রবিবার, ২৪ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লাগামহীনভাবে বাড়ছে দ্রব্যমূল্য: রমজানপূর্ব মজুদদারিতে কারসাজি  » «   সন্ত্রাস ও হিংসা মোকাবেলায় একসঙ্গে কাজ করতে পাকিস্তানকে আহ্বান মোদির  » «   সংসদে লুকিয়ে চকলেট খেয়ে ক্ষমা চাইলেন ট্রুডো!  » «   নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে অন্যরকম সম্মান দেখালো আরব আমিরাত  » «   ‘ইসলাম গ্রহণ করবেন ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট’  » «   শাহজালাল বিমানবন্দরে ময়লার ঝুড়ি থেকে ১৬ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার  » «   ভারতে লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রথম তালিকা ঘোষণা করলো বিজেপি  » «   সিলেটে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল সিলসিলার ম্যানেজারের  » «   নিজের চেয়ার ছেড়ে জহিরুলের পাশে এসে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «  

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: কে জিতবেন ট্রাম্প, না ওবামা?



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন শেষ হয়েছে মঙ্গলবার। এ নির্বাচনের প্রচারণাতেই যথেষ্ট উত্তাপ ছড়িয়েছে নানা ইস্যু। নির্বাচনে নিজের দল ডেমোক্র্যাটদের জেতাতে মাঠে নেমেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও। তবে ভোট গণনায় কারা থাকছেন চালকের আসনে তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

সাধারণতঃ যুক্তরাষ্ট্রে যে দল ক্ষমতায় থাকে মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে তাদের আসন কমে যায়।তাই ফলপ্রকাশের পর প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘শাসক দলের বিরুদ্ধে গণভোট হিসেবে এই নির্বাচনকে দেখা যাবে না।’ আর গৎবাঁধা বুলি আওড়িয়ে বিরোধী দল বলে, ‘এই জয় শাসক দলের বিরুদ্ধে আমেরিকার মানুষের জয়।’

এই দেশের সংবিধানের অন্যতম ভিত্তি হচ্ছে ‘চেকস অ্যান্ড ব্যালেন্সেস’। সরকার ঠিক মতো কাজ করছে কি না, যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা ক্ষমতায় এসেছিল তা পালন করছে কি না, দু’বছরের মাথায় এ সব খতিয়ে দেখে মতামত জানান মার্কিন ভোটদাতারা। যদি কোনও মধ্যবর্তী নির্বাচনে, চেনা ছকের বাইরে দিয়ে, শাসক দলই কংগ্রেসে বেশি আসন জেতে, তা হলে তা প্রেসিডেন্টের সমর্থনে বিপুল গণভোট বলেই গণ্য করা হয়।

এ বারের মধ্যবর্তী নির্বাচন ছক মানবে না ছক ভাঙবে, তা জানতে আরও কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।যুক্তরাষ্ট্রের সময় বুধবার সকাল ৮টা (বাংলাদেশ সময় বুধবার সন্ধে সাড়ে ৬টা) থেকে ফলাফল জানা যাবে। তবে তার বেশ কিছুক্ষণ আগে থেকেই শুরু হবে বুথ-ফেরত সমীক্ষা।

তবে একটা কথা ইতিমধ্যেই ভোটদাতারা বুঝে গিয়েছেন— এই বুথ-ফেরত সমীক্ষাকে ‘ঈশ্বরের বাণী’ না ভাবাই ভাল। ২০১৬-র প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে, এ ধরনের সমীক্ষার উপর বিশেষ ভরসা করা যায় না। কারণ, সে বার প্রায় কোনও সমীক্ষার ফলাফলই বাস্তবের সঙ্গে মেলেনি। এ বারও নানাবিধ সমীক্ষা হচ্ছে, কিন্তু যারা এই সমীক্ষা চালাচ্ছেন, তারাও অতি সন্তর্পণে পা ফেলে চলছেন।

এতদিন সমীক্ষা করার সময়ে কিছু সহজ সমীকরণকে হাতিয়ার করতেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। সেই সমীকরণটা হচ্ছে নতুন ভোটদাতাদের সংখ্যা অনেক বেশি হলে ডেমোক্র্যাটদের পোয়াবারো, কারণ বেশির ভাগ নতুন ভোটদাতা ডেমোক্র্যাটদেরই ভোট দেন।

অন্যদিকে এবার শহরতলির ভোটার অনেক বেশি এবং এসব ভোটাররা সাধারণত রিপাবলিকানদের ভোট দেন। তাই এ ধরনের সমীকরণের ফাঁদে চট করে পড়তে চাইছেন না পর্যবেক্ষকরা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: