শুক্রবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সালমানের প্রথম ভালো লাগা কে?  » «   দুই যুবকের সঙ্গে ২০ বছর বয়সী তরুণী, এরপর…  » «   হাওয়া ভবন থেকে মানুষকে স্বস্তি দিতে ১৪ দলীয় জোট : খালিদ মাহমুদ  » «   ফখরুলের বক্তব্যের সমালোচনা করে যা বললেন ওবায়দুল কাদের  » «   ভালবেসে বিয়ে, কিভাবে এতটা নির্মম হয় রনিরা?  » «   প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১০ মিনিট সময় চান ড. কামাল  » «   ভেরিফায়েড হলো মোস্তাফা জব্বারের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট  » «   গুজব ছড়ানোর অভিযোগ : রিমান্ডে সেই গৃহবধূ ফারিয়া  » «   সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা  » «   সব ব্যাংকে সতর্কতা জারি!  » «   গুজব ছড়ানোর অভিযোগে গৃহবধূ আটক  » «   ‘গর্বিত বাঙালির বিজয়ের দুই প্রতিচ্ছবি’  » «   ২৬ বছর পরে শাহরুখ!  » «   পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হতে পারে টুইটার  » «   সানি লিওন এবার ক্রিকেটার!  » «  

মুক্তামনির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক



নিউজ ডেস্ক:: বিরল রোগ হেমানজিওমায় আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনির মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তার পরিবারের শোকাহত সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৩ মে) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. সামন্তলাল সেন বাংলানিউজকে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘বিকেলে পাঁচটার দিকে মেসেজের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- মুক্তামনির না ফেরার দেশে চলে যাওয়ায় তিনি খুবই মর্মাহত ও শোকাহত। মুক্তামনির পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে মুক্তামনিকে যাতে আল্লাহ জান্নাতবাসী করেন সেজন্য দোয়া করেছেন প্রধানমন্ত্রী।’

এর আগে সকাল ৭টার দিকে ১২ বছরের শিশু মুক্তামনি না ফেরার দেশে পারি জমায়; দীর্ঘদিন ধরে বিরল রোগ হেমানজিওমায় ভুগছিল সে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের দরিদ্র ইব্রাহিম হোসেনের মেয়ে মুক্তামনি ঢামেক হাসপাতালে আসে ২০১৭ সালের ১১ জুলাই।

হাতে বড় আকৃতির ফোলা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসকরা তার রোগ শনাক্ত করেন রক্তনালীর এক ধরনের টিউমার হিসেবে, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় হেমানজিওমা।

ঢামেক হাসপাতালের চিকিৎসকের একটি দল মুক্তামনির হাতে ছয় দফা জটিল অস্ত্রোপচার করেন। তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তার চিকিৎসার খোঁজ-খবরও নিয়েছেন তিনি।

কিছুটা ভালো বোধ করলে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর তাকে বাড়ি ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে মুক্তামনির অবস্থার অবনতি হতে থাকে। হাতের ক্ষতস্থানে আবারও পচনের লক্ষণ দেখা যায়, সেই সঙ্গে জ্বর। অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়ে যায় যে দাঁড়ানোর মত শক্তিও পায়নি মেয়েটি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: