বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পাবনায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক-এ কমর্রত কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডারদের অবস্থান কর্মসূচী পালন  » «   আল-আকসা সংস্কারে ইসরাইলের নিষেধাজ্ঞা!  » «   ঢাবি অধিভুক্ত ৭ কলেজের মানববন্ধন ১৮ জানুয়ারি  » «   এক সপ্তাহেও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ পরীক্ষার্থী বাপ্পীর  » «   উজানের দেশ সমূহ হতে বাংলাদেশে মোট ৫৭ টি নদী প্রবাহিত  » «   নরসিংদীতে অটোরিকশা চালকের লাশ উদ্ধার  » «   এ দেশে কোনো দস্যুতা চলবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   স্কুল ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠালো শিক্ষক  » «   হবিগঞ্জের স্কুল পরিদর্শনে কোরিয়ার প্রতিনিধি দল  » «   সড়কে পড়ে গিয়ে যা বললেন আইভী!  » «   বেসরকারি হাসপাতালে চলছে নৈরাজ্য!  » «   নীলফামারীতে নকল সার উদ্ধার, ২০ হাজার টাকা জরিমানা  » «   সিলেটে বোলারদের দাপট  » «   ৩ লাখ ৫৯ হাজার ২৬১ সরকারি পদ শূন্য  » «   ডাকসু নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায় বুধবার  » «  

মেয়েকে দিয়েই অন্য মেয়েদের ফাঁদে ফেলতেন এই বাবা!



নিউজ ডেস্ক::রমরমা ব্যবসা খুলে বসেছিল এই বাবা-মেয়ে। নিজের মেয়েকে দিয়েই অন্য মেয়েদের ফাঁদে ফেলতেন এক ব্যক্তি। মেয়ের সঙ্গে অন্য মেয়েদের বান্ধবী পাতিয়ে বাড়িতে নিয়ে আসতেন। তারপর তাদের ধর্ষণ করা হতো। ধর্ষণের সময় করা ভিডিওগুলো প্রকাশের হুমকি দিয়ে ওই মেয়েদের করা হতো ব্ল্যাকমেইল।

ঘটনাটি ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনানগর এলাকার। তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁরা।

সংবাদমাধ্যম টাইমস নাওয়ের খবরে বলা হয়, ধর্ষণের ভিডিও ধারণের পর ব্ল্যাকমেইল করা হতো ওই নারীদের। কারো কাছে চাওয়া হতো অর্থ। অনেককেই বাধ্য করা হতো পতিতাবৃত্তিতে।

তবে সম্প্রতি ব্ল্যাকমেইলের অর্থ দিতে বেঁকে বসেন বাবা-মেয়ের অপকর্মের শিকার এক নারী। অর্থ চাইতেই সরাসরি পুলিশের কাছে যান তিনি। তাঁর অভিযোগের জের ধরে গ্রেপ্তার করা হয় দুজনকে।

পুলিশকে ওই নারী জানান, ওই বাবা ও মেয়ে প্রথমে বিভিন্ন নারীর সম্পর্কে বিস্তারিত ঘেঁটে দেখেন। ধনী-গরিব সবাইকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করেন তাঁরা। কোনো নারী তাঁদের পাতা জালে পড়লেই প্রথমে ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে পতিতাবৃত্তির জন্য জোর করা হয়। তাতে রাজি না হলে চাওয়া হয় অর্থ।

ওই নারী আরো জানান, তাঁকে খাবারের সঙ্গে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে অচেতন করা হয়। তারপর তাঁকে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা হয়। বিষয়টি জানতে পেয়ে প্রথমে ভয় পেয়ে যান তিনি। বাবা-মেয়ের কথামতো পরিশোধ করেন ১০ হাজার রুপি। কিন্তু পরে আবার অর্থ চাওয়া হয়। তখনই পুলিশের শরণাপন্ন হন তিনি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: