শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দ্য হান্ড্রেডের ড্রাফটে আরও ৫ বাংলাদেশি ক্রিকেটার  » «   বাংলা একাডেমির সুপারিশে বদলে গেল বাংলা বর্ষপঞ্জি  » «   ওসমানীনগরে নামাজের সময় মাছ বিক্রি বন্ধ  » «   মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে হংকং ‘ডেমোক্রেসি অ্যাক্ট’ পাস  » «   গুগল ম্যাপে আবরারের নামে হল, খুনিদের নামে শৌচাগার  » «   গণশপথ নিয়ে আন্দোলনের ইতি টানলেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা  » «   দক্ষিণ আফ্রিকায় মসজিদে যাওয়ার পথে গুলিতে বাংলাদেশির মৃত্যু  » «   তুরস্কের বিরুদ্ধে লড়তে কুর্দিদের ‘প্রশিক্ষণ দিয়েছিল’ যুক্তরাষ্ট্র  » «   অপরাধ প্রতিরোধে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন: পুলিশ সুপার  » «   আবরার হত্যা: ২০ জনকে আসামি করে চার্জশিট হচ্ছে  » «   কানাইঘাটে ১১টি ভারতীয় গরু আটক  » «   জাবির গণরুম: ম্যানার শেখানোর নামে নবীন শিক্ষার্থী নির্যাতন  » «   কতগুলো বাটপার আছে যারা জাতীয় নেতা: ভিপি নুর  » «   ১৫ দিনে পাসপোর্ট না হলে কারণ জানিয়ে দিতে হবে আবেদনকারীকে  » «   ভারতে পালানোর সময় আবরার হত্যার আসামি সাদাত গ্রেফতার  » «  

মিয়ানমারের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কথা ভাবছে ইউরোপ



আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।এতে দেশটির তৈরি পোশাক খাতের হাজার হাজার লোভনীয় চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে। দোহাভিত্তিক আল জাজিরার এক খবরে এ তথ্য জানা গেছে।

ইউরোপীয় কর্মকর্তারা বুধবার মিয়ানমারে তাদের চারদিনের তথ্য অনুসন্ধানী মিশন শেষ করেছেন।সে অনুসারে রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর সেনাবাহিনীর নিপীড়ন ও মিয়ানমারে অন্যত্র যে সহিংসতা চলছে, তার জবাবে কঠোর পদক্ষেপ নিতে চায় ইইউ।

মিয়ানমার সফর শেষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য বিষয়ক কমিশনার সিসিলি ম্যালমস্ট্রোম বলেন, ভালো কোনো কিছু নিয়ে আসতে বাণিজ্য একটি শক্তিশালী মাধ্যম।মিয়ানমারের বেশ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ জব্দ তালিকায় অন্তভুক্ত রয়েছেন।

অস্ত্র কর্মসূচি ছাড়া বাকি সবকিছুতে ইউরোপীয় বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে মিয়ানমার। ইইউ এখন সেই সুবিধা বাতিলে কথা ভাবছে।ম্যালমস্ট্রোম বলেন, শ্রম অধিকার ও মৌলিক মানবাধিকারকে এগিয়ে নিতে ইউরোপীয় বাজারে বাণিজ্য অগ্রাধিকার ও শুল্কমুক্ত প্রবেশ সুবিধা এক ধরনের উৎসাহ হিসেবে কাজ করে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করতেই আমরা কাজ করছি।

‘আমরা মিয়ানমারের কাছে আশা করছি, পর্যবেক্ষণ মিশন চলার সময় আমরা যেসব মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা তুলে ধরেছি, তারা দ্রুতই সেসব সমাধান করবে।’তিনি বলেন, দেশটি যদি সে অনুসারে কাজ না করে, তবে ইউরোপীয় বাজারে মিয়ানমারের শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা হুমকিতে পড়বে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: