বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সংসদ কার্যকর রাখতেই বিরোধী দলে জাপা : জিএম কাদের  » «   মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রবার্টকে ক্ষমা করে দিন: চীনকে কানাডা  » «   রাতের অন্ধকারে জিনে আগুন দিচ্ছে বাড়ি ও দোকানে!  » «   কেনিয়ায় জঙ্গি হামলা; মার্কিন নাগরিকসহ নিহত ১৫  » «   সিলেট সিটিতে থাকবে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে আমন্ত্রণ পাবে আ.লীগ-জাপা  » «   অসুস্থতার কারণে আদালতে যাননি খালেদা জিয়া  » «   টিআইবির প্রতিবেদন মনগড়া কল্পকাহিনি : তথ্যমন্ত্রী  » «   উদ্ধার হলো শাহনাজের বাইক, ধরা পড়ল চোর  » «   বিদ্যুতের ঋতুভিত্তিক চাহিদার অবসান ঘটাতে হবে: জ্বালানি উপদেষ্টা  » «   পদ্মা নদীর ওপারেই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে  » «   স্যাটেলাইটে ধরা পড়ল সুন্দরবনের ৪০ একর বন উধাও!  » «   রহস্য খোলাসা করলেন সৌদি থেকে পালিয়ে আসা সেই তরুণী  » «   সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন ফরম কিনলেন তৃতীয় লিঙ্গের ৮ জন  » «   শাস্তির বদলে পদোন্নতি! লেক দূষণ রোধের ৫০ কোটি টাকা নয়ছয়  » «  

মুক্তামনির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক



নিউজ ডেস্ক:: বিরল রোগ হেমানজিওমায় আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনির মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তার পরিবারের শোকাহত সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৩ মে) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক ইউনিটের প্রধান সমন্বয়কারী ডা. সামন্তলাল সেন বাংলানিউজকে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘বিকেলে পাঁচটার দিকে মেসেজের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- মুক্তামনির না ফেরার দেশে চলে যাওয়ায় তিনি খুবই মর্মাহত ও শোকাহত। মুক্তামনির পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে মুক্তামনিকে যাতে আল্লাহ জান্নাতবাসী করেন সেজন্য দোয়া করেছেন প্রধানমন্ত্রী।’

এর আগে সকাল ৭টার দিকে ১২ বছরের শিশু মুক্তামনি না ফেরার দেশে পারি জমায়; দীর্ঘদিন ধরে বিরল রোগ হেমানজিওমায় ভুগছিল সে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের দরিদ্র ইব্রাহিম হোসেনের মেয়ে মুক্তামনি ঢামেক হাসপাতালে আসে ২০১৭ সালের ১১ জুলাই।

হাতে বড় আকৃতির ফোলা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসকরা তার রোগ শনাক্ত করেন রক্তনালীর এক ধরনের টিউমার হিসেবে, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হয় হেমানজিওমা।

ঢামেক হাসপাতালের চিকিৎসকের একটি দল মুক্তামনির হাতে ছয় দফা জটিল অস্ত্রোপচার করেন। তার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি তার চিকিৎসার খোঁজ-খবরও নিয়েছেন তিনি।

কিছুটা ভালো বোধ করলে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর তাকে বাড়ি ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে মুক্তামনির অবস্থার অবনতি হতে থাকে। হাতের ক্ষতস্থানে আবারও পচনের লক্ষণ দেখা যায়, সেই সঙ্গে জ্বর। অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়ে যায় যে দাঁড়ানোর মত শক্তিও পায়নি মেয়েটি।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: