শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
নির্বাচনের আগে বিএনপির তিন শর্ত!  » «   রাজধানীতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় স্বামী নিহত, স্ত্রী আহত  » «   ৬ বছর ধরে শিক্ষক শূন্য ৯টি বিভাগ, জনবল সংকটে বন্ধ হওযার পথে কলেজ  » «   মাদকবিরোধী অভিযানপুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১  » «   প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনাশনিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব সড়ক  » «   কারাগারে গরমে অসুস্থ ১১ কয়েদি, একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক  » «   আলোচিত সেই পর্নস্টার স্টর্মি ড্যানিয়েলস গ্রেফতার  » «   রাজনগরে প্রচণ্ড গরমে ব্যবসায়ীর মৃত্যু  » «   বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বর্ণের ভল্টে ঢোকেন যারা  » «   সাংবাদিকদের ওবায়দুল কাদের‘বিএনপির রাজনীতিতে ভাটা চলছে, জোয়ার কবে ফিরবে তা কেউ জানে না’  » «   টাইগাদের দারুন জয়  » «   যে কারণে তাপমাত্র বেড়েছে, দু-একদিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা  » «   যেসব কারণে ফল খারাপ  » «   মেয়ের সাথে প্রথমবার অমিতাভ বচ্চন  » «   সরকারি এডওয়ার্ড কলেজে শহীদদের স্মরণে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন  » «  

মিয়ানমারকে আল্টিমেটাম



আন্তর্জাতিক ডেস্ক::হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসি এক বিবৃতিতে রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে সে ব্যাপারে জবাবদিহিতা করার জন্য মিয়ানমার সরকারকে সময়সীমা বেধে দিয়েছে।

আইসিসি’র কৌসূলী ফাতাউ বেনসৌদা ওই বিবৃতিতে আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত শেষ সময়সীমা বেধে দিয়েছেন মিয়ানমারকে।

আইসিসি’র এই কৌসূলী প্রায় তিন মাস আগে আট লাখের বেশি রোহিঙ্গা কেন বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে তার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আদালতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল।

এর আগে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীরা তাদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের জুলুম-নির্যাতন ও হামলার বিষয়টি তদন্তের জন্য আইসিসি’র প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল। আইসিসি মিয়ানমার সরকারকে যে আল্টিমেটাম দিয়েছে তা রোহিঙ্গাদের ওপর ভয়াবহ গণহত্যার বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্তের সুযোগ এনে দেবে বলে অনেকে মনে করছেন।

যদিও আইসিসি’র কোনো কোনো সূত্র বলছে, মিয়ানমার সরকার আইসিসি’র সদস্য না হওয়ার কারণে রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর দেশটির সেনা ও উগ্র বৌদ্ধদের গণহত্যার বিষয়ে তদন্ত করা সম্ভব হবে না।

কিন্তু আইসিসি’র কৌসূলী বলছেন, এ বিষয়ে তদন্তের ক্ষমতা ও অধিকার সংস্থাটির রয়েছে এবং এ কারণে মিয়ানমার সরকারকে আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে। অবশ্য আইসিসি মনে করে মিয়ানমার এ সংস্থার সদস্য না হলেও বাংলাদেশ এর সদস্য। আর সে কারণে বাংলাদেশের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ওপর জুলুম নির্যাতনের বিষয়টি তদন্ত করা যাবে।

হেগের আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী আগ্রাসন, গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধ তদন্ত করা এ সংস্থার দায়িত্ব। এ কারণে আইসিসি রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে জাতিগত শুদ্ধি অভিযান এবং নৃশংস কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে তদন্ত চালাবে বলে সবার প্রত্যাশা।

ভূ-রাজনৈতিক গবেষক অ্যান্থনি কার্তালুসি মনে করেন, আন্তর্জাতিক আইনে যুদ্ধাপরাধ ও জাতিগত শুদ্ধি অভিযান বলতে যা বোঝায় তা মিয়ানমারের মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইনে সংঘটিত হয়েছে বা এখনো হচ্ছে। রোহিঙ্গা মুসলমানদের পুরোপুরি নির্মূল করাকেই প্রধান লক্ষ্য বানিয়েছে মিয়ানমারের খুনিরা।

হেগের আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিসি অনেক দেরিতে হলেও মিয়ানমার সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়েছে কিন্তু এ সংস্থাটি রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর বর্বর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে তদন্ত ও সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীরা যাতে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আন্তর্জাতিক সমাজ আশা করছে। পার্সটুডে

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: