে রাখা হয়েছে।

এই বিচিত্র সংরক্ষণটি ঘটেছে ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো-র সেন্টার ফর হিউম্যান সিম্যুলেশন-এ। সংস্থার ডিরেক্টর ভিক স্পিৎজার এই প্রক্রিয়ার বিস্তারিত বিবরণও দিয়েছেন।

প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, সু ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডো-র হিউম্যান সিম্যুলেশন সংক্রান্ত এক প্রবন্ধ পড়েই অনুপ্রাণিত হন এবং সিদ্ধান্ত নেন তিনি তার দেহ এই কাজে দান করে যাবেন। এভাবেই তিনি ‘অমরত্ব’ অর্জন করবেন, এটাই ছিল তার ভাবনা।

মৃত্যুর আগে সু সেই ‘করাত’টিকে দেখতে চান, যা দিয়ে তাকে খণ্ড খণ্ড করা হবে। সেই ‘ফ্রিজ’টিকেও তিনি দেখতে চান, যেখানে তার দেহ রাখা হবে। তার এই ইচ্ছাপূরণ করেন গবেষকরা।

সূত্র: এবেলা

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: