মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ ফাল্গুন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপ থেকে ইভিএম: ইসি সচিব  » «   হজ পালনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি হিজড়াদের  » «   সব বাধা উপেক্ষা করে গণশুনানি করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  » «   অভিজিৎ হত্যা: অব্যাহতি পাচ্ছেন সাতজন, আসামি ছয়  » «   অনুমোদিত ৩টি ব্যাংক সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না অর্থমন্ত্রী  » «   ডাস্টবিনে নেমে ১৫০০ শিক্ষার্থীকে বাঁচানোর আহ্বান  » «   একাদশ সংসদের এমপিদের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ  » «   শামীমাকে যা বুঝিয়ে সিরিয়ায় নিয়ে গিয়েছিল আইএস  » «   নিজেই গাড়ি চালিয়ে যুবরাজকে বাসভবনে নিয়ে গেলেন ইমরান খান  » «   আরব আমিরাত ও বাংলাদেশর মধ্যে ৪টি সমঝোতা স্মারক সই  » «   সংঘর্ষ চলছে, পুলওয়ামা হামলার মূল হোতা নিহত  » «   এক দিন বাড়ল দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা, আখেরি মোনাজাত মঙ্গলবার  » «   শুধুমাত্র আইন দিয়ে দুর্নীতি দমন করা যায় না: আইনমন্ত্রী  » «   জামায়াতের সবারই রাজ্জাকের মতো ভুল ভাঙা উচিত: ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ  » «   সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জা‌নি‌য়ে মোদিকে শেখ হাসিনার বার্তা  » «  

যেভাবে কাটাবেন শিশুর স্মার্টফোন আসক্তি



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: সোশ্যাল সাইট,নানা রকম অ্যাপস আর গেইমে এখন স্মার্টফোন ভরে গেছে।আর এই কারণে বাচ্চাদের স্মার্টফোন থেকে দূরে রাখা যায় না।তারাও সমানভাবেই স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকতে ভালোবাসে। বর্তমানে টিভির পরিবর্তে ইউটিউবেই কার্টুন দেখে নেয় তারা।

চিকিৎসকদের মতে,এই প্রবণতা থেকে একাধিক রোগ সৃষ্টি হতে পারে শিশু শরীরে।খেলাধুলার না করে স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে হঠাৎ করে মোটা হয়ে যায় বাচ্চারা।

এছাড়া চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়া, মাথা ব্যথা, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে তাদের।এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি দিতে তাই স্মার্টফোন থেকে শিশুদের দূরে রাখারই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

শিশুদের বই,খেলাধুলা নিয়ে ব্যস্ত রাখতে হবে তাদের।শিশুকে সারাদিনে এক-দুই ঘণ্টার বেশি স্মার্টফোন ব্যবহার করতে না দেয়াই ভাল।২০ মিনিট স্মার্টফোন ব্যবহারের পর শিশুদের ২০ সেকেন্ড চোখের পাতা খোলা ও বন্ধ করারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ছোট থেকেই অনেক সময় স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে অন্ধত্বের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে বলে বলছেন চিকিৎসকরা।তবে জোর করে নয়, শিশুকে বুঝিয়ে স্মার্টফোন ব্যবহার থেকে বিরত রাখুন। স্মার্টফোন ব্যবহার ভাল খারাপ দিক গুলো ভাল করে বুঝিয়ে বলুন তাকে।

শিশুকে একা রাখা যাবে না। সময় পেলে বিকালে তাকে নিয়ে খেলতে বের হতে হবে। এছাড়া ঘুমের উপর সবচেয়ে প্রভাব ফেলে স্মার্টফোন। তাই শোয়ার ঘরে ফোন না নিয়ে বরং ঘুমাতে যাওয়ার আগে বাচ্চার সঙ্গে গল্প করুন।

রূপকথার কাহিনি বা তার স্কুলে বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে আলোচনা করুন। তাহলে দেখবেন আস্তে আস্তে সে স্মার্টফোনের কথা ভুলে যাবে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: