বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ মাঘ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
পদ্মা নদীর ওপারেই বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হবে  » «   স্যাটেলাইটে ধরা পড়ল সুন্দরবনের ৪০ একর বন উধাও!  » «   রহস্য খোলাসা করলেন সৌদি থেকে পালিয়ে আসা সেই তরুণী  » «   সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন ফরম কিনলেন তৃতীয় লিঙ্গের ৮ জন  » «   শাস্তির বদলে পদোন্নতি! লেক দূষণ রোধের ৫০ কোটি টাকা নয়ছয়  » «   ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট চুক্তি প্রত্যাখ্যান  » «   প্রধানমন্ত্রীর সই জাল করে টাকা আত্মসাৎ!  » «   আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সম্মেলন শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি  » «   এমপিদের শপথ গ্রহণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটের শুনানি বুধবার  » «   গায়েবি মামলা বলতে কিছু নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  » «   মেধাবীরা আত্মহত্যা করে আর মেধাহীনরা জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে  » «   ৫০ আসনের ৪৭টিতে অনিয়ম: টিআইবি  » «   টিলাগড় ইকোপার্ক: বাঘ-সিংহ নিয়ে কেবলই আশ্বাস!  » «   কোটা সংস্কার আন্দোলনের চার মামলায় প্রতিবেদন ১৪ ফেব্রুয়ারি  » «   প্রশ্নফাঁস ও কোচিং বাণিজ্য বন্ধসহ ৫ নির্দেশনা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী  » «  

মাদকের গডফাদারদের নির্মূলে আসছে নতুন আইন



নিউজ ডেস্ক ::মাদক সম্রাট বা মাদকের গডফাদারদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা ধরে অভিযান কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। বর্তমান আইনে সরাসরি গডফাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায় না জানিয়ে অতিদ্রুত নতুন একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার কথাও সংসদকে অবহিত করেন তিনি।

সোমবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য বেগম পিনু খানের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০ এ মাদক অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রয়েছে। তবে বিদ্যমান আইনে কোনো ব্যক্তির দখলে, কর্তৃত্বে বা অধিকারে মাদকদ্রব্য না পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ নেই। ফলে মাদক ব্যবসায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীরা সহজেই পার পেয়ে যায়। এই আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষকতাকারী ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের লক্ষ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এ আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষক ও মাদকের গডফাদারসহ মাদক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এ আইনে মাদক ব্যবসায় পৃষ্ঠপোষকতাকারী কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ তদন্তে অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের ক্ষমতায়িত করা হয়েছে।

তিনি জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ সকল আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে। ২০১৭ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ সকল সংস্থা ১ লাখ ৩২ হাজার ৮৮৩ জন মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০১৮ সালে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ২৭ হাজার ৩৪০টি মামলায় ৩৫ হাজার ১১২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। জেলা প্রশাসনও এ বিষয়ে সহযোগিতা করে অবৈধ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: