শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ মাঘ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লন্ডনে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ভাষা বাংলা  » «   ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে সাব-রেজিস্ট্রার আটক  » «   আর কোনো হায়েনার দল বাংলার বুকে চেপে বসতে পারবে না  » «   সিলেটে মুক্তিযুদ্ধের পাণ্ডুলিপি সংগ্রহ করলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী  » «   ফের জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সভাপতি সালমা ইসলাম এমপি  » «   বিয়ানীবাজারে ৯৯০ পিস ইয়াবাসহ পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী আটক  » «   আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটে বর্ণাঢ্য র‌্যালি  » «   এবার শ্রীমঙ্গলে ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন  » «   বেলজিয়ামে মসজিদে তালা দেওয়ায় বাংলাদেশিদের প্রতিবাদ  » «   পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পার্টির ঢাকা জেলা শাখার সম্মেলন উদ্বোধন  » «   ভারতের অর্থনীতির দুরবস্থা, জিডিপি কমে সাড়ে ৪ শতাংশ  » «   পায়রা উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা  » «   লন্ডন ব্রিজে আবারও সন্ত্রাসী হামলা, নিহত ২  » «   চীন থেকে মা-বাবার জন্য পেঁয়াজ নিয়ে এলেন মেয়ে  » «   রক্তে ভাসছে ইরাক, নিহত ৮২  » «  

মানবতাবিরোধী অপরাধ : বাগেরহাটের ১৪ আসামির বিরুদ্ধে ৭ অভিযোগ



একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় বাগেরহাটের ১৪ জনের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

রোববার তদন্ত সংস্থার ধানমন্ডি কার্যালয়ে সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আসামিরা হলেন- বাগেরহাটের খান আশরাফ আলী (৬৫), খান আক্রাম হোসেন (৬০), সূলতান আলী খান (৬৮), রুস্তম আলী মোল্লা (৭০), ইদ্রিস আলী মোল্লা (৬৪), মকছেদ আলী দিদার (৮৩), শেখ মো. উকিল উদ্দিন (৬২), শেখ ইদ্রিস আলী (৬১), শেখ রফিকুল ইসলাম ওরফে বাবুল (৬৪), মো. মনিরুজ্জামান হাওলাদার (৬৯), মো. হাশেম আলী শেখ (৭৯), মো. আজাহার আলী শিকদার (৬৪), মো. মকবুল মোল্লা (৭৯), মো. আব্দুল আলী মোল্লা (৬৫)। আসামিদের মধ্যে আজহার আলী শিকদার শুধু বিএনপি সমর্থক। বাকি সবাই জামায়াত সমর্থক।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে একই বছর খাঁন আকরাম হোসেন, ইদ্রিস আলী মোল্লা, শেখ মো. উকিল উদ্দিন এবং মকবুল মোল্লাকে গ্রেফতার করে ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করা হয়। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৪ জুন তদন্ত শুরু হয়। দুই বছরের বেশি সময় ধরে ৫৭ জন ঘটনার সাক্ষী, একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং ৩ জন জব্দ তালিকার সাক্ষীর জবানবন্দির প্রেক্ষিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়।

আসামিদের বিরুদ্ধে বাগেরহাট জেলার কচুয়া ও মোড়লগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ আটক, নির্যাতন, অপহরণ, লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগে ধ্বংস করা, ধর্ষণ ও হত্যার মতো ৭টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

 

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: