রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নেতাদের শাসালেন শেখ হাসিনা  » «   যমুনা নদীতে বিলীন হচ্ছে বসত বাড়ি, দেখার কেউ নেই!  » «   নতুন চলচ্চিত্রের জন্য ইরানে অনন্ত  » «   নেইমারের জার্সি গায়ে অপু ও জয়  » «   সিসিক নির্বাচন: আ.লীগ মেয়র প্রার্থী হলেন কামরান  » «   বাসায় ঢুকে অভিনেত্রীকে শ্লীলতাহানি!  » «   আর্জেন্টিনার হার, বেরিয়ে এলো বিস্ফোরক তথ্য!  » «   দুর্ঘটনা সড়কে মৃত্যুর মিছিল, নিহত ৩০, আহত ৪৭  » «   ‘নির্বাচনে জয়ী হতে গিয়ে যেন দলের বদনাম না হয়’  » «   হাসপাতালে পরীমনি  » «   আর্জেন্টিনার হার, ‘সুইসাইড নোট’ লিখে নিখোঁজ মেসি ভক্ত  » «   সাপাহারে ট্রাক ও ভ্যানের মুখো-মুখি সংঘর্ষে নিহত-২  » «   দুর্ঘটনার দিন ঢাকাতেই ছিলাম না’  » «   ভক্তদের হতাশ করেনি ব্রাজিল : অতিরিক্ত সময়ই বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখল নেইমারদের  » «   হাসপাতালের এক্সরে রুমে রোগীর মাকে ধর্ষণের চেষ্টা!  » «  

‘মুঝে মাফ কার দো’



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: স্বঘোষিত আধ্যাত্মিক ধর্মগুরু রাম রহিম সিংকে আদালতে বিচারক যখন ১০ বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা করেন তখন কান্নায় ভেঙে পড়েন এই ধর্ষক। এসময় আদালতের কাছে প্রার্থনা করে হিন্দিতে বলেন, ‘মুঝে মাফ কার দো’ (আমাকে ক্ষমা করে দিন)। সোমবার হরিয়ানার রোহতকে সুনারিয়া কারাগারে আধ্যাত্মিক এই ধর্মগুরুকে ধর্ষণের অভিযোগে ১০ বছরের দণ্ড দেন আদালত।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আদালত রায় ঘোষণা করার পর গুরমিত রাম রহিম সিং আদালত কক্ষ ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান। আদালত কক্ষে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এসময় শাস্তি কমিয়ে আনতে হাতজোড় করে প্রার্থনা জানান তিনি।
গত শুক্রবার একই বিচারকের আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন ভারতের প্রভাবশালী এই ধর্মগুরু। তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার পর ভক্তদের দাঙ্গা ও সহিংসতার আশঙ্কায় রোহতকের সুনারিয়া কারাগারে বিশেষ অাদালত বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ডেরা সাচ্চা সওদার প্রধান রাম রহিম সিং ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর এই কারাগারেই বন্দি আছেন।
বহুল প্রতীক্ষিত এই মামলার রায় ঘোষণা করতে স্থানীয় সময় দুপুর দুইটা ১৬ মিনিটে সিবিআই’র বিচারপতি জগদ্বীপ সিং রোহতকের সুনারিয়া কারাগারে পৌঁছান। বার্তাসংস্থা এএনআই বলছে, রায় শুনতে দুপুর ১ টা ৫৬ মিনিটে কারাগারে পৌঁছান ধর্মগুরু রাম রহিমের আইনজীবী এসকে নরওয়ানা।
পরে দুই পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের জন্য ১০ মিনিটের সময় পান। এসময় ধর্মগুরু রহিমের আইনজীবীরা আদালতের কাছে বলেন, রাম রহিম সিং একজন সমাজকর্মী। তিনি মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। সুতরাং এ ব্যাপারটি বিবেচনা করে রায় দেয়া উচিত। এসময় বাদীপক্ষের আইনজীবীরা রাম রহিমের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
যুক্তি তর্ক উপস্থাপন শেষে সিবিআই’র বিশেষ আদালতের বিচারক জগদ্বীপ সিং ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাম রহিমকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন।
৫০ বছর বয়সী স্বঘোষিত এই ধর্মগুরুর ভারত এবং ভারতের বাইরে অন্তত ৬ কোটি ভক্ত আছে। ২০০২ সালে দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ীর কাছে এক তরুণী চিঠি লেখেন। চিঠিতে গুরু রাম রহিমের আস্তানায় ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। ওই তরুণী চিঠিতে জানান, তার মতো আরো অনেক তরুণীই গুরুর প্রতি তরুণীর পরিবারের অন্ধ ভক্তির কারণে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
ওই চিঠির পর দেশটির কেন্দ্রীয তদন্ত ব্যুরোকে ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। তবে ধর্ষণের শিকার তরুণীর পরিচয় খুঁজে বের করতে কয়েক বছর লেগে যায়। তবে ২০০৭ সালে ওই তরুণী প্রকাশ্যে এসে গুরু রাম রহিমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: