বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সরকারবিরোধী হলে ৩০ ডিসেম্বরের পরই রাস্তায় নামতাম : ভিপি নুর  » «   আজ ৭ বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী  » «   সিধুকে নিয়ে করা ইমরান খানের মন্তব্য ভাইরাল  » «   পায়ের ওপর দিয়ে বাস, মৃত্যুর কাছে হার মানলেন সেই নারী  » «   পুরোনো বগিতে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলছিল উদয়ন  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা: লাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন চাঁদপুরের দম্পতি  » «   ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের পরিচয় মিলেছে  » «   মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরিতে প্রতারণা: রাজস্ব কর্মকর্তার ৭ বছরের জেল  » «   সিগন্যাল অমান্য করায় তূর্ণা এক্সপ্রেসের চালক-গার্ডসহ ৩ জন বরখাস্ত  » «   ট্রেন দুর্ঘটনায় ১ লাখ টাকা করে পাবে নিহতদের প্রতি পরিবার  » «   তূর্ণার চালক সিগনাল অমান্য করায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা?  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা: হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নিহত  » «   ‘বাংলা বন্ড’ চালু বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের একটি বড় পদক্ষেপ  » «   কাউকেই খুঁজে পাচ্ছে না ট্রেন দুর্ঘটনায় আহত শিশুটি  » «   ট্রেন দুর্ঘটনা দেখতে এসে চাচা-চাচির লাশ পেলেন শাহাদৎ  » «  

মিয়ানমারকে ২৫ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা দিলো বাংলাদেশ



নিউজ ডেস্ক:: নিজেদের ভূমি রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসনের আগে যাচাই বাছাইয়ের জন্য ৬ হাজার রোহিঙ্গা পরিবারের প্রায় ২৫ হাজার লোকের নতুন একটি তালিকা মিয়ানমারের কাছে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ। সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় মিয়ানমারের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই তথ্য জানান ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব কামরুল আহসান।

বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব কামরুল আহসান। মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির পররাষ্ট্রসচিব মিন্ট থোয়ে।

পররাষ্ট্রসচিব কামরুল আহসান বলেন, মিয়ানমার পক্ষ বলেছে যে তারা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার জন্য বোঝাচ্ছেন। কিন্তু রোহিঙ্গা শিবিরে তাদের আলোচনার সময় তারা ফেরার অনুরোধ জানালে রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা হাসছিলেন।

রোহিঙ্গাদের মাঝে আস্থার ঘাটতি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন কামরুল আহসান। মিয়ানমারের পররাষ্ট্রসচিব মিন্ট থোয়ে বলেন, আমরা তাঁদের (রোহিঙ্গা) ফিরিয়ে নিতে রাজি আছি। এ জন্য কী কী করা হয়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছেন। তাদের বেশির ভাগই ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর চুক্তি সই করে। পরে দুই দেশ ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ চুক্তি করে। ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ অনুযায়ী, প্রত্যাবাসন শুরুর দুই বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

রোহিঙ্গাদের প্রথম দলের ফেরার কথা ছিল গত বছরের ১৫ নভেম্বর। কিন্তু রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ না থাকায় রোহিঙ্গারা ফিরতে রাজি না হওয়ায় এ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: