সোমবার, ২৪ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
প্রথমবার সিলেট-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে উড়বে ইউএস-বাংলা  » «   ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো ইন্দোনেশিয়ায়-জাপান-অস্ট্রেলিয়া  » «   ভোটকেন্দ্রেই ঘুমিয়ে পড়লেন কর্মকর্তা  » «   ‘জয় শ্রীরাম’ না বলায় পিটিয়ে মুসলিম যুবককে হত্যা  » «   নয়াপল্টনে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ  » «   অফিসে বসে বসে শুধু কি চা খাইলে হবে? দেশপ্রেম থাকতে হবে: হাইকোর্ট  » «   বিকেলের মধ্যে উদ্ধার কাজ শেষ হবে: রেলসচিব  » «   বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরন যুক্তরাষ্ট্রে  » «   সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লেও দুর্নীতি কমছে না : টিআইবি  » «   দেশসেরা প্রধান শিক্ষক হবিগঞ্জের শাহনাজ কবীর  » «   বাঘের খাবারও চুরি হয় ঢাকা চিড়িয়াখানায়, ফেসবুকে ভাইরাল  » «   দুই মাস ওমরাহ ভিসা স্থগিত করল সৌদি  » «   বীমার আওতায় যেসব সুবিধা পাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীরা  » «   কারাগারে সুনামগঞ্জের আ. লীগ নেতা শামীম আহমদ  » «   মুক্তি পেয়ে নতুন যে বাড়িতে থাকবেন খালেদা  » «  

মাছের তেল খাওয়া ভালো না খারাপ?



লাইফ স্টাইল ডেস্ক:: স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অনেকে চর্বিযুক্ত মাংস এড়িয়ে চলেন। একই কারণে মাছের চর্বি খেতেও আপত্তি অনেকের। কিন্তু মাংসের মতো মাছের চর্বি বা তেলও কি খারাপ? আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, প্রত্যেক মানুষের উচিত, তাদের খাদ্যতালিকায় সপ্তাহে অন্তত দু’দিন তেলযুক্ত মাছ বা মাছের তেল খাওয়া। কেননা, তেলযুক্ত মাছে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে। আর মাংসের চর্বির মতো এটা ক্ষতিকরও নয়।

মাছের তেল বা চর্বিতে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের চমৎকার উৎস, যেটা চর্বির ক্ষতিকর উপাদানমুক্ত। এতে আছে ডিএইচএ। এটি রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, নির্বিঘ্নে রক্ত সরবরাহ করে এবং রক্তের ক্ষতিকর চর্বিকে রক্তনালিতে জমতে বাধার সৃষ্টি করে।

নিয়মিত তেলযুক্ত মাছ খেলে হৃদরোগের আশঙ্কা এক-তৃতীয়াংশ কমে আসে। ফলে হৃদরোগ প্রতিরোধে এটি খুবই কার্যকর।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় প্রমাণিত, শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ, স্মৃতিশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ডিএইচএ চমৎকার ভূমিকা রাখতে পারে। যেসব মা নিয়মিত মাছ খান, তাদের বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুরা ডিএইচএ পর্যাপ্ত পরিমাণে পেতে পারে। ফলে ছয় থেকে দশ বছর বয়সী শিশুরা পর্যাপ্ত ওমেগা-৩ এবং ডিএইচএ গ্রহণ করলে পরবর্তী জীবনে শিশুদের বুদ্ধির বিকাশ, স্মৃতিশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও মেধার পরিচয় দেয়।

ছোট-বড় উভয় মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান, যা ক্যান্সার, দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ, আর্থ্রাইটিস রোধে সাহায্য করে, পাশাপাশি ত্বক ভালো রাখে।

মাছের তেলে রয়েছে এক ধরনের রাসায়নিক উপাদান, যা মানবদেহে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। ছোট কাঁটাযুক্ত মাছকে ক্যালসিয়ামের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস বলা হয়ে থাকে। এ ছাড়া মাছে আমিষ ও ওমেগা-৩ চর্বির পাশাপাশি রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান, সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ফসফরাস, যা দাঁত, পেশি ও হাড়ের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সূত্র: হেলথলাইন

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: