বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ বৈশাখ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
শুক্রবার শ্রীলঙ্কার মসজিদে হামলার হুমকি, নিরাপত্তা জোরদার  » «   মোটরসাইকেলে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কা, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মৃত্যু  » «   প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা  » «   নুসরাত হত্যা: তদন্তে বেরিয়ে আসছে পুলিশ কর্মকর্তাদের গাফিলতি  » «   সিলেটের সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে রোগাক্রান্ত ভারতীয় গরু  » «   খালেদা জিয়া সরকারের আইনগত সহায়তা পাওয়ার যোগ্য নন: আইনমন্ত্রী  » «   পরীক্ষাকেন্দ্রে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, ইনস্ট্রাক্টর কারাগারে  » «   নিউজিল্যান্ডের পার্মানেন্ট ভিসা পাচ্ছেন মুসলিমরা!  » «   জাফর ইকবাল হত্যাচেষ্টা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন মহানগর হাকিম হরিদাস কুমার  » «   কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্ত্রী-সন্তান হারানোর বর্ণনা দিলেন সুদেশ  » «   বহুদিন গোসল না করে অফিস করেছি: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী  » «   দল বহিষ্কার করতে পারে জেনেই শপথ নিয়েছি: জাহিদুর রহমান  » «   এবার শ্রীলঙ্কায় আদালতের পাশে বোমা বিস্ফোরণ  » «   কবরের জন্য জমি চাইলে বন্দেমাতরম বলতেই হবে: বিজেপি  » «   এবার শপথ নিচ্ছেন বিএনপির জাহিদুর  » «  

মাছের তেল খাওয়া ভালো না খারাপ?



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনেকে চর্বিযুক্ত মাংস এড়িয়ে চলেন। একই কারণে মাছের চর্বি খেতেও আপত্তি অনেকের। কিন্তু মাংসের মতো মাছের চর্বি বা তেলও কি খারাপ? আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, প্রত্যেক মানুষের উচিত, তাদের খাদ্যতালিকায় সপ্তাহে অন্তত দু’দিন তেলযুক্ত মাছ বা মাছের তেল খাওয়া। কেননা, তেলযুক্ত মাছে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে। আর মাংসের চর্বির মতো এটা ক্ষতিকরও নয়।

মাছের তেল বা চর্বিতে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের চমৎকার উৎস, যেটা চর্বির ক্ষতিকর উপাদানমুক্ত। এতে আছে ডিএইচএ। এটি রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, নির্বিঘ্নে রক্ত সরবরাহ করে এবং রক্তের ক্ষতিকর চর্বিকে রক্তনালিতে জমতে বাধার সৃষ্টি করে।

নিয়মিত তেলযুক্ত মাছ খেলে হৃদরোগের আশঙ্কা এক-তৃতীয়াংশ কমে আসে। ফলে হৃদরোগ প্রতিরোধে এটি খুবই কার্যকর।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় প্রমাণিত, শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ, স্মৃতিশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ডিএইচএ চমৎকার ভূমিকা রাখতে পারে। যেসব মা নিয়মিত মাছ খান, তাদের বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুরা ডিএইচএ পর্যাপ্ত পরিমাণে পেতে পারে। ফলে ছয় থেকে দশ বছর বয়সী শিশুরা পর্যাপ্ত ওমেগা-৩ এবং ডিএইচএ গ্রহণ করলে পরবর্তী জীবনে শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ, স্মৃতিশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও মেধার পরিচয় দেয়।

ছোট-বড় উভয় মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা ক্যান্সার, দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ, আর্থ্রাইটিস রোধে সাহায্য করে, পাশাপাশি ত্বক ভালো রাখে।

মাছের তেলে রয়েছে এক ধরনের রাসায়নিক উপাদান, যা মানবদেহে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। ছোট কাঁটাযুক্ত মাছকে ক্যালসিয়ামের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস বলা হয়ে থাকে। এ ছাড়া মাছে আমিষ ও ওমেগা-৩ চর্বির পাশাপাশি রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ফসফরাস, যা দাঁত, পেশি ও হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সূত্র: হেলথলাইন

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: