সোমবার, ১৫ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
টিকটক ভিডিও বানাতে গিয়ে নদীতে ঝাঁপ, ৪৮ ঘণ্টা পর লাশ উদ্ধার  » «   ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে সিলেট পিজিএস’র মানববন্ধন  » «   সিলেটে হোমিও শিক্ষায় বেড়েছে আগ্রহ,সহযোগিতায় সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা  » «   ভারী বৃষ্টিপাতে সিলেটের পাহাড়ি এলাকায় ধসের পূর্বাভাস  » «   জীবন দিয়ে হলেও এরশাদের মরদেহ রংপুরে আটকে দেয়ার ঘোষণা  » «   শেষ মুহূর্তে থেমে গেল ভারতের চন্দ্রযান ২-এর অভিযান  » «   এবার সংবাদ সম্মেলনে মুখ খুললেন মিন্নি  » «   হজ নিয়ে সৌদি-কাতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ  » «   এরশাদের সন্তানরা কে কোথায়  » «   ওবামার সঙ্গে জেদের কারণেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি বাতিল!  » «   প্রধানমন্ত্রী সময় দিলে জুলাইয়েই ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন  » «   লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই পাঁচদিন বঙ্গোপসাগরে ভারতীয় জেলে! উদ্ধার চট্রগ্রামে  » «   বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রশংসায় রানী ম্যাক্সিমা  » «   অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানে ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলা  » «   পদোন্নতি পেয়ে মন্ত্রী হচ্ছেন সিলেটের ইমরান আহমদ  » «  

মুক্তিযোদ্ধা সনদ জালিয়াতি



banglanews24.com

নিউজ ডেস্ক: মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (০৪ অক্টোবর) মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা মামলার চার্জশিট অনুমোদন দেয় কমিশন। মামলার বিচারিক কাজের জন্য শিগগিরই এ চার্জশিট আদালতে দাখিল করবে দুদক।

অনুমোদনের বিষয়টি দুদকের তদন্ত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, মনিরুজ্জামান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হওয়ার প্রত্যাশায় বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের বিজ্ঞপ্তির নিয়মাবলি ও শর্ত ভঙ্গ করে অসাধুভাবে প্রতারণার আশ্রয় নেন। এর অংশ হিসেবে আবেদনপত্রে মিথ্যা স্থায়ী ঠিকানা ও বাবা মুক্তিযোদ্ধা না হওয়া সত্ত্বেও জাল মুক্তিযোদ্ধা সনদ বানিয়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (পিএসসি) দাখিল করেন। আর এ প্রক্রিয়ায় তিনি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটায় পিএসসির সুপারিশপ্রাপ্ত হন।

পরবর্তী সময়ে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ এ অংশটি এড়িয়ে যাওয়ার মাধ্যমে ২০১৪ সালের ১১ মে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা পদে চাকরি পান।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার বাবা মো. আব্দুল ছামাদ একজন কৃষক। তিনি কখনোই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। আর ঠিকানার বিষয়ে তদন্তে দেখা যায়, মনিরুজ্জামানের বাবা কখনো মানিকগঞ্জের সেওতা ও ছনক গ্রামে বসবাস করেননি। চাকরি লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে বাবাকে মুক্তিযোদ্ধা সাজাতে গিয়ে ওই অঞ্চলের ইউপি চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করে পিএসসিতে আবেদন করেন। প্রকৃতপক্ষে তার স্থায়ী ঠিকানা মানিকগঞ্জের জেলার সাটুরিয়া থানার তেবাড়ীয়া গ্রামে।

২০১৪ সালের ১৩ জুলাই মো. মনিরুজ্জামান ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি পেয়েছেন, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। অনুসন্ধানে দুদকের উপপরিচালক এস এম গোলাম মাওলা সিদ্দিকী অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় কমিশনের অনুমোদনক্রমে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি রাজধানীর রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তী সময়ে গোলাম মাওলা সিদ্দিকীকে তদন্তের দায়িত্ব দেয় কমিশন। আগস্টে তিনি অবসরে গেলে উপপরিচালক খন্দকার খলিলুর রহমানকে তদন্তের দায়িত্ব দেয় কমিশন। তার তদন্তেও জালিয়াতির সত্যতা পাওয়া যাওয়ায় চার্জশিটের অনুমোদন দেয় কমিশন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: