শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
এসএসসি ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি, নির্বিকার প্রশাসন  » «   স্টেশন মাস্টারের ভুলে ৮ বগি লাইনচ্যুত, উত্তরবঙ্গে রেল-সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন  » «   বিন লাদেনকে পাকিস্তানের হিরো বললেন পারভেজ মোশাররফ  » «   রোববার প্রাথমিক-ইবতেদায়ী সমাপনী শুরু, পরীক্ষার্থী কমেছে  » «   ধড়পাকড়ে স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন, ফিরলেন আরও ২১৫ কর্মী  » «   বাবরি মসজিদ ইস্যু: সিলেটে শুক্রবার বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম  » «   খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে ১৪০১ পৃষ্ঠার আপিল আবেদন  » «   ব্রিটেনে বিতর্কিত টু চাইল্ড লিমিট আইন বাতিলের আবেদন  » «   পিকেএসএফ উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী  » «   মির্জা ফখরুলের বিরুদ্ধে মামলা করলেন বিএনপির ২ নেতা  » «   লন্ডন-আমেরিকার চাইতেও বাংলাদেশে পেঁয়াজের দাম বেশী  » «   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আগুন  » «   ধাপে ধাপে জরিমানা নেবে ট্রাফিক পুলিশ  » «   আগামীকাল থেকে আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে ওয়াজ মাহফিল শুরু  » «   ঘরের ছেলে ঘরে ফিরেছে: ইনাম চৌধুরী প্রসঙ্গে মিসবাহ সিরাজ  » «  

মৃত বাবাকে নিয়মিত মেসেজ, উত্তর এলো ৪ বছর পর!



নিউজ ডেস্ক:: বাবা-মা হচ্ছে ছায়ার মতো। বাবা-মা বেঁচে না থাকলেই কেবল বোঝা যায় কী হারিয়েছেন। দক্ষিণ আমেরিকার আর্কানসাস এলাকার নিউপোর্টের বাসিন্দা বছর তেইশের চেস্টিটি প্যাটারসন দুর্ঘটনায় বাবাকে হারান। বাবার মৃত্যুতে এক অসীম শূন্যতা তৈরি করেছিল তার মনে।

জীবনযুদ্ধ যেন আরও বেশি কঠিন হয়েছিল তার জন্য। সেই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে উত্তর পাওয়া অসম্ভব জেনেও প্রতিদিন বাবার নম্বরে মেসেজ করতেন চেস্টিটি। তার সেখানেই ঘটল মিরাকল। অজান্তেই এক বাবার ভরসা হয়ে উঠলেন তরুণী।

বাবার মৃত্যুর পর চার বছর ধরে প্রতিদিন বাবাকে মেসেজ পাঠিয়েছেন চেস্টিটি। এই কষ্ট তিনি কারও সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারেননি। যেদিন ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সুস্থ হয়ে উঠলেন চেস্টিটি, সেদিন আরও দীর্ঘ হয়েছিল বাবার উদ্দেশ্যে লেখা তার মনের কথা।

চেস্টিটি লিখেছিলেন- চার বছর হয়ে গেল- তুমি নেই। তবে এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আমি তোমাকে মিস করি না। তোমাকে যখন আমায় সবচেয়ে দরকার ছিল, তখন তোমার পাশে থাকতে পারিনি, আমি সরি! কিন্তু একদিন নিশ্চয় আমরা একসঙ্গে বসে আমাদের ফেভারিট ম্যাচ দেখার সুযোগ পাব।

একদিন আচমকাই বাবার নম্বর থেকে মেসেজ পেলেন তরুণী। বিস্ময় ভরা চোখে মেসেজটি খোলেন চেস্টিনি। সেখানে লেখা ছিল- আমি ব্র্যাড। নাহ আমি তোমার বাবা নই। কিন্তু শেষ চার বছরে প্রতিদিন তোমার পাঠানো মেসেজ আমার কাছে এসেছে।

২০১৪ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় আমার একমাত্র মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এর পর তোমার মেসেজই আমায় বেঁচে থাকতে সাহায্য করেছে। তোমার মেসেজ পেলে মনে হয় আল্লাহর বার্তা।’

প্রথমে নিজেও কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি চেস্টিনি। কিন্তু তার পাঠানো মেসেজ যে এক বাবার বেঁচে থাকার রসদ হতে পারে তা ভেবেই এক অদ্ভুত অনুভূতি হয়েছে তার।

অপরিচিত দুই বাবা-মেয়ের কথোপকথন সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে আবেগে ভেসে গেছেন নেটিজেনরা।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: