শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা  » «   সীমান্তের খালে মিয়ানমারের সেতু, বন্যার আশঙ্কা বাংলাদেশে  » «   দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠাবে বাংলাদেশ: শাবিতে পরিকল্পনামন্ত্রী  » «   আতিয়া মহল মামলা: ৫ দিনের রিমান্ডে ৩ আসামি  » «   শেখ হাসিনা হত্যাচেষ্টা মামলা: হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু  » «   টিআইবির রিপোর্টে সরকার ও ইসির আঁতে ঘা লেগেছে: বিএনপি  » «   মাফিয়াদের স্বর্গরাজ্যে দশ বাংলাদেশির অনন্য সাহসিকতার নজির  » «   ১৪ দলের শরিকদের বিরোধী দলে থাকাই ভালো: ওবায়দুল কাদের  » «   সন্ত্রাস-মাদক-জঙ্গিবাদের মতো দুর্নীতির বিরুদ্ধেও ‘জিরো টলারেন্স’ : প্রধানমন্ত্রী  » «   সংসদ সদস্যদের শপথের বৈধতা নিয়ে রিট খারিজ  » «   কৃত্রিম কিডনি তৈরি করলেন বাঙালি বিজ্ঞানী  » «   ব্রেক্সিট ইস্যু: অনাস্থা ভোটে টিকে গেলেন তেরেসা মে  » «   টিআইবির প্রতিবেদন গ্রহণযোগ্য নয়, পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করি: সিইসি  » «   জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে অফিস করছেন শেখ হাসিনা  » «   সংসদ কার্যকর রাখতেই বিরোধী দলে জাপা : জিএম কাদের  » «  

মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে ঐশীর যাবজ্জীবন



নিউজ ডেস্ক:: নিজ পিতা-মাতাকে হত্যার দায়ে কন্যা ঐশী রহমানকে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। তার মানসিক অসুস্থতা, মাদকাসক্ত, পারিবারিক ইতিহাস, সর্বোপরি বয়স বিবেচনা করে হাইকোর্ট এ রায় দেয়।
বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ আজ সোমবার এ রায় দেয়।
গত ৭ মে হাইকোর্ট উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি গ্রহণ করে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখে। এরপরই মামলাটি রায়ের জন্য কার্যতালিকায় আনা হয়।
স্ত্রী, দুই সন্তান ও শিশু গৃহকর্মীকে নিয়ে মালিবাগের চামেলীবাগের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন পুলিশের বিশেষ শাখার (রাজনৈতিক) পরিদর্শক মাহফুজুর রহমান। ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট ওই বাসা থেকেই তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ ঘটনায় দায়ের করা হয় হত্যা মামলা। ওই চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর ঢাকার তিন নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ রায় দেন। রায়ে পিতা-মাতাকে হত্যার দায়ে ঐশীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়। এছাড়া তাকে আশ্রয় দেওয়ায় তার বন্ধু মিজানুর রহমান রনিকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে ঐশীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ নিশ্চিতকরণের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে আসে। পাশাপাশি কারাদণ্ডাদেশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন ঐশী।
গত ১২ মার্চ এই ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি হাইকোর্টে শুরু হয়। মোট ১৩ কার্যদিবস এই শুনানি চলে। শুনানির এক পর্যায়ে ঐশীকে হাইকোর্টে হাজির করে তার মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন দুই বিচারক।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: