শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ চৈত্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
সিলেটে নির্মাণ হতে যাচ্ছে স্মৃতিসৌধ,পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার  » «   সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি  » «   জাফর ইকবালকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু  » «   আইডিয়া’র ২৫ বছর পূর্তি উৎসবে র‍্যালি, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান  » «   উন্নয়ন করতে গিয়ে জীবন ও জীবিকার যেন ক্ষতি না হয় : প্রধানমন্ত্রী  » «   আজ দিন রাত সমান, আকাশে থাকবে সুপারমুন  » «   সহকর্মীর হাতে খুন হলেন তিন ভারতীয় সেনা  » «   মসজিদে হামলাধারী ব্রেন্টন আইএস থেকে ভিন্ন কিছু নয়: এরদোগান  » «   সিলেটে মেশিনে আদায় হবে যানবাহনের মামলার জরিমানা  » «   গ্যাসের দাম ১৩২% বৃদ্ধির প্রস্তাব হাস্যকর  » «   মেয়রের আশ্বাসে ২৮ মার্চ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত  » «   দরিদ্র বলে এদেশে কিছু থাকবে না : প্রধানমন্ত্রী  » «   এক সপ্তাহের মধ্যে আবরারের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ  » «   গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি ওমরের মুখে মসজিদে হামলার লোমহর্ষক বর্ননা…  » «   আজ প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী,আ. লীগের শ্রদ্ধা  » «  

মানসিক চাপ কমানোর সেরা ৫ কৌশল



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: দৈনন্দিন কাজের ব্যস্ততার কারণে অনেকেই মানসিক চাপে ভোগেন। এতে থেকে মুক্তি অনেকে নানা ধরনের কৌশলও অবলম্বন করেন।আসুন জেনে নিই কিভাবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে মানসিক চাপ কমিয়ে আনা যায়:-

ব্যায়াম বা খেলাধুলা
হালকা ব্যায়াম বা খেলাধুলা মানসিক চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জগিং বা সাইকেল চালালে স্ট্রেস হরমোন কমে গিয়ে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখে। সমীক্ষায় দেখা গেছে ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত মানুষকেও হালকা খেলাধুলা বা ব্যায়াম প্রফুল্ল রাখে। তবে অবশ্যই মানসিক চাপ আরও বেড়ে যাওয়ার মতো কোনো প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলা নয় কিন্তু!

রিল্যাক্স করার কৌশল
পেশি রিল্যাক্স করার নতুন কৌশলগুলোর মধ্যে যোগব্যায়াম বা ইয়োগা এবং মেডিটেশনের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যার মাধ্যমে শারীরিক এবং মানসিক চাপ কমে শরীর ও মনকে করে হালকা ও ফুরফুরে। বিশেষজ্ঞের মতে, প্রচণ্ড চাপ থাকা সত্ত্বেও অনেকের ক্ষেত্রেই ইয়োগা বা মেডিটেশনের মতো রিল্যাক্স করার এই নতুন কৌশল বেশ সাহায্য করে।

সবুজ প্রকৃতি সুস্থ রাখে
নেদারল্যান্ডের গবেষকরা খুঁজে বের করেছেন যে, সবুজ রং মানুষের নার্ভকে একদিকে যেমন শান্ত রাখে তেমনি আনন্দিতও করে। কারণ সমীক্ষায় জানা যায়, যারা শহরের কেন্দ্রস্থলে বসবাস করেন তাদের চেয়ে যাদের বাড়িতে বাগান আছে বা সবুজে ঘেরা বাগানের কাছাকাছি বসবাস করেন, তারা মানসিকভাবে সুস্থ থাকেন।

কাজের ফাঁকে বিশ্রাম
শরীর এবং মন দু’টোরই মাঝে মাঝে ভালোভাবে বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। বিশেষ করে যারা সারাদিন কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করেন, তাদের মানসিক চাপে রক্তে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়৷ এক্ষেত্রে কাজের ফাঁকে খানিকক্ষণ মুক্ত বাতাসে হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করলে আবার বেশ তরতাজা বা ফ্রেশ হয়ে কর্মস্থলে ফেরা যায়।

মনকে শান্ত করার বিশেষ জায়গা
কিছুক্ষণের নীরবতা মাঝে মাঝে শরীর ও মনকে এতটাই শান্ত করতে পারে যে মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের বিরুদ্ধে তা ঠিক যেন ওষুধের মতো কাজ করে। তাই বাড়ির কোথাও একটি খালি ঘরে দিনে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় কাটাতে পারেন।যারা বড় শহরে থাকেন,তারা চলে যান কোনো মিউজিয়ামে বা লাইব্রেরিতে। আর শরীর ও মনকে শান্ত করতে পারে মসজিদ, মন্দির বা গির্জার মতো ধর্মীয় স্থানগুলোও।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: