শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপির বিরুদ্ধে গায়েবি মামলার প্রমাণ নেই : আমু  » «   অংশ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ইইউ  » «   কমলগঞ্জে ট্রাক চাপায় তরুণী নিহত,চালক পালাতক  » «   বি. চৌধুরীর চায়ের দাওয়াতে যাচ্ছে ন্যাপ–এনডিপি  » «   নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: ইসি সচিব  » «   ঈশ্বর, মৃত্যু-পরবর্তী জীবন ও স্বর্গ নিয়ে যা ভাবতেন স্টিফেন হকিং  » «   আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শোক  » «   সাম্প্রদায়িক সম্প্রতির দৃষ্টান্ত: এক উঠোনে মসজিদ-মন্দির  » «   খাশোগি হত্যা: যুক্তরাষ্ট্রকে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা দিল সৌদি  » «   দুর্গাপূজা যেভাবে হলো হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব  » «   সিলেটে ফোনে কথা বলা অবস্থায় যুবকের হঠাৎ মৃত্যু  » «   ইরান কখনো পরমাণু বোমা বানাবে না: রুহানি  » «   সিলেটে সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  » «   বাংলাদেশে আরো সৌদি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী  » «   কানাডায় প্রকাশ্যে গাঁজা বিক্রি শুরু, ক্রেতাদের ভিড়  » «  

যেভাবে কাটাবেন শিশুর স্মার্টফোন আসক্তি



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: সোশ্যাল সাইট,নানা রকম অ্যাপস আর গেইমে এখন স্মার্টফোন ভরে গেছে।আর এই কারণে বাচ্চাদের স্মার্টফোন থেকে দূরে রাখা যায় না।তারাও সমানভাবেই স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকতে ভালোবাসে। বর্তমানে টিভির পরিবর্তে ইউটিউবেই কার্টুন দেখে নেয় তারা।

চিকিৎসকদের মতে,এই প্রবণতা থেকে একাধিক রোগ সৃষ্টি হতে পারে শিশু শরীরে।খেলাধুলার না করে স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে হঠাৎ করে মোটা হয়ে যায় বাচ্চারা।

এছাড়া চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া, মাথা ব্যথা, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে তাদের।এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি দিতে তাই স্মার্টফোন থেকে শিশুদের দূরে রাখারই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

শিশুদের বই,খেলাধুলা নিয়ে ব্যস্ত রাখতে হবে তাদের।শিশুকে সারাদিনে এক-দুই ঘণ্টার বেশি স্মার্টফোন ব্যবহার করতে না দেয়াই ভাল।২০ মিনিট স্মার্টফোন ব্যবহারের পর শিশুদের ২০ সেকেন্ড চোখের পাতা খোলা ও বন্ধ করারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছোট থেকেই অনেক সময় স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে অন্ধত্বের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে বলে বলছেন চিকিৎসকরা।তবে জোর করে নয়, শিশুকে বুঝিয়ে স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত রাখুন। স্মার্টফোন ব্যবহার ভাল খারাপ দিক গুলো ভাল করে বুঝিয়ে বলুন তাকে।

শিশুকে একা রাখা যাবে না। সময় পেলে বিকালে তাকে নিয়ে খেলতে বের হতে হবে। এছাড়া ঘুমের উপর সবচেয়ে প্রভাব ফেলে স্মার্টফোন। তাই শোয়ার ঘরে ফোন না নিয়ে বরং ঘুমাতে যাওয়ার আগে বাচ্চার সঙ্গে গল্প করুন।

রূপকথার কাহিনি বা তার স্কুলে বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে আলোচনা করুন। তাহলে দেখবেন আস্তে আস্তে সে স্মার্টফোনের কথা ভুলে যাবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: