শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
দেশীয় কোম্পানির ক্যাপসুলে চলতি মাসেই ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন!  » «   মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী, নাচ-গান-স্লোগানে মুখরিত বিজয় উৎসব  » «   ধনী বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় দেশ  » «   ভোটাধিকার হাইজ্যাক করেছে আওয়ামী লীগ : ড. কামাল  » «   রাজনৈতিক দলগুলোকে সংলাপে বসার আহ্বান জাতিসংঘের  » «   আওয়ামী লীগের বিজয় উৎসব ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা  » «   অ্যাসাঞ্জের গোপন বৈঠকের খোঁজ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র  » «   সৌদি নারীদের বিয়ে করতে পারবে বাংলাদেশিরা, মিলবে ভাতা  » «   এমপি কয়েসের হাত ধরে বিএনপির হাবিব এখন আওয়ামী লীগে  » «   জিয়াউর রহমানের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী আজ  » «   রোহিঙ্গাদের দেখতে আজ বাংলাদেশে আসছেন জাতিসংঘের দূত  » «   ‘দম বন্ধ হয়ে আসছে, আমাকে ছেড়ে দিন’  » «   দুই যুগে কতটা সফল ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা?  » «   কলম্বিয়ায় পুলিশ একাডেমিতে গাড়িবোমা বিস্ফোরণ, নিহত ১০  » «   সোহরাওয়ার্দীতে আজ আওয়ামী লীগের বিজয় সমাবেশ  » «  

মানুষের মুক্তির আশা আজ দুরাশায় পরিণত হয়েছে



নিউজ ডেস্ক:: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, নির্বাচনোত্তর সহিংস সন্ত্রাসের প্রকোপে জনজীবন গভীর শঙ্কা ও উদ্বেগের মধ্যে পতিত হয়েছে। বিরামহীন সন্ত্রাসের প্রসারে দেশজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অবৈধ শাসনের শৃঙ্খল থেকে মানুষের মুক্তির আশা দুরাশায় পরিণত হয়েছে।আজ বুধবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রিজভী বলেন, নিপীড়ন-অত্যাচারের সংবাদও গণমাধ্যম যাতে প্রকাশ না করে সেজন্য ভয়ংকর সেন্সরশিপ চালানো হচ্ছে। টিভি টকশো, সংবাদপত্রের নিবন্ধ, ফেসবুক ইত্যাদি যাতে সরকারের পক্ষে থাকে তার জন্য আগেভাগেই গণবিরোধী আইনে-বেআইনের সব কালো পথ গ্রহণ করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তার একটি। আবার একইসাথে স্বৈরশাসনের অংশীদার কিছু মিডিয়ার পক্ষপাতিত্বও সবার কাছে পীড়াদায়ক। এদেশে গণতন্ত্রের ভীত সম্পূর্ণভাবে ভেঙে গেছে, নিষ্ঠুর দমনে গণতন্ত্র এখন পীড়িত।

নির্বাচনের পর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দিয়ে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, দেশজুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশি হয়রানি ও মামলা-হামলার পর এখন দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, মির্জা আব্বাস ও আফরোজা আব্বাসের বিরুদ্ধে নতুন মামলার কারণ হলো তারা দলের পক্ষে অটুট অবস্থান নিয়েছেন। নির্বাচনে তারা দুইজনই প্রার্থী ছিলেন। অনেক হামলা হয়েছে তাদের ওপর। এর মধ্যেও তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এটাই তাদের অপরাধ।

তিনি বলেন, গত ১০ বছরে সরকার দলীয় নেতাকর্মীরা লাখ লাখ কোটি টাকা লুট করে নিলেও, সমস্ত ব্যাংক লুট হয়ে গেলেও দুদক চোখ বন্ধ করে বসে আছে। গণমাধ্যমে মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে সাগর চুরির খবর প্রকাশ হলেও, খোদ সংসদে দাঁড়িয়ে সরকারের মন্ত্রীরা সাগর চুরির কথা বললেও দুদক একেবারে পাথরের মূর্তির মতো চুপচাপ বসে থেকেছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, আহমেদ আযম খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: