মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
অবশেষে বাড়ছে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স  » «   টানা দুই সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলে ঝুঁকিতে পড়বে নিবন্ধন: ইসি  » «   সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করুন: বিশ্বনেতাদের প্রধানমন্ত্রী  » «   আসামের নাগরিক তালিকা সংশোধন শুরু, চলবে দুই মাস  » «   শিক্ষার উন্নয়নে মুনাফার মানসিকতা ত্যাগের আহ্বান শেখ হাসিনার  » «   ভারতে ‘গণেশ’ বিসর্জন দিতে গিয়ে ১৮ জনের মৃত্যু  » «   পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে চান ভারতীয় সেনাপ্রধান  » «   প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটের ক্রুর মাদক সেবন  » «   কাশ্মীরে বিদ্রোহীদের টার্গেট এখন পুলিশ  » «   রোহিঙ্গাদের জন্য ১৩শ কোটি টাকার মার্কিন সহায়তার ঘোষণা  » «   ট্রাক চাপায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ৫  » «   দুর্নীতির প্রমাণ পেলেই সিনহার বিরুদ্ধে মামলা হবে: দুদক চেয়ারম্যান  » «   মানব পাচারের ঝুঁকি বেড়েই চলেছে: জাতিসংঘে প্রতিমন্ত্রী  » «   আরপিও সংশোধন: সরকারের দিকে তাকিয়ে ইসি  » «   রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর ৩ প্রস্তাব  » «  

যেভাবে শুধরে নিবেন আবেগে ভুল করা বিষয়গুলো



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: আমাদের মধ্যে এমন কিছু মানুষ থাকে যারা হুটহাট কাজ করে বসেন। যা মনে আসে তাই বলে দেন। যা দেখে ভালো লাগে তাই কেনেন। প্রেমে পাগল হয়ে সব ছেড়েছুড়ে তার জন্য অসাধ্য সাধন করেন।এ সবকিছু আসে মূলত অতিরিক্ত আবেগ থেকে।এমন নাছোড় আবেগের বশে পড়ে অনেকের বড় বড় ক্ষতি হয়েছে তা বলার অপেক্ষা থাকে না।আবেগে ভুল করা বিষয়গুলো শুধরে নেওয়ার উপায়গুলো হলো:

কাজের আগে সময় নেওয়া: অতিরিক্ত আবেগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার প্রথম ধাপ হল কিছু করে ফেলার আগে একটু সময় নেওয়া। কোনও ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কিছু করে ফেলার তীব্র আবেগ জাগামাত্র থেমে যান। ঠিক করুন,এই মুহূর্তে কিছু বলবেন না বা করবেন না। ঘটনার মধ্যে থাকুন৷ দেখুন কী ঘটছে,কে কী বলছেন৷ কিন্তু নিজের মুখে কুলুপ লাগিয়ে দিন৷ হাবভাব ও মুখের চেহারাও যথাসম্ভব স্বাভাবিক রাখুন৷

ভাল করে ভেবে দেখুন: যে কোনও আবেগই কিন্তু সময়ের সঙ্গে কেটে যায়। নতুন আবেগ পুরনোর জায়গা নেয়। যা কাটে না তা হল ঝোঁকের মাথায় বলে ফেলা কথা বা ভুল কাজ। নিজেকে একটু সময় দিলে এই সব ভুলের হাত থেকে বাঁচতে পারবেন।

ধৈর্য ধারণ করা: ধৈর্য কম হলে এ রকম পরিস্থিতিতে কিছু না করে চুপ করে বসে থাকা খুব কঠিন৷ কাজেই কী করে ধৈর্য বাড়াবেন তা নিয়েও ভাবনা–চিন্তা করুন। ধৈর্যশীল মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা করলে কিছুটা কাজ হতে পারে।

অস্থিরতা না কাটা পর্যন্ত মতামত না দেওয়া: রাগ, দুঃখ ও অভিমানের ধাক্কা সহ্য করা এক ধরনের মানসিক ব্যায়াম। প্রথমে কষ্ট হয়। কিন্তু চালিয়ে গেলে আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে যায়। কাজেই পরিস্থিতি যত বিরূপই হোক, আপনি চুপ করে থাকুন, কিংবা দু’ চার কথায় বিষয়টা বুঝে নিন। কিন্তু অস্থিরতা কাটার আগে পর্যন্ত মতামত দেবেন না৷ সিদ্ধান্ত নেবেন না।

মন ঘুরিয়ে নেওয়া: অস্থিরতা অসহ্য হলে মন ঘোরাতে হবে৷ ভিজ্যুয়াল ইমেজারি এবং সুইচ অফ–সুইচ অন অভ্যাস করুন। অর্থাৎ অশান্তির বিষয়টা নিয়ে ভাবা বন্ধ করে অন্য কোনও বিষয় নিয়ে ভাবা শুরু করুন। মন ঘোরাতে ব্যায়াম করা বা আড্ডা মারা চলতে পারে৷ বই পড়তেও পারেন৷ গান শুনতে পারেন। অর্থাৎ মন ঘোরাতে যা ইচ্ছে তাই করুন। শুধু সেই মুহূর্তে রিঅ্যাক্ট করবেন না।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: