শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «   সহকর্মীর হাতে খুন হলেন তিন ভারতীয় সেনা  » «   মসজিদে হামলাধারী ব্রেন্টন আইএস থেকে ভিন্ন কিছু নয়: এরদোগান  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   গ্যাসের দাম ১৩২% বৃদ্ধির প্রস্তাব হাস্যকর  » «   মেয়রের আশ্বাসে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত  » «   দরিদ্র বলে এদেশে কিছু থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী  » «   এক সপ্তাহের মধ্যে আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ  » «   গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি ওমরের মুখে মসজিদে হামলার লোমহর্ষক বর্ননা…  » «   আজ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী,আ. লীগের শ্রদ্ধা  » «  

মেডিকেলের ডাস্টবিনে শিশুসহ ২৬ মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ



নিউজ ডেস্ক:: বরিশাল শেরে বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পশ্চিম পার্শ্বের ড্রেন ও ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে শিশু ও মানবদেহের সংরক্ষিত বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ।সোমবার রাত ৮টায় জরুরি বিভাগের পশ্চিম পার্শ্বের পানির ট্যাঙ্ক-সংলগ্ন ড্রেনে বোতলজাত একটি অপরিপক্ক শিশুর দেহ উদ্ধারের পর একে একে পাওয়া যায় শিশুসহ ২৬টি মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, যার অধিকাংশই ছিল বোতলজাত।

হাসপাতালের পরিচালক ডা. বাকির হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ওই অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও শিশুর দেহ কলেজের গাইনি বিভাগের ল্যাবে রাখা ছিল। বহু পুরনো হওয়ায় সেগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় তা মাটিতে না পুঁতে ড্রেনে ফেলা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী মাটিতে না পুঁতে কেন ড্রেনে ফেলা হলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হাসপাতাল ক্যাম্পাস থেকে প্রত্যক্ষদর্শী খান আব্বাস জানান, সোমবার রাত ৮টায় সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন বিভাগের লোকজন হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ময়লা অপসারণ করতে গেলে জরুরি বিভাগ-সংলগ্ন পানির ট্যাঙ্কের নিচ থেকে খোলা এবং বোতলজাত অবস্থায় অপরিপক্ক শিশু এবং মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পায়। এ ঘটনা জানাজানি হলে পুরো হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। শত শত মানুষ সেখানে ভিড় করেন।

অপর এক প্রত্যক্ষদর্শী জহিরুল ইসলাম জানান, কিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ড্রেন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে অধিকাংশই পাওয়া গেছে পানির ট্যাঙ্কের নিচে ডাস্টবিনে।

এ ব্যাপারে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বাকির হোসেন বলেন, কলেজের গাইনি বিভাগের ল্যাবরেটরিতে অপ্রাপ্ত বয়স্ক শিশু এবং মানবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংরক্ষিত থাকে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শেখানোর জন্য এগুলো ব্যবহার হয়।

পরিচালক বলেন, যেগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে সেগুলো নিয়ম অনুযায়ী মাটিতে পুঁতে ফেলতে হয়। কিন্তু গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. খুরশিদ জাহানের নির্দেশে ওই বিভাগের চতুর্থ শ্রেণির নারী কর্মচারীরা অব্যবহৃত শিশু ও মানবদেহের অঙ্গগুলো মাটিতে না পুঁতে ড্রেন ও ডাস্টবিনে ফেলেছে, যা মোটেই ঠিক হয়নি।

অধ্যাপক ডা. বাকির জানান, বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতির সৃষ্টি ও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কেন তা ঘটল, তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসপাতাল পরিচালক অবশ্য দাবি করেছেন, অপরিপক্ক শিশু ও মানবদেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সব বোতলজাত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: