শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ চৈত্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
ফ্রান্সে টানা চতুর্থদিন মৃত্যুর রেকর্ড, ৪ হাজার ছাড়াল প্রাণহানি  » «   সিঙ্গাপুরে আরও ১০ বাংলাদেশি করোনায় আক্রান্ত  » «   মিশিগানের হাসপাতালে আর রোগী রাখার জায়গা নেই  » «   ৩ হাসপাতাল ঘুরে চিকিৎসা না পেয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু  » «   যুক্তরাজ্যে ১ দিনে ৫৬২ জনের মৃত্যু  » «   ক্লিনিকে ডাক্তার নেই, ফিরে যাচ্ছেন রোগীরা  » «   ৩ হাজার হাজতিকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার  » «   সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকার ঘোষণা বিদেশি ক্রেতাদের  » «   সিলেটে ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বার বন্ধ, ফার্মেসিতেই চিকিৎসা  » «   ৯ এপ্রিল পবিত্র শবে বরাত  » «   এবার স্পেনও ছাড়ালো চীনকে, ২৪ ঘণ্টায় ৭৩৮ মৃত্যু  » «   সিলেট বিভাগে বৃহস্পতিবার থেকে গণপরিবহন বন্ধ  » «   করোনা মোকাবিলায় দেশে দেশে লকডাউন  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি, করোনা বদলে দিচ্ছে রাজনীতি  » «   খালেদার মুক্তির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল যুক্তরাষ্ট্র  » «  

মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান নিতে চান না মুক্তিযোদ্ধা, ডিসিকে চিঠি



নিউজ ডেস্ক:: মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের ভুঁইয়া। এজন্য তিনি জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদনও করেছেন। ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করায় তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

আবেদনের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের এই মুক্তিযোদ্ধা। ১৬ নভেম্বর ডাকযোগে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদনটি পাঠিয়েছেন তিনি। জানা গেছে, আবুল খায়ের উপজেলা সদরের মুন্সীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। মুক্তিযুদ্ধে ৬ নং সেক্টরে অধীনে একটি কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর তার নেতৃত্বে সম্মুখ যুদ্ধে হানাদার বাহিনীকে বিতাড়িত করে দেবীগঞ্জ মুক্ত হয়।

লিখিত আবেদনে আবুল খায়ের বলেছেন, দেবীগঞ্জ উপজেলায় ১৬৪ জন মুক্তিযোদ্ধা আছেন। এর মধ্যে ৪৩ জনই ভুয়া। ২০১২ সাল থেকে এই ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী, দুর্নীতি দমন কমিশন, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেও কোনো প্রতিকার পাননি।

বহু আন্দোলন সংগ্রামের পর তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমানের সহযোগিতায় ২০০৯ সালে প্রথম দেবীগঞ্জ মুক্ত দিবস পালন হয়। ২০১৬ সাল পর্যন্ত তার নেতৃত্বে দেবীগঞ্জ মুক্ত দিবস পালিত হয়। এরপর থেকে মূল উদ্যোক্তাকে অবমূল্যায়ন করে নামধারী মুক্তিযোদ্ধারা নামমাত্র অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেবীগঞ্জ মুক্ত দিবস পালন করছে।

তিনি বলেন, যেখানে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের দাপটে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা জিম্মি, সেখানে মৃত্যুর পর একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার দাফন কাফনে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেবেন, এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। তাই মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রত্যাখ্যান করছি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে বলেন, মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান চান না বলে আবেদন করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: