মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ
লিপস্টিক যখন মাজাদার খাবার!  » «   কিশোরী ধর্ষণের প্রমান মেলায় ২ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র  » «   শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ শিক্ষা দিতে হবে- রেজাউল রহিম লাল  » «   মাশরাফির রংপুরের কাছে নাসিরের সিলেটের পরাজয়!  » «   যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু  » «   সালমানের স্ত্রী-সন্তান থাকে বিদেশে!  » «   পুলিশ পেটালো ছাত্রলীগ!  » «   চুয়াডাঙ্গায় সাপের কামড়ে একজনের মৃত্যু  » «   বিপিএল পয়েন্ট টেবিলে কে কোথায় দাঁড়িয়ে  » «   আম্পায়ারের সঙ্গে সাকিবের এ কেমন আচরণ!  » «   সংসদে বাদলকে তুলোধুনো করলেন নৌমন্ত্রী  » «   ৭ মার্চ কেন জাতীয় দিবস নয় : হাইকোর্ট  » «   আজ সুফিয়া কামালের জন্মদিন  » «   অভিবাসীবিরোধী নন ট্রাম্প  » «   আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করবেন শাহরুখ  » «  

মাইক্রো ক্রেডিট নয়, মাইক্রো সেভিংস’র ব্যবস্থা করা হয়েছে’



নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমবায়ের আদর্শ ও মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে দেশের সকল সমবায়ী ভাইবোনকে দেশ ও জাতির উন্নয়নে অংশীদার হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিগত বছরগুলোতে সমবায়ের মাধ্যমে দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। আরও দুইটি দুগ্ধভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি আমরা কৃষি ও অকৃষি পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আপনারা উৎপাদনমুখী সমবায় গঠনের মাধ্যমে ব্যবসায় বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে তৎপর হোন।’

শেখ হাসিনা ৪ নভেম্বর ৪৬তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে আজ দেয়া এক বাণীতে এ আহবান জানান।

আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্য বিবেচনায় সমবায় দিবসের এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘উৎপাদনমুখী সমবায় করি, উন্নত বাংলাদেশ গড়ি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত করা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই সকল সমবায়ী এই উন্নয়ন সংগ্রামে সামিল হোন। আমাদের সম্পদ সীমিত। সে সীমিত সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে সমবায় খাতকে আরও শক্তিশালী ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সমবায়ীগণকে উৎপাদনমুখী কার্যক্রমে আত্মনিয়োগ করতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় সমবায় একটি আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। দেশে এই মুহূর্তে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৭৭০টি নিবন্ধিত সমবায় প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৬ লাখ ৯০ হাজার ৭২৮ জন সদস্য রয়েছে। সমবায় সমিতিগুলোর কার্যকরী মূলধন প্রায় ১৪ হাজার ৫৪ কোটি টাকা এবং মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭ হাজার ৩২ কোটি টাকা।’

এ সকল সমবায়ের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৮ লাখ ২৬ হাজার ৭৩৮ জন লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ”সমবায়ভিত্তিক ‘একটি বাড়ী একটি খামার’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এখন থেকে আর মাইক্রোক্রেডিট নয়, ‘মাইক্রো সেভিংস’র ব্যবস্থা করা হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত বছরগুলোতে সমবায়ের মাধ্যমে দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আরও দুইটি দুগ্ধভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি কৃষি ও অকৃষি পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। উৎপাদনমুখী সমবায় গঠনের মাধ্যমে ব্যবসায় বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে তৎপর হওয়ার উপর তাগিদ দেন তিনি।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সুদৃঢ় করতে সমবায়কে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। তিনি গ্রামে গ্রামে বহুমুখী সমবায় সমিতি গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। জনগণের দুগ্ধজাত পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য মিল্ক ভিটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং মাদারীপুর জেলার টেকেরহাটে মিল্ক ভিটার প্রথম প্ল্যান্ট স্থাপন করেছিলেন, যা আজো দেশের বৃহত্তম তরল দুগ্ধ উৎপাদনকারী ও বিতরণকারী সমবায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে তার মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে সক্ষম হয়েছে।

সংবাদটি সম্পর্কে আপনার বস্তুনিষ্ট মতামত প্রকাশ করুন

টি মন্তব্য

সংবাদটি শেয়ার করুন

Developed by: